4 Answers
বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম দুটিই উন্নয়নশীল দেশ। দুটি দেশের ভিতরে অর্থনীতিতে অনেক মিল রয়েছে। দুটি দেশের ফসল প্রায় একই রকম । দুটি দেশের প্রধান ফসল হলো ধান,পাট,চা, রাবার ইত্যাদি প্রায় একই। উভয় দেশ কৃষি নির্ভর। বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার কৃষি জীবী ৭০% এবং ভিয়েতনাম মোট জনসংখ্যার কৃষি জীবী৫৭%। বাংলাদেশ স্বাধীন হয় 1971 এবং ভিয়েতনাম একত্রিত হয় 1976সালে। বাংলাদেশর মাথা পিছু আয় ২০৬৪ ডলার এবং ভিয়েতনামের মাথা পিছু আয় ৩৫০০ ডলার। তবে ভিয়েতনাম বাংলাদেশর তুলনায় দ্রুত গতিতে উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। সুতরাং বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম উন্নয়ন মুখী।
বাংলাদেশ ও ভিয়েত নামের কৃষির তুলনা করা হলো...
বাংলাদেশঃ
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশে শতকরা ৭৫ ভাগ লোক গ্রামে বাস করে। বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় ৫৯.৮৪% লোকের এবং শহর এলাকায় ১০.৮১% লোকের কৃষিখামার রয়েছে। মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৯.১% এবং কৃষিখাতের মাধ্যমে ৪৮.১% মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে।
ভিয়েতনামঃ
ভিয়েতনামের সমাজ হলো কৃষি ভিত্তিক ধান প্রধান উৎপন্ন কৃষিদ্রব্য,,
ভিয়েতমানে ধানের সাথে, কফি, চা,রাবার এবং অন্যান্য ক্রান্তিয় শস্য উৎপাদন হয়,,
১৯৯০-এর দশকে ভিয়েতনামের বার্ষিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গড়ে ৭% হারে বৃদ্ধি পায়। অব্যাহত প্রবৃদ্ধির ফলে ২০০৮ সাল নাগাদ ভিয়েতনামের স্থূল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন দাঁড়ায় ৭০ বিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু আয় ৩৫০০ ডলারের মত। সেবাখাত (৩৮%) ও শিল্পখাত (৪২%) প্রধান দুই অর্থনৈতিক খাত। তবে দেশের প্রায় ৫৭% শ্রমিক এখনও কৃষিজীবী।
বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষির উপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার পূর্বে, পশ্চিম পাকিস্থানের শাসন শোষন ও কৃষি বৈষম্যের জন্য এদেশের কৃষি ক্ষেত্রে খুব বেশি অগ্রগতি লাভ করেনি। স্বাধীনতার পর কয়েকটি মাত্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্সটিটিউট ভেটেরিনারী প্রতিষ্ঠান ছিল। মানুষের তেমন কোন প্রশিক্ষন ছিলনা। কিন্তু আজ আর সে অবস্থা নাই। এখন দেশে চারটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি ভেটেরিনারী প্রতিষ্ঠান ও জেলা পর্যায়ের অধিদপতের শাখা ছড়িয়ে আছে। এখন বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষিতে অনেক এগিয়ে গেছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানি ও ব্যবহারের মাধ্যমে বহুগুনে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়েছে। বলা যায় যে তাই বাংলাদেশ কিছু কিছু কৃষি পন্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ন অর্জন করেছে। কিন্তু তবুও ছোট একটি দেশ তার জনসংখ্যা বিশাল। দিনের পর দিন বাড়তি জনসংখার জন্য কৃষি জমি কমে যাওয়ায় অল্প যায়গায় অধিক ফসল উৎপাদন ও সারাবছর চাষের জন্য উন্নত প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। সর্ব ক্ষেত্রে সেচ ব্যবস্থা এখনো উন্নত হয়নি। কৃষি যন্ত্রপাতী, জৈব সার সবুজ সার তৈরি ইত্যাদিতে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে।
অন্যদিকে ভিয়েতনামের কৃষি অনেক উন্নত। তারা কয়েক বছরের মধ্যে কৃষি যন্ত্রপাতী উন্নায়ন ও নানা কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে তা ব্যবহার করছে। এর ফলেই বর্তমানে ভিয়েতনাম চাল উৎপাদন ও রপ্তানিতে প্রধান দেশে পরিণত হয়েছে। ভিয়েতনাম আজ উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম সময়ে অনেক বেশি কৃষি পন্য বা ফসল উৎপাদন করছে। যার সাথে বাংলাদেশের খুব কমই মিল রয়েছে।
ভিয়েতনামের সাথে বাংলাদেশের ধান উৎপাদনে বেশি মিল রয়েছে। ২৫ বছর আগে ভিয়েতনাম কৃষিতে অনগ্রসর ও দুর্বল ছিল। তারা আজ প্রায় সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে।
ভিয়েতনামের কৃষি সমবায় অত্যান্ত শক্তিশালী ও সৃজনশীল। সেখানে সকল কৃষক কোন না কোন সমবায়ের সাথে যুক্ত ছিল। এসকল সমবায় গুলো কৃষকদের নগদ অর্থসহ বীজ, সার, উন্নত ও নতুন নতুন প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করত। এবং ফসল বিক্রিও করে দিত সঠিক মূল্যে ফলে কৃষকগন শোষনের শীকার হতনা বলে তারা আর্থিক লাভবান হয়ে সবসময় উন্নত প্রযুক্তি গ্রহনে আগ্রহী ছিল। এসকল কারনে ভিয়েতনামের কৃষি বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে দ্রুত উন্নত হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষির উপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার পূর্বে, পশ্চিম পাকিস্থানের শাসন শোষন ও কৃষি বৈষম্যের জন্য এদেশের কৃষি ক্ষেত্রে খুব বেশি অগ্রগতি লাভ করেনি। স্বাধীনতার পর কয়েকটি মাত্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্সটিটিউট ভেটেরিনারী প্রতিষ্ঠান ছিল। মানুষের তেমন কোন প্রশিক্ষন ছিলনা। কিন্তু আজ আর সে অবস্থা নাই। এখন দেশে চারটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি ভেটেরিনারী প্রতিষ্ঠান ও জেলা পর্যায়ের অধিদপতের শাখা ছড়িয়ে আছে। এখন বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষিতে অনেক এগিয়ে গেছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানি ও ব্যবহারের মাধ্যমে বহুগুনে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়েছে। বলা যায় যে তাই বাংলাদেশ কিছু কিছু কৃষি পন্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ন অর্জন করেছে। কিন্তু তবুও ছোট একটি দেশ তার জনসংখ্যা বিশাল। দিনের পর দিন বাড়তি জনস্নগখ্যার জন্য কৃষি জমি কমে যাওয়ায় অল্প যায়গায় অধিক ফসল উৎপাদন ও সারাবছর চাষের জন্য উন্নত প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। সর্ব ক্ষেত্রে সেচ ব্যবস্থা এখনো উন্নত হয়নি। কৃষি যন্ত্রপাতী, জৈব সার সবুজ সার তৈরি ইত্যাদিতে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে।
অন্যদিকে ভিয়েতনামের কৃষি অনেক উন্নত। তারা কয়েক বছরের মধ্যে কৃষি যন্ত্রপাতী উন্নায়ন ও নানা কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে তা ব্যবহার করছে। এর ফলেই বর্তমানে ভিয়েতনাম চাল উৎপাদন ও রপ্তানিতে প্রধান দেশে পরিণত হয়েছে। ভিয়েতনাম আজ উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম সময়ে অনেক বেশি কৃষি পন্য বা ফসল উৎপাদন করছে। যার সাথে বাংলাদেশের খুব কমই মিল রয়েছে।
ভিয়েতনামের সাথে বাংলাদেশের ধান উৎপাদনে বেশি মিল রয়েছে। ২৫ বছর আগে ভিয়েতনাম কৃষিতে অনগ্রসর ও দুর্বল ছিল। তারা আজ প্রায় সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে।
ভিয়েতনামের কৃষি সমবায় অত্যান্ত শক্তিশালী ও সৃজনশীল। সেখানে সকল কৃষক কোন না কোন সমবায়ের সাথে যুক্ত ছিল। এসকল সমবায় গুলো কৃষকদের নগদ অর্থসহ বীজ, সার, উন্নত ও নতুন নতুন প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করত। এবং ফসল বিক্রিও করে দিত সঠিক মূল্যে ফলে কৃষকগন শোষনের শীকার হতনা বলে তারা আর্থিক লাভবান হয়ে সবসময় উন্নত প্রযুক্তি গ্রহনে আগ্রহী ছিল। এসকল কারনে ভিয়েতনামের কৃষি বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে দ্রুত উন্নত হয়েছে।