1 Answers

আশা করি নিচের প্রবন্ধ টি পরলে বুঝবেন

মুরগির মাংস আমাদের সবার খুব প্রিয়। নানা ভাবে আমরা খেয়ে থাকি মুরগির মাংস। রোস্ট, গ্রিল, ফ্রাই অথবা বিভিন্ন রকম মশলা দিয়ে দিয়ে রান্না করা হয় সুস্বাদু খাবার। ইদানীং আমাদের দেশের তরুণ এবং শিশুদের খাবার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মুরগী দিয়ে বানানো খাবার।

মুরগী আমাদের প্রাণীজ আমিষের অন্যতম উৎস। মুরগির মাংস আমাদের প্রতিদিনের আমিষের চাহিদার ৭০ শতাংশ পূরণ পূরণ করে। মাত্র ৪ আউন্স মুরগির মাংস খেলে দৈনিক চাহিদার সবটুকু পাওয়া সম্ভব। প্রাণীজ আমিষে চর্বি একটু বেশি থাকে। তাই গরু বা খাসির মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস খাওয়া যেতে পারে। কারণ এতে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ অন্য মাংসের তুলনায় কম। আর সবচেয়ে কম চর্বি থাকে বুকের মাংসে। চামড়াসহ মাংস না খাওয়া ভালো এতে চর্বির পরিমাণ দ্বিগুণ থাকে।

উপকারিতা

  • বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের যে ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে। আমিষ-জনিত পুষ্টিহীনতা থেকেও রক্ষা করে।
  • মুরগির মাংসের বি ভিটামিন, নিয়াসিন ও সেলেনিয়াম ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  • মাংস খেলে আমাদের শরীরের এনার্জি মেটাবোলিজম সহজে হয়।
  • ভিটামিন বি-৬ ও নিয়াসিন খাদ্যের শর্করা, আমিষ ও চর্বি ভেঙে শক্তিতে পরিণত করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া নিয়াসিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।
  • এনার্জি মেটাবোলিজম ছাড়াও ভিটামিন বি-৬ হার্টের সুস্থতার জন্য দরকারি। শরীরে ভিটামিন বি-৬-এর অভাব হলে হোমসিস্টিন নামক এক ধরনের উপাদানের পরিমাণ বেড়ে যায়। রক্তনালিকার দেয়ালকে ক্ষয় করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

সতর্কতা

  • ব্রয়লার মুরগী এড়িয়ে দেশি মুরগি খাওয়া ভালো। কারণ ব্রয়লার মুরগিকে নানা রকম অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। এ ছাড়া দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য যে খাবারগুলো খাওয়ানো হয় এবং হরমোন প্রয়োগ করা হয়, তাও খুব একটা নিরাপদ নয়।
  • যাদের হার্টের সমস্যা তাদের পরিমিত পরিমাণ মাংস খাওয়া উচিত। মাসে ১২ বারের বেশি খাওয়া কখনোই ঠিক নয়।
  • মুরগির মাংসে পিউরিন আছে। তাই যাদের গাউট অথবা কিডনির সমস্যা আছে, তাদের মুরগির মাংস কম খাওয়া উচিত বা একেবারে বাদ দেওয়া উচিত।
সুত্র http://www.priyo.com/food/review/7514.html
2898 views

Related Questions