3 Answers
এই অবস্থায় কোনো ইবাদত কবুল হবেনা । কেননা মিলন করলে শরীর নাপাক হয় এবং এ অবস্থায় গোসল ফরয।তাই ফজরের ওয়াক্তের পুর্বে গোসল করে তার পর নামাজ আদায় করতে হবে।যদি ঠান্ডার কারনে অলসতা করে নামাজ ছেড়ে দেন তাহলে গুনাহগার হতে হবে ।
গোসল করে পবিত্র হওয়া ছাড়া আপনার করনিয় কিছুই নেই। ঠাণ্ডার দোহাই দিয়ে এখানে কোন কাজ হবে না। ইসলাম এত ঠুনকো নয় যে আপনি ঠাণ্ডার দোহাই দিলেন আর তা ভেঙ্গে গেল।
প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় আপনার যদি মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে তবেই আপনি তায়াম্মুম অর্থাৎ পবিত্র মাটি দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করে নামজ পড়তে পারবেন। ঠাণ্ডায় আপনি না মারা গেলে অবশ্যই অবশ্যই এবং অতি অবশ্যই গোসল করতে হবে! আর ইচ্ছাকৃত ভাবে নামাজ ছেড়ে দেয়া শিরকের পর সবচেয়ে বড় গোনাহ (অনেক আলেমগন শিরকও বলেছেন)। এমনকি এটি মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ লুণ্ঠন, ব্যভিচার, চুরি ও মদপানের চেয়েও মারাত্মক গোনাহ। রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, ‘যে কেউ ইচ্ছাকৃত নামাজ ছেড়ে দেয় আল্লাহ পাক তার হতে তাঁর জিম্মাদায়িত্ব উঠিয়ে নেন’ (বুখারি-১৮, ইবনে মাজাহ-৪০৩৪, মুসনাদে আহমদ-২৭৩৬৪)। অর্থাৎ মহান আল্লাহ্ তার প্রতি বিমুখ হন! নামাজ না পড়লে দুনিয়াতেও অশান্তি শুরু হয়ে যায়