ব্রন দূর করার উপায়?
আমার বয়স ১৭,আমার মুখে ব্রন দেখা দিয়েছে।আবার মুখে গর্ত গর্ত হয়ে যাচ্ছে। আমি গারনিয়ার ম্যান পাওয়া হোয়াট ব্যাবহার করছি কোন কাজ হচ্ছে না।কি করলে ব্রন আর গর্ত হওয়া রোধ করব।
3 Answers
ব্রণের সমস্যায় আমরা অনেকেই ভুগি। সাধারণত ত্বকের তৈলগ্রন্থি বা ওয়েল গ্ল্যান্ড ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত হলে ব্রণ হয়। ত্বকের উজ্জ্বলতা, সৌন্দর্য নষ্ট করতে ব্রণ অনেকাংশেই দায়ী। সুস্থ-সুন্দর ব্রণমুক্ত ত্বক দেখতে কার না ভালো লাগে? তাই ঘরে বসে ব্রণ দূর করতে হেলথ ডটকম দিয়েছে কিছু পরামর্শ। এসপিরিন Advertisement নিউইয়র্কের ডার্মাটোলজিস্ট এবং স্কিন রুলস বইয়ের লেখক ডেবরা জেলিমান জানান, এসপিরিন হলো এক ধরনের সলিসিলিক এসিড। একনি বা ব্রণ দূর করার পণ্যগুলোতে এই উপাদান ব্যবহার করা হয়। এসপিরিন গুঁড়ো করে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তুলার মধ্যে লাগিয়ে এই পেস্ট সরাসরি ব্রণের মধ্যে ১০ মিনিট রাখুন। এর পর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চা-গাছের তেল চা-গাছের তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি- সেপটিক ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। কয়েক ফোঁটা চা-গাছের তেল তুলার মধ্যে লাগিয়ে খুব নরমভাবে ব্রণ ও দাগে লাগান। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে ব্রণ সেরে উঠেছে। বরফ ড. জেলিমান জানান, গোড়ালি মচকে গেলে এর ফোলা কমাতে বরফ কাজ করে। এটি ব্রণের প্রদাহ কমাতেও বেশ কার্যকর। একটি বরফের ছোট টুকরো পরিষ্কার কাপড়ের মধ্যে নিয়ে এক মিনিটের জন্য ব্রণের মধ্যে রাখুন। এই পদ্ধতি ব্রণের লাল হওয়া ও ফোলাভাব কমাবে। লেবুর রস লেবুর রসের মধ্যে রয়েছে সাইট্রিক এসিড। রয়েছে এল-এসকোরোবিক এসিড, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্টের উৎস। একটি তুলোর টুকরোর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে ব্রণে লাগান। সারা রাত রাখুন। ব্রন দূর করতে এই পদ্ধতিও বেশ কার্যকর। রসুন রসুনের গন্ধ হয়তো আপনার বিরক্ত লাগতে পারে। কিন্তু এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়াল উপাদান; যা ব্রণ দূর করে। রসুন দেহের বিভিন্ন রোগ-প্রতিরোধেও উপকারী। এটি ক্যানসার প্রতিরোধ করে। রসুনে রয়েছে এলিসিন ও অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। রসুন কেটে পানির সঙ্গে পেস্ট করুন। এরপর ব্রণের মধ্যে পাঁচ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মধু ব্রণ দূর করতে মধুও খুব উপকারী। মিষ্টি স্বাদের এই খাবারটি আপনি মাস্কের মতো মুখে লাগাতে পারেন। পাঁচ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এর ভেতর আছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টি সেপটিক উপাদান। তবে নিয়মিতি মধু ব্যবহারে ব্রণ একেবারেই সারবে কি না, সেটা নিয়ে গবেষকরা এখনো দ্বন্দ্বে রয়েছেন। তাঁদের পরামর্শ, চেষ্টা করুন অপ্রক্রিয়াজাত বা টাটকা মধু ব্যবহার করতে।
* কাঁচা হলুদের সাথে চন্দন কাঠের পেস্ট ব্রন দূর করতে খুবই উপকারী। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবং চন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে, পরিমাণ মত পানি যোগ করে ঘন পেষ্ট তৈরি করতে হবে। এবার মিশ্রণটি ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে, কিছুক্ষন শুকিয়ে যেতে অপেক্ষা করতে হবে। একটু পর পেস্ট শুকিয়ে গেলে মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণ দূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে। * পুদিনা পাতা ত্বকের অতিরিক্ত তেল এবং ব্রণের সংক্রমণ কমাতে খুবই উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ত্বকে লাগিয়ে, ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে, পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর হয়ে যাবে। অতিরিক্ত গরমের কারণে ত্বকে ফুসকুড়ি এবং ব্রণ দূর হবে। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ব্রণের ওপর ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিলে, ব্রন দূর হয়। * চন্দন কাঠের গুড়োঁর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে তাতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। গোলাপজল অনেকের ত্বকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সেইক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মধু ব্যবহার করা যায়। এই পেস্টটি ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে। সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যবহার করলে ত্বক অনেক পরিষ্কার দেখাবে। * ২ চা চামচ তুলসি পাতা বাটা, ২ চা চামচ নিম পাতা বাটা, ২ চা চামচ চালের গুঁড়া, ১ চা চামচ মুলতানি মাটি ও পরিমাণমতো গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার ওই পেস্ট মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন প্যাকটি ব্যবহার করতে চেষ্টা করুন। আর ত্বকের প্রতি যত্নশীল হলে এমনিতেই ব্রণ কমে যাবে। * আপেল এবং মধুর মিশ্রণ ব্রন এবং ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। আপেলের পেস্ট তৈরি করে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশিয়ে, মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে। এরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখবে। সপ্তাহে ৫-৬ বার ব্যবহারে ত্বকের পরিবর্তন নিজেই অনুভব করা যাবে। * ব্রন দূর করতে এক কাপ পাকা পেঁপে চটকে, এর সাথে এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালের গুঁড়ো মিশিয়ে মিশ্রন তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি মুখসহ পুরো শরীরে লাগিয়ে, ২০-২৫ মিনিট ম্যাসাজ করে গোসল করে নিলে, মুখসহ শরীরের যেকোনো স্থানের ব্রন দূর হয়ে যায়। পেঁপে ছাড়াও ঘৃতকুমারীর রস ব্যবহার করা যায়। * ব্রণের জন্য তুলসি পাতাররস খুব উপকারী। তুলসি পাতায় প্রচুর আয়ুর্বেদিক গুণ আছে। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে, কুসুম গরমপানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলে, ব্রন দূর হয়।
♣♣Clinface gel ব্যবহার করুন, শুধু রাতে ব্যবহার করবেন।
♣♣সাথে সিরাপ ছাফী খাবেন।
♣♣সকালে ও রাতে ইসবগুলের ভুসি খাবেন, পানি বেশী করে খাবেন।
♣♣ফেসওয়াস দিয়ে মুখ পরিস্কার করবেন দিন 3 বার। ক্রীমটি ব্যবহার করলে ব্রণ ভাল হয়ে যাবে, যতদিন ব্রণ দুর না হয় ততদিন ধৈর্য ধরে ব্যবহার অব্যাহত রাখুন।
♣♣ব্রণ ভাল হওয়ার পর ত্বক কিছুটা কালো দেখাতে পারে। ঘাবড়ানোর কিছু নাই, পরবর্তীতে এমনিতেই ধীরে ধীরে দাগ কমতে থাকবে, দাম 150 টাকা করে।
♣♣ব্রণের সমাধান হলে গর্ত ও হবেনা।