1 Answers

তরমুজের ভিতরে রয়েছে লাইকোপিন নামে এক ধরনের লাল উপাদান। মূলত, তরমুজের ভিতরে লাইকোপিন ও ক্যারোটিন থাকে। এ দুইটি উপাদানের কারনে তরমুজের ভিতরে লাল হয়। কিন্তু, বাইরের অংশে প্রচুর পরিমানে ক্লোরোফিল থাকে। আর এই ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিকমাত্রায় ধারণ করায় বাহিরের অংশ সবুজ বর্ণের হয়। ক্লোরোফিলের কারণে বাহিরের অংশে সালোকসংশ্লেষণ হয়।

তরমুজের ভিতরের অংশ লাল ছাড়াও হলুদ ও হয়। বর্ণকণিকার কারণেই পার্থক্য হয়।

উদ্ভিদকে বর্ণময় করার কাজ করে প্লাস্টিড। প্লাস্টিড তিন প্রকার। এর মধ্যে ক্রোমোপ্লাস্ট রঙ্গক পদার্থ সংশ্লেষণ এবং জমা করে রাখে আর ক্লোরোপ্লাস্ট যা সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড ও এটি সালোকসংশ্লেষে অংশ নেয়। মূলত, এই ক্রোমোপ্লাস্ট ও ক্লোরোপ্লাস্টের কারণেই তরমুজের বর্ণ বৈচিত্র্য হয়।

3059 views

Related Questions