জুমায়ার নামাজের দিন মসজিদের ভিতর গাছের ফসল বা ফল নিলামে তোলা কি বৈধ?
3 Answers
মসজিদে দুনিয়াবি আলাপ আলোচনা নিষেধ,মসজিদের প্রয়োজনে জরুরি আলাপ, যদি বাহিরে করার মত জায়গা বা সুবিধা না থাকে, তাহলে সংকেপে করা যেতে পারে,,, আসলে মসজিদে দুনিয়াবি আলাপ না করাই ভাল,
মসজিদে মূলত আল্লাহর ঘর আল্লাহর গুনগান করতে হবে সেখানে। তাছাড়া রাসূল সঃ মসজিদে নববীতে বসে রাস্ট পরিচালনা করতেন এবং কল্যান মূলক কাজ করতেন। তাই নিজের সার্থে কোন কাজ করা যাবে না। তবে কল্যান মুলক কথা বলা জাবে। আশা করি বুচ্ছেন।।।
আপনি প্রথমে এই উত্তরটি দেখুন: মসজিদে দুনিয়াবী কথা বলার হুকুম কী? ------------------------------------------- প্রশ্নঃ মসজিদে কি দুনিয়াবী কথা বলা হারাম? উত্তর: بسم الله الرحمن الرحيم মসজিদ হল, নামায, জিকির, তিলাওয়াত তথা ইবাদতের স্থান। দুনিয়াবী আলাপ আলোচনার স্থান নয়। তাই দুনিয়াবী কথাবার্তার জন্য মসজিদে গমণ বৈধ নয়। কিন্তু যদি মসজিদে ইবাদতের জন্য প্রবেশ করে, তারপর প্রয়োজনীয় দুনিয়াবী কথা বলে, তাহলে সেটি যদি কারো ইবাদতের বিঘ্ন না ঘটায় এবং অশ্লীল না হয়, তাহলে জায়েজ আছে। وَالْكَلَامُ الْمُبَاحُ؛ وَقَيَّدَهُ فِي الظَّهِيرِيَّةِ بِأَنْ يَجْلِسَ لِأَجْلِهِ وقال ابن عابدين الشامى رح: (قَوْلُهُ بِأَنْ يَجْلِسَ لِأَجْلِهِ) فَإِنَّهُ حِينَئِذٍ لَا يُبَاحُ بِالِاتِّفَاقِ لِأَنَّ الْمَسْجِدَ مَا بُنِيَ لِأُمُورِ الدُّنْيَا. وَفِي صَلَاةِ الْجَلَّابِي: الْكَلَامُ الْمُبَاحُ مِنْ حَدِيثِ الدُّنْيَا يَجُوزُ فِي الْمَسَاجِدِ وَإِنْ كَانَ الْأَوْلَى أَنْ يَشْتَغِلَ بِذَكَرِ اللَّهِ تَعَالَى، (رد المحتار، كتاب الصلاة، باب ما يفسد الصلاة وما يكره فيها، فروع افضل المساجد، مطلب: فى الغرس فى المسجد-2/436 হযরত আনাস রা.থেকে বর্ণিত এক হাদীসে রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- إِنَّ هَذِهِ الْمَسَاجِدَ لَا تَصْلُحُ لِشَيْءٍ مِنْ هَذَا الْبَوْلِ، وَلَا الْقَذَرِ إِنَّمَا هِيَ لِذِكْرِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، وَالصَّلَاةِ وَقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ অর্থাৎ মসজিদ প্রসাব,নাপাকী ও আবর্জনার উপযুক্ত নয়। বরং মসজিদ হল আল্লাহ তাআলার যিকির ও কুরআন তেলাওয়াতের জন্য। {মুসলিম শরীফ হাদীস নং-২৮৫} والله اعلم بالصواب উত্তর লিখনে: মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা। . পর কথা হল- মসজিদের জিনিসপত্র, ফলফলাদি জুমুআহর নামাজের পর নিলামে বিক্রি করা জায়েজ আছে। তবে মসজিদের ভিতরে ক্রয়বিক্রয় জায়েজ নেই। তাই মসজিদের বাইরে নিলাম ডাকতে হবে। আর সাধারণত মসজিদের নিলাম বাকিতেই হয়। আর এতে সবার মৌন সমর্থন থাকে। তবুও মূল্য পরিশোধ করতে বেশিদিন অপেক্ষা করা বা টালবাহানা করা ঠিক নয়। তবে নিলামের শুরুতে যদি নগদের শর্ত লাগানো হয়, তাহলে ক্রেতাদের জন্য নগদ মূল্য পরিশোধ করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে আপনি এবং অন্যান্য যারা বাকিতে নিলাম ডাকলে রাগান্বিত হন, তারা মসজিদ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে নগদের শর্ত লাগাতে পারেন।