1 Answers

ভাই আপনি কখনো তাঁর হাঁটা চলা এবং মানুষের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন করতে দেখেছেন? যদি দেখে থাকেন আপনার কি কখনো কোন কারনে মনে হয়েছে সে একজন প্রতিবন্ধী? এসব কথা কোথায় পান? রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা সম্পূর্ণ বাদ দেন, দিয়া তাঁর শিক্ষা গ্রহনের জায়গা গুলো একটু ঘেঁটে দেখুন। যেহেতু কোরা ব্যবহার করেন নিশ্চয় গুগলও ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে ঘেঁটে দেখুন লোকটা যেসব জায়গা থেকে শিক্ষা গ্রহন করেছেন কোন ডিগ্রীই প্রতিবন্ধী কোটায় পাননি। আপনার জন্য আমিই তাঁর শিক্ষা গ্রহনের জায়গাগুলো তুলে ধরলাম

জয় ২৭ জুলাই ১৯৭১ সালে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে জন্ম নেন। তার বাবা এম এ ওয়াজেদ মিয়া, একজন খ্যাতনামা পরমাণুবিজ্ঞানী এবং মা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। তার নানা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৫ সালে তার নানা শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা হওয়ার পরে, জয় মায়ের সাথে জার্মানি এবং লন্ডন হয়ে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। ফলে তার শৈশব এবং কৈশোর কেটেছে ভারতে। নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজ হতে স্নাতক করার পর যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস এ্যট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করেন। পরবর্তীতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক-প্রশাসন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

আমাদের সংস্কৃতিই হচ্ছে মানুষকে খুব বাজেভাবে আক্রমন করা। এগুলো হচ্ছে সুদুর প্রসারি চিন্তাভাবনা মানুষের মনের মধ্যে স্থায়ীভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে যাতেকরে পরবর্তীতে তাঁর প্রতি মানুষের একটা বাজে ধারণা আসে এবং তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া যায়। ভাই মানুষের কথা অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে নিজের বুদ্ধিকাজে লাগান । শুধু সজিব ওয়াজেদ নয় যেকোনো মানুষের ব্যপারে কুৎসা রটানো থেকে বিরত থাকুন এবং কুৎসা শুনলে আগে যাচায় করুন। অন্যের হাতের পুতুল হয়ে জাবেন না। ওহ হ্যাঁ জয়ের বিরুদ্ধে রটানো আরও একটা কুৎসা আছে তা হচ্ছে ওনার বউ উনাকে ডিভোর্স দিয়েছেন একথাও মিথ্যা। সে একজন মেধাবী মানুষ। তাঁর বাবা একজন পরমাণু বিজ্ঞানী এবং একজন অত্যন্ত মেধাবী আর সৎ লোক।

চিত্রঃ- সজিব ওয়াজেদ জয়।


2781 views

Related Questions