সকলেই উত্তর দিবেন। এটি করোনা সতর্কতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

2650 views

1 Answers

করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর একটা পদক্ষেপ হিসাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বিভিন্ন দেশের সরকার এমনকি বিভিন্ন সংস্থা পদক্ষেপ নিয়েছে। আর তা হচ্ছেঃ

করনো ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অন্তত তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে চলতে বলা হয়েছে। এতে এক জনের শরীরে ঠাঁই নেয়া ভাইরাস অন্যজনের সংস্পর্শে আসতে পারবে না। এজন্য বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের না হওয়া এবং সড়কে একসাথে জটলা বেঁধে চলাচল না করার জন্য জনগণকে বিভিন্নভাবে সচেতন করা হচ্ছে।

অর্থাৎ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বলতে আমি বুঝি 'সমাজের মানুষের কাছে উঠা বসা, চলাফেরা না করে' নিজের বাসায় থাকা, ভিড়ে না যাওয়া, একজন আরেকজনকে স্পর্শ না করা। একান্ত প্রয়োজন হলে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে নিজের কাজ কর্ম করা।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা খুবই জরুরি, কারণ আক্রান্ত কেউ হাঁচি কাশি দিলে তার সূক্ষ্ম থুতু কণা যাকে ইংরেজিতে ‘ড্রপলেট’ বলা হয় তা বাইরে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এই ড্রপলেটের মধ্যে ঠাসা থাকে ভাইরাস। যেসব জায়গায় এই কণাগুলো পড়ছে সেসব জায়গা যদি আপনি হাত দিয়ে স্পর্শ করেন, এবং তারপর আপনার সেই অপরিষ্কার হাত আপনি মুখে দেন অথবা খুব কাছ থেকে সেই কণাগুলো নি:শ্বাসের মধ্যে দিয়ে আপনার শরীরে ঢোকে, আপনি সংক্রমিত হবেন।

আপনি যদি অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বেশি সময় না কাটান, অন্যদের খুব কাছে না যান, আপনার সংক্রমিত হবার সম্ভাবনাও কমবে।

সামাজিক দূরত্ব স্থাপনের উদ্দেশ্য হল সংক্রামক রোগ বহনকারী ব্যক্তির মাধ্যমে সংস্পর্শ এড়ানোর সম্ভাবনা কমানো। একইসাথে আক্রান্ত ব্যক্তি যেন অপরের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে তথা রোগ সঞ্চালন কমানো এবং সর্বোপরি মৃত্যুহার কমানো।

2650 views

Related Questions