4 Answers

দুইজন লোক আসন্ন নির্বাচনে নিজ নিজ প্রার্থী নিয়ে কঠিন তর্ক করছিল। অর্থহীন ঝগড়া যাকে বলে আর কি! নাসিরুদ্দিন হোজ্জা জরুরি কাজে সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। দুজনেই তাকে ধরলো ফয়সালা করে দিতে। নিজের কাজে দেরি হচ্ছে দেখে হোজ্জা খুব বিরক্ত হলো। কিন্তু উপায় নেই- দুজনেই জোরাজুরি শুরু করলো। হোজ্জা প্রথমজনের অভিযোগ শুনে বললো, তুমি তো ঠিকই বলছো হে! হোজ্জার মন্তব্যে দ্বিতীয় জন হা হা করে উঠলো। চিৎকার করে বললো: তুমি আমার কথা না শুনেই তার কথায় সায় দিয়ে দিলে? হোজ্জা: বল তাহলে তোমারটাও শুনি! দ্বিতীয় জন তার অভিযোগ পেশ করলে হোজ্জা মাথা নাড়িয়ে বিজ্ঞের মতো বললো: তোমার কথাই তো ঠিক! ঘটনা দেখছিল তৃতীয় একজন। সে খুব রেগে গিয়ে হোজ্জাকে বললো: আজব লোক তো তুমি হে, হোজ্জা! দুজনের কথাই ঠিক হয় কিভাবে? দুইজনই যদি ঠিক বলে থাকে তাহলে ঝগড়াটা হচ্ছে কী নিয়ে? হোজ্জা তৃতীয় জনকে বললো: তোমার কথাও ঠিক রে ভাই! এবার তিনজনেই তাজ্জব হয়ে তাকিয়ে রইলো। হোজ্জা তাদের ওই অবস্থায় রেখে নিজের পথে রওনা করলো। (২) একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ও কমেন্ট- তিন্নি: শ্রাবণের অঝোর ধারা বৃষ্টিতে তোকে মনে করি, ভাদ্রের ঠা ঠা রোদ্রেও তোকে ভুলি না.... রুবি: আর কান্দিস না দোস্ত, এইবার তোর ছাতাটা ফেরত দিয়া যামুই যামু... (৩) মন্টুর মা: তোমার সঙ্গে আর কথা বলবো না! মন্টুর বাপ: ঠিক আছে, তাই সই! মন্টুর মা: কারণ জানতে চাইলে না! কেন আমি এমন সিদ্ধান্ত নিলাম? মন্টুর বাপ: নারীদের সিদ্ধান্তকেও সম্মান দিতে হয়! আমি তোমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করছি। মন্টুর মা: তোমার মতো বিখাউজ আর একটাও নাই... (৪) যখন আপনার স্ত্রী আপনাকে এসে বলবে, আমার ভুলগুলো শুধরে দিও যদি তোমার নজরে পড়ে...এর জবাবে মুচকি হেসে শুধু সম্মতি জানান। খবরদার, বাহাদুরি দেখিয়ে তাকে শোধরানো শুরু করবেন না। মনে রাখবেন, এটা আপনার বউয়ের একটা ফাঁদ- মন্টুর বাপের উপদেশ (৫) এটি একটি ইংরেজদেশীয় গল্প। মহল্লার গির্জার সামনেই একটি মদের দোকান খোলা হলো। গির্জা কর্তৃপক্ষ খুব হতাশ হলো এমন ঘটনায়। তবে সৌজন্য আর ভদ্রতার খাতিরে কিছু বললো না। কিন্তু দুঃখজনক ঘটনা হলো অল্পদিনেই মদের দোকান জমে গেল। ক্রমশ বাড়তে থাকলো মাতালদের আনাগোনা। গির্জার লোকজন তবুও মুখ ফুটে কিছু বললো না। তবে এবার তারা সিদ্ধান্ত নিল, প্রতিদিনের প্রার্থনায় শুরিখানাটি যাতে ধ্বংস হয়, বন্ধ হয়ে যায়- তার প্রার্থনা করে যাবে সবাই। তো একদিন দেখা গেল সত্যি সত্যি আগুন লেগে মদের দোকানটি ভষ্মিভূত হয়ে গেল। গির্জার লোকজন খুশি হলো। মদের দোকানদার কিভাবে জানি জেনে গেল যে গির্জায় প্রতিদিন তার মদের দোকান ধ্বংসের প্রার্থনা করা হতো। সে গিয়ে মামলা ঠুঁকে দিল গির্জার বিরুদ্ধে। আদালতে বিচার শুরু হলো। কাঠগড়ায় একদিকে গির্জার প্রধান পাদ্রি আর অপরদিকে মদওয়ালা। বিচারক: ফাদার, মদওয়ালা বলছেন যে আপনাদের প্রার্থণার কারণে ঈশ্বর তার দোকান পুড়িয়ে দিয়েছেন! এটা কি সত্য? ফাদার: কোনো কালেই না, মান্যবর। ফাদারের জবাবে বিচারক হতাশ কণ্ঠে বললেন- তার মানে মদওয়ালার ঈশ্বরে যতটুকু বিশ্বাস আছে আপনাদের দেখছি তাও নেই..

3050 views

*একটি মেয়ের জন্য অর্ধেক লোক পাগলঃ শহরের দুইজনের মধ্যে কথা হচ্ছে- প্রথম জন: ওই মেয়েকে বিয়ে করার জন্য শহরের অর্ধেক লোক পাগল। দ্বিতীয়: সেকি অর্ধেক লোক পাগল? প্রথম জন: হ্যাঁ, অর্ধেক। কারণ বাকি অর্ধেকের সঙ্গে তার এর আগেই একবার করে বিয়ে হয়ে গেছে। *বেশিদিন বাঁচার উপায় কী? রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে কথপোকথন- রোগী: ডাক্তার সাব! বেশিদিন বাঁচোনের কোনো উপায় আছে কী? চিকিৎসক: যান, বিয়ে করে ফেলুন। রোগী: ক্যান? বিয়া করলে কি বেশিদিন বাঁচন যায়? চিকিৎসক: তা বলতে পারব না। তবে এটা বলতে পারি যে, আপনি বিয়ে করার পর আর বেশিদিন বাঁচার চেষ্টাই করবেন না। * স্বামী মারা যাওয়ার পরঃ উকিল: সেকি ম্যাডাম? আপনার স্বামী তো পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন। তাহলে একটি চার বছরের আর একটি দুই বছরের বাচ্চা এলো কোত্থেকে? ভদ্রমহিলা: তা আমি তো বেঁচে আছি নাকি?

3050 views
আনন্দের চোটে →এক ভদ্রলোকঃ স্যার, আমার বউ হারিয়ে গেছে। ডাক্তারঃ এটা হাসপাতাল, এখানে বলে কোনো লাভ নেই। পুলিশ স্টেশনে গিয়ে কমপ্লেন করুন। ভদ্রলোকঃ আসলে আনন্দের চোটে মাথাটা ঠিক কাজ করছে না। আমি তো বেঁচে আছি →উকিলঃ সেকি ম্যাডাম ? আপনার স্বামী তো পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন । তাহলে চার বছরের আর একটি দু’বছরের বাচ্চা এলো কোথা থেকে ? ভদ্রমহিলা রাগের স্বরেঃ তা আমি তো বেঁচে আছি না কি?। ঘুমের মধ্যে টের পাইনি →জানিস, কাল রাতে আমরা যখন ঘুমিয়ে ছিলাম, তখন আমাদের বাড়িতে চোর এসেছিল। : ঘুমের মধ্যে টের পেলি কীভাবে? : ঘুমের মধ্যে টের পাইনি, সকালে উঠে টের পেয়েছি। চোখ বন্ধ করে দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে যাচ্ছে। : এত জোরে চালাস না ভাই, আমার ভয় লাগছে। : তা হলে আমার মত চোখ বন্ধ করে রাখ।
3050 views
  • বল্টু জামা-কাপড় ছিড়ে রক্তাত অবস্থায় আসলো।
বল্টুর মা:কোথায় বীরত্ব ফলাতে গিয়েছিলি হতভাগা..

বল্টু:আমি ঝন্টুকে শুধু বলেছিলাম,যত বড় অস্ত্রই আনুক না কেন,আমার সাথে কেউ পারবেনা।কিন্তু ও যে ওর বড় ভাইকে আনবে,সেটা ভাবিনি!

  • রোগী ডাক্তারের কাছে গেল..
রোগী:ডাক্তার সাহেব,আমি কিছু কলম গিলে ফেলেছি।

ডাক্তার:এখন কিছু কাগজও গিলে ফেলুন।

রোগী:এতে কী হবে?

ডাক্তার:সুন্দর কিছু সাহিত্যকর্ম বের হয়ে আসবে।

  • বল্টু পড়ছিল।কিছুক্ষণ পর সে বাবার কাছে গেল কিছু জানতে।তখন তার বাবার মেজাজ ছিল গরম।
বল্টু:বাবা,মেহমান শব্দের মানে কী?

বাবা:বেয়াদব,যা এখান থেকে।

একটু পর আবার আসলো বাবার কাছে।

বল্টু:চেয়ার মানে কী?

বাবা:উল্লুক,কতবার বলতে হবে।

পরে আবার এলো।

বল্টু:বাবা শব্দের ইংরেজি কী?

বাবা:গাধার বাচ্চা,যা!

কিছুক্ষণ পর মেহমান আসলো বাসায়।

মেহমানরা:বাবু,তোমার বাবা কোথায়?

বল্টু:আসেন বেয়াদব আসেন,এই উল্লুকের ওপর বসেন,গাধার বাচ্চা বাথরুমে গেছে।

3050 views

Related Questions