2 Answers
খুশকি দূর করার ৭টি উপায়।
- ১. পুরনো তেঁতুল পানিতে গুলে নিন। গোলানো তেঁতুল চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগান। ১০-১২ মিনিট অপেক্ষা করে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুদিন তেঁতুল মাথায় দিন। এতে খুশকি যেমন দূর হয় তেমনি মাথার চুলকানিও কমে যায়।
- ২. টকদই খুশকি দূর করতে ও চুল ঝলমলে করতে খুবই কার্যকরী। ৬ টেবিল চামচ টকদই খুব ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এরপর এতে ১ টেবিল চামচ মেহেদি বাটা ভালোভাবে মেশান। মিশ্রণটি চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে লাগিয়ে ৩০-৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর চুল ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন। এতে চুল যেমন খুশকিমুক্ত হবে তেমনি চুল হয়ে উঠবে ঝলমলে ও রেশমি।
- ৩. একটি ডিমের সাদা অংশ ও ৪ টেবিল চামচ টকদই খুব ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন। এরপর এতে ১ টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে লাগান। ২০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এটা ব্যবহার করুন।
- ৪. মেথি চুলের খুবই উপকারী একটা জিনিস। নারকেল তেল গরম করুন। এরপর এতে মেথি গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি পুরো চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে ৩ দিন এটি ব্যবহার করুন।
- ৫. মেথি সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। তারপর এটি থেঁতো করে চুলের গোড়ায় লাগান। ৩০ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুবার মেথি লাগান।
- ৬. চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে ও খুশকি দূর করতে অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। অলিভ অয়েল গরম করে নিন। এতে পাতিলেবুর রস মেশান। চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর চুল ভালো করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার চুলে অলিভ অয়েল লাগান। খুশকি দূরের পাশাপাশি চুল হবে কোমল ও ঝলমলে। একই পদ্ধতিতে নারকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন।
- ৭. পেঁয়াজের রস খুব দ্রুত খুশকি দূর করতে পারে। পেঁয়াজ মিহি করে বেটে নিয়ে রস ছেঁকে নিন। পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় ভালো করে ঘষে ঘষে লাগান। ২০-২৫ মিনিট রেখে চুল ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুবার মাথায় পেঁয়াজের রস লাগান। এতে মাথা চুলকানোও কমে যাবে।
লক্ষ্য করুন :
*নিয়মিত চুল আঁচড়ান। এতে খুশকি হবার সম্ভাবনা কমে যাবে।
*পুষ্টিকর খাবার খান। এতে মাথার ত্বক ও চুল ভালো থাকবে।
*চুল নিয়মিত পরিষ্কার করুন। কারণ অপরিচ্ছন্ন চুলে খুশকি হয় বেশি।
*কিছু চর্মরোগ সাধারণভাবে দেখতে খুশকির মতো হয়। তাই মাথায় খুশকির পরিমাণ বেশি হলে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হোন।
আমাদের চুলের একটা মোটামুটি কমন সমস্যা হচ্ছে খুসকি, এটা ছেলেদের এবং মেয়েদের সবার চুলেই শীতকালে বেশী দেখা যায়। উকুনের মত খুসকি কোন ধরণের লিঙ্গবৈষম্য করে না, আমরা পজিটিভলি ভাবতেই পারি। আজকে আপনাদেরকে খুসকি দূর করার কিছু প্রচলিত সমাধান এবং সেই সাথে আমি নিজে যেভাবে সফল হয়েছি সেই সম্পর্কে ধারণা দেব।
খুসকি তাড়ানোর প্রচলিত কিছু সমাধান
লেবু, মেথি, পেয়াজের রস, কিটোকোনাজল এইরকম আরো কিছু উপাদান বা, ঔষধি উপকরণ যাই বলেন সেটা আছে যেগুলো খুসকি দূর করতে সাহায্য করে। অনেকে লেবুর রস এবং পেয়াজের রস গরম করে মাথায় মাখেন। লেবুর রস মাখার সময় খেয়াল রাখবেন যেন চোখে না যায়। আর যারা পেয়াজের রস মাখবেন তারা যদি চান চোখেও মেখে দেখতে পারেন, স্বাদটা বোধকরি অজানা হয়। আরো অনেক প্রাকৃতিক উপাদান আছে সেগুলোও সার্চ দিলে জানতে পারবেন যা খুসকি দূর করে। শ্যম্পু সমাধানও অনেকে খুজে থাকেন- ক্লিয়ার থেকে কিটোকোনাজল পর্যন্ত।
আমি যে পদ্ধতিতে খুসকিমুক্ত
অতসব প্রাকৃতিক উপাদানের ঝামেলায় না গিয়ে আমি নিয়মিত বিভিন্ন ধরণের শ্যাম্পু ব্যবহার করেছি, ফলাফল খুসকি আছে শীতকালে। এরপর নিতান্তই বাধ্য হয়ে ভাল কোন সমাধান খুজতে লাগলাম এবং জানলাম কোন কোন উপাদাওগুলো খুসকি দূর করে। সিলেক্ট প্লাস নামে এক ধরণের কিটোকোনাজলযুক্ত শ্যম্পু ব্যবহার করতে শুরু করলাম এবং অদ্ভুতভাবে এত বছরের খুসকি দূর হয়ে গেল। অবশ্যই এই কৃতিত্ব কিটোকোনাজলের, যে শ্যম্পুই ব্যবহার করুন না কেন উপাদানটা দেখে নেবেন। এই উপাদানযুক্ত শ্যম্পুগুলোর দামও সাধারণের চেয়ে বেশীই হয়। এরপর আমি মমতাজ হারবালের তুলনামূলক কমদামী লেবুযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করেছি। এটা দুই বছর আগের কথা, এখন সাধারণ Anti-dandruff শ্যম্পু ব্যবহার করি এবং সেটাতেই সফল।
আমি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে পছন্দ করি বলে ক্লিয়ারের শ্যাম্পু ব্যবহার করি। মোদ্দাকথা হচ্ছে, কিসের শ্যাম্পু সেটা না দেখে কি দিয়ে তৈরি সেটা দেখুন। যদি সেটা আপনার খুসকি দূর করতে সাহায্যকারী উপাদানে তৈরি হয় খুসকির বাপও দূর হবে। শেষ কথাটা যেকোন কিছুর ক্ষেত্রেই কিন্তু সত্যি, উপাদান গুরুত্বপূর্ণ এবং দামের সাথেও যার সম্পর্ক আছে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy