1 Answers

প্রত্যেক জীবের একটি বায়োলজিক্যাল পারপাস বা উদ্দেশ্য থাকে। আর এই উদ্দেশ্য হলো নিজেকে ও নিজ প্রজাতিকে বাচিয়ে রাখা।

আর এই উদ্দেশ্য সফল করার জন্য সংঘবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়। সংঘবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমেই সৃষ্টি হয় একে অপরকে সাহায্য করার প্রবণতা, দায়িত্ববোধ এবং ভালোবাসা। বিবর্তনের সুবাদে এই সংঘবদ্ধতা একটি জীনগত বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়।

প্রত্যেক জীনগত বৈশিষ্ট্য প্রকাশে কিছু হরমোন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। ভালোবাসা বা ভালো লাগার পিছনে ডোপামিন, সিরোটোনিন, অক্সিটোসিন, অ্যাড্রেনালিন প্রভৃতি হরমোন ক্রিয়া করে। বংশ বিস্তারের জন্য নারী ও পুরুষে পারস্পরিক আকর্ষণ সৃষ্টিতে কাজ করে সেক্স হরমোন, প্রধানত টেস্টোস্টেরন (M) এবং ইস্ট্রোজেন (F). 

pun→  image


বিবর্তনের দৃষ্টিতে দেখতে যদি কারো দ্বিমত থাকে তাহলে বলতে পারেন সৃষ্টিকর্তা প্রত্যেক জীবের স্ব-প্রজাতী টিকিয়ে রাখতে উল্লিখিত জীনগত বৈশিষ্ট্য প্রদান করেছেন।

4127 views

Related Questions