আমাদের হাদিসে আছে, কবরে বেশি আযাব হবে অপবিত্রতার জন্য। এখন ভাই আমার প্রশ্ন হলোঃ আমি সবসময়ই পবিত্র থাকার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার একটা সমস্যা হলো প্রায় সময় আমি প্রসাব করার পর ভালোভাবে টিস্যু ব্যবহার করি বা পানি দিয়ে এস্তেনজা করার পরেও ২/১ ফোটা প্রসাব পড়ে যায়। এই ক্ষেত্রে আমি আমি অনেক সময় কাপড় পরিবর্তন করতে হয়। এই যে ২/১ ফোটা প্রসাব পড়ে যে অপবিত্র হয়ে গেলাম এর জন্য কি আমার পরকালে কবরের আযাব হবে? আল্লাহ কি আমাকে এর জন্য ক্ষমা করবে না? কারন আমি তো ইচ্ছে করে অপবিত্র হচ্ছি না?

2759 views

1 Answers

হ্যা কবরে আজাব বেশি হবে অপবিত্রতার জন্য।তাছাড়া যারা প্রসাব করে পানি বা ঢিলা বা টিস্যু নেয় না তাদের আল্লাহ্‌ পছন্দ করেন না।তবে প্রস্রাবের  অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে ২/৩ ফোটা  প্রস্রাব লাগলে এবং দেখতে পারলে পরিস্কার করবেন অন্যথায় সন্ধেহ হলে দরকার নাই তাছাড়া প্রস্রাব দেখা গেলে ধুয়ে নিবেন ঐ অঙশ টুকু।এতে করে আপনার পাপ বা কবরে আজাব হবে না।।

আসলে সুন্নত হচ্ছে- বসে পেশাব করা। যদি কেউ দাঁড়িয়ে পেশাব করে তাতে কোন অসুবিধা নেই; যদি সে ব্যক্তি কাপড় ও পোশাককে নাপাকি থেকে বাঁচাতে পারে।

আপনি বসে প্রস্রাব করে দাড়িয়ে প্রস্রাব ক্লিয়ার করে টিস্যু নিবেন।টিস্যু না থাকলে বসে প্রস্রাব করে দাড়িয়ে প্রস্রাব ক্লিয়ার করে আবার বশে পানি নিবেন।এতে সমস্যা হবে না। 

আসলে যদি কেউ দাঁড়িয়ে পেশাব করার পর নিশ্চিত হয় যে, তার কাপড়ে পেশাব লেগেছে তাহলে পেশাব লাগার স্থানটি ধুয়ে ফেলা আবশ্যক। নাপাকির স্থানে পানি ছিটিয়ে দেয়া কিংবা মুছে ফেলা যথেষ্ট নয়। বরং আবশ্যক হল ধুয়ে ফেলা ও পানি প্রবাহিত করা।

যদি কেউ সন্দেহ করে যে, তার কাপড়ে কি পেশাব লেগেছে; নাকি লাগেনি; সেক্ষেত্রে কাপড় ধৌত করা তার উপর আবশ্যকীয় নয়। কেননা মূল অবস্থা হচ্ছে- পোশাকের পবিত্রতা; যতক্ষণ পর্যন্ত না পোশাকে নাপাকি লাগার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়।

স্থায়ী কমিটির আলেমগণ বলেন: যদি আপনি পেশাবের ফোটা পড়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হন তাহলে ইস্তিনজা (পেশাব থেকে শৌচ করা), প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করা এবং পোশাকের যে স্থানে পেশাব লেগেছে সে স্থান ধৌত করা আবশ্যক। আর যদি সন্দেহ হয় সেক্ষেত্রে তার উপর সেটা আবশ্যক নয়। তবে, সন্দেহকে এড়িয়ে চলা উচিত; যাতে করে ব্যক্তি ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত হয়ে না পড়ে।

ইসলামি ফাউন্ডেসন।

2759 views

Related Questions