1 Answers

প্রস্বেদনঃ যে প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ বিশেষ করে পাতার রন্ধ পথে দেহের অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায় তাকে প্রস্বেদন বলে।

পানির সালোকবিভাজনঃ উদ্ভিদ যে পানি গ্রহন করে তা পাতায় দিনের বেলায় সূর্যের আলোতে সালোক বিভাজন প্রক্রিয়ায় পানি ভেঙ্গে অক্সিজেন বের করে দেয়, হাইড্রোজেন পাতায় ব্যবহার হয়ে যায়।

এভাবে সবসময় পাতায় একটা পানির অভাব থাকে। যেহেতু প্রস্বেদনের ফলে পানি বাষ্পাকারে বের হয় তাই উপরের দিকে কোষের অন্তঃকোষীয়, আন্তঃকোষীয় ইত্যাদি ফাকা স্থানে পানি শুন্যতার ফলে দেহের উপাদান গুলো ঘন আঠালো হয়ে যায়। কিন্তু নিচের দিকে বা মূলের দিকে প্রচুর রসাল থাকে। বা কোষে পানিতে ভরা থাকে তাই এই অংশে কোষীয় উপাদানগুলোর ঘনত্ব কম থাকে।

অভিস্রাবন হল কম ঘন দ্রবন থেকে উচ্চ ঘন দ্রবনের দিকে দ্রাবক পরিবহন।

অর্থাৎ উপরের ঘন কোষগুলো নিচের রসালো কোষ থেকে পানি শোষন করে নেয়, এভাবে একটির পর একটি পানি শোষনের ফলেই পানি উপরে উঠতে থাকে।

কিসমিস পানিতে রাখলে কিসমিসের ভেতরের মিষ্টি চিনি উপাদান কিন্তু বাইরে বের হয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়েনা। বরং পানি ঘন দ্রবন কিসমিসের ভেতর ঢুকে ঘন দ্রবনকে পাতলা করে বাইরের দ্রবনের সমান করে তোলে। একে বলা হয় অভিস্রাবনিক চাপ। এই অভিস্রাবনিক চাপ বা টানের ফলেই পানি উদ্ভিদে উপরে ওঠে। আর একই সাথে পুষ্টিও পানির সাথে একই টানে উপরে ওঠে। এখানের ব্যাপনের ভুমিকা সামান্য এইটুকু যে, পাতায় খনিন লবন ব্যবহার হয়ে শেষ হয়ে গেলে নিচের ঘন এলাকা থেকে পাতার দিকে যায়। কিন্তু এটা আলাদা ভাবে অধিক গুরুত্ব দিয়া লেখা যাবেনা কারন একটির পর একটি ঘন বা শুষ্ক কোষের মধ্য দিয়ে ব্যাপন ঘটেনা।  প্রধানত অভিস্রাবনের জন্যই খনিজ লবন উপরে ওঠে পানির দ্রবন টানে।

2206 views Answered

Related Questions

Next steps