এখন কি করতে পারি কি করে এটা বন্ধ করতে পারি?
5 Answers
শরীরের কোন অংশে সংক্রমণের কারণে যদি একটি নির্দিষ্ট জায়গায় পুঁজ জমা হয়, তখন তকে ফোড়া বলে। ফোড়ার চারপাশের ত্বক গোলাপী বা লালচে বর্ণের হয়। ফোড়া এ হয়েছে কি করে বুঝবেন ফোড়ার লক্ষণ ও উপসর্গ নির্ভর করে ত্বকের কোন জায়গায় ফোড়া হয়েছে তার উপর । সাধারণত: ফোড়ার লক্ষণ ও উপসর্গগুলো হলো: ফোড়া সাধারণত খুবই ব্যথাদায়ক হয়, লালচে রঙের পিন্ডের মত ঠেসে থাকে (Compressible Mass), স্পর্শ করলে গরম মনে হয় এবং অল্পতেই ব্যথা লাগে। ফোড়া হলে এর মাথা ফোঁটা আকারে দেখা দেয়। অনেক সময় এটা ব্রণের মত হয় এবং ফেটে যেতে পারে। সঠিকভাবে কাটা অথবা পরিষ্কার করতে না পারলে এর অবস্থা আরও খারাপ হয়। এমনকি এর সংক্রমণ ত্বকের ভিতরের কোষে এবং রক্ত প্রবাহে ছড়িয়ে যেতে পারে। ফোড়ার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে জ্বর, বমি বমি ভাব, বমি করা, ব্যথা এবং ত্বক লাল বর্ণ হওয়া ইত্যাদি বেড়ে যেতে পারে। কখন ডাক্তার দেখাবেন নিচের উপসর্গগুলো দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে : ফোড়াটি ১ সে. মি. অথবা এক থেকে আধা ইঞ্চি বড় হলে ফোড়া বড় হতে থাকলে এবং এর ব্যথা বাড়তে থাকলে আক্রান্ত ব্যক্তির যদি বহুমূত্র, ক্যান্সার, লিউকেমিয়া, রক্তনালীর সমস্যা যেমন-পেরিফেরাল ভাসকুলার ডিজিজ (Peripheral Vascular disease), রক্তের রোগ যেমন- সিকেল সেল এনিমিয়া (Sickle-cell Anemia), এইডস থাকলে স্টেরয়েড থেরাপী, কেমোথেরাপী অথবা ডায়ালাইসিস করানোর ইতিহাস থাকলে এবং যিনি মাদক গ্রহণ করেন কুঁচকি অথবা মলদ্বারের কাছাকাছি ফোড়া হলে ১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট অথবা এর বেশি জ্বর হলে কোথায় চিকিৎসা করাবেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জেলা সদর হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারী হাসপাতাল কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে ফোড়া এবং তার চারপাশের স্থান পরীক্ষার জন্য শারীরিক পরীক্ষা- নিরীক্ষা রক্তের পরীক্ষা আল্ট্রাসোনোগ্রাফী কি ধরণের চিকিৎসা আছে ডাক্তারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেমন: শল্য চিকিৎসা মুখে ঔষধ সেবন আক্রান্ত স্থানে ঔষধ বা মলম লাগানো বাড়িতে যত্ন ফোড়া কখনোই ফাটানো যাবে না নিজে নিজে। এর ফলে সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে ফোড়ার মধ্যে সুচ অথবা ধারালো কিছু দিয়ে পুঁজ বের করা যাবে না সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় সাধারণত পানি ব্যবহার করে নিজেকে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে দাড়ি কামানোর সময় যেন ত্বকের কোন অংশ কেটে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে কোন ক্ষতের সৃষ্টি হলে দ্রুত ডাক্তরের সাথে যোগাযোগ করতে হবে প্রশ্ন. ১ . ফোড়া কেন হয় ? উত্তর : জীবাণু দ্বারা শরীরের কোন স্থানে সংক্রমণের মাধ্যমে প্রদাহ হয়ে ফোড়া সৃষ্টি হয়। এছাড়া সুচ অথবা সুচের মত যন্ত্র দিয়েও এর সংক্রমণ ঘটতে পারে। প্রশ্ন. ২ . কাদের ফোড়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি রয়েছে ? উত্তর : যাদের ফোড়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি তারা হলেন- যারা ক্রনিক স্টেরয়েড থেরাপী নেন যারা কেমোথেরাপী নেন যাদের ডায়াবেটিস আছে যাদের ক্যান্সার আছে যারা কিডনি ডায়ালাইসিস করেন যাদের এইডস আছে যাদের রক্তের রোগ আছে যাদের লিউকেমিয়া আছে যাদের রক্তনালীর সমস্যা আছে (Peripheral vascular Disease) যাদের অন্ত্রনালীতে সমস্যা আছে (Crohn’s Disease, Ulcerative coilts) মারাত্মক পোড়া মারাত্মক আঘাত (Severe trauma)
#ফোড়া হওয়ার কারণসমূহঃ ফোঁড়া খুবই সাধারণ। তারা প্রায়শই ব্যাকটেরিয়া স্টেফাইলোকক্কাস অরিয়াস (Staphylococcus aureus) দ্বারা সৃষ্ট। এরা চামড়ার পৃষ্ঠতলে অন্যান্য ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এরা চুল গুটিকা (hair follicle) সংক্রমণ এটিকে নষ্ট করে এবং অধীনস্ত ফলিকল ও টিস্যুর গভীরে আক্রান্ত করে। ফোড়া শরীরের যেকোন স্থানের চুলের ফলিকল (follicles) মধ্যে ঘটতে পারে। এরা মুখ, ঘাড়, বগল, নিতম্ব , এবং উরুতে সচরাচর ঘটে থাকে। একই সাথে এক অথবা একাধিক ফোড়া হতে পারেন। সমাধানের জন্য একজন চর্ম ডাক্টার দেখাতে পারেন। #দাগ মেশানোর উপায়ঃ আপনি ক্লোবেটাসল ক্রীম ব্যবহার করুন।
* ফুলো কমানোর জন্যঃ বহেড়ার বিচি বাদ দিয়ে ছাল বেটে একটু গরম করে ফুলোয় প্রলেপ দিলে ফুলো কমে যাবে। কালো দাগ মুছতে লেবুর রিস ব্যবহার করুন। স্কিন ভেদে ফোঁড়া কম বা বেশি হয়,এটি একটি চর্মরোগ, কম-বেশি সবার এ এই রোগ হয়।
যখন বিষ ফোঁড়া অস্বাভাবিক ভাবে ফুলে যায় তখন তার চার পাশে আলতু ভাবে একটু চুন লাগিয়ে রাখুন। দেখবেন কিছুসময়ের মধ্যেই ফুলা কমে গেছে এবং কিছু দিনের মধ্য বিষ ফোঁড়া পেকে পরিস্কার হয়ে ভাল হয়ে যাবে।