1 Answers
শুরুতেই বলি এটি একটি বিকৃত সেক্স পদ্ধতি। প্রায় আলেমগণ এটিকে হারাম বলেছেন। এই সম্পর্কে মহান আল্লহ পবিত্র কুরআনে বলেনঃ- •আয়াতে বলেছেন- এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে,তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানা ভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবেনা।অতপর, কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী। সুতরাং,স্ত্রী ও দাসী ব্যতীত যৌন কামনা পূরণ করা হারাম।তবে এখন দাস প্রথা আর প্রচলিত না। আবার যা মানুষের ক্ষতি করে তা কখনো হালাল নয়। পশ্চিমা বিশ্ব হস্তমৈথুন এর খারাপ দিকগুলো উল্লেখ না করে বরং এর প্রচারণা চালানো হয়।তারা পর্নোগ্রাফীর ব্যবসা রক্ষায় এই ধরণের প্রচারণা চালায়। হস্তমৈথুন এর প্রধান সমস্যা হলো, পুরুষ তার পুরুষত্ব ,নারী তার কুমারীত্ব হারায়। তাছাড়া আরো কিছু সমস্যা দেখা দেয়।যেমনঃ- ১) চোখের ক্ষতি ২) মাথা ব্যথা ৩) স্মরণ শক্তি কমে যায়। সুতরাং এটি গ্রহণযোগ্য নয়। তাছাড়া কিছু হাদীসে হস্তমৈথুন এবং এর পরিণতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। . হাদীসে মৈথুনকারীর শাস্তি সম্পর্কে আছেঃ . • হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন,যে ব্যক্তি স্বীয় হস্তের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, সে অভিসপ্ত। • আতা (রাঃ) বলেছেন- কিছু লোক এমন ভাবে পুনরুত্থিত হবে যেন তাদের হস্তদ্বয় গর্ভবতী।আমার মনে হয় তারা সেই সব লোক যারা হস্তমৈথুন করে। • সাইদ বিন যুবাইর হতে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেছেন,আল্লহ পাক এক দল লোককে শাস্তি দিবেন, যারা তাদের যৌনাঙ্গ নিয়ে খেলা করত। • সুতরাং আমাদের এই গর্হিত কাজ বাদ দেয়া উচিত। তবে অনেকে এটা গ্রহণযোগ্য বলেছেন এই শর্তে যদি উক্ত ব্যক্তি যদি অবিবাহিত হয় এবং সে যদি মনে করে হস্তমৈথুন ছাড়া জিনায় লিপ্ত হতে পারে বলে,সেক্ষেত্রে অনেকে এটা জায়েয বলেছেন। কিন্তু,মহানবী (সাঃ) যুব সমাজকে লক্ষ্য করে তাদের সামর্থ্য থাকলে বিয়ে করতে বলেছেন আর তা সম্ভব না হলে রোযা রাখতে বলেছেন। কিন্তু তিনি হস্তমৈথুনকে প্রশয় দেন নি। সুতরাং রোযা রাখুন এবং হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকুন। (তফসির মাজহারি, ভলিউম-১২,পৃ-৯৪)