রিচ বিজনেছ সম্পরকে বিস্তারিত জানতে চাই। আমার কিছু ফ্রেন্ড আছে যারা এখন রিচ বিজনেসে জয়েন করার জন্য অনেক অনুরোধ করতেছে। এখন এটা কি ঠিক?
3404 views

3 Answers

আসলে এইধরনের ব্যবসাতে জয়েন করার আগে অনেক সুবিধা দেখায় যে জয়েন করলেই টাকা কোন কাজ করতে হয়না এই ধরনের অনেক সুবিধা দেখায় কিন্তু জয়েন করলে আর এইসব সুবিধাগুলো থাকেনা। যারা প্রথমে জয়েন করে তারা কিছু ইনকাম করতে পারে। যারা পরে যায় তারা কিছুই করতে পারেনা কিছুদিন পর এমনিতেই ছেড়ে দেয়।

3404 views

ভোক্তাশ্রেণীর পারস্পরিক সম্পর্ককে তথ্য সরবরাহ ও বিজ্ঞাপনের কাজে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে পণ্য দ্রুত এবং সরাসরি ভোক্তার কাছে বিপণন করাটাই ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর বৈশিষ্ট্য।" এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমরা অনেকেই জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুকাল ধরে পরোক্ষভাবে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর কর্মটি করে চলছি এবং তা অনেকটা মনের অজান্তে। এবংএকথাটিও সত্য যে, এ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই তথ্যনির্ভর ধারণাও যথেষ্ট কম। এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় যে, আপনি যখন কোন একটি ভাল বই পড়ে বেশ আনন্দ পান, কিংবা কোন ভাল রেষ্টুরেন্টের খাবার খেয়ে উপভোগ করেন বা ভাল একটি সিনেমা বা নাটক দেখে খুব আনন্দ উপভোগ করেন, তখন আপনি এটি আপনার নিজস্ব পরিমণ্ডলের অন্যদের কাছে প্রায়শঃ প্রচার করে থাকেন। আর এ কাজটি আপনি নিছক কথার ছলেই বলে বেড়ান। যদি কাজটি আপনি প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই নেটোয়ার্কিং পদ্ধতির কাজটি করে বেড়াচ্ছেন বলে ধরে নেয়া যায় এবং এর ফলে আপনাকে বলা যায় একজন নেটওয়ার্কার। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে আপনার টেওর্য়াক কাজের দ্বারা যে পণ্য বা সেবার ফ্রি বিজ্ঞাপন হয়ে যাচ্ছে, যাবে এর জন্য যে বিপণনকারী সংগঠন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে (দোকানদার বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি), তাদের কেউই আপনাকে কোন বিপণন কমিশন বা আর্থিক সুবিধা দিচ্ছেন না বা দেবেননা। ন্যূনতম সৌহার্দ্যবোধে আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করেননি বা করবেন না, বিনামূল্যে এই বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজটি করার জন্যে। তবে নেটওর্য়াক মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান আপনার এ ধরণের প্রচারের কারণে যদি কোম্পানীর কোন পণ্য বা সেবা বিপণন হয়ে থাকে, সে জন্য আপনাকে আর্থিক সুবিধা হিসেবে বিপণন কমিশন দিতে আগ্রহী। গতানুগতিক পণ্য বিপণন পদ্ধতির সাথে কাঠামোগত নেটোয়ার্ক বিপণন পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য এটুকুই। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি হচ্ছে, ব্যক্তির সংগে ব্যক্তির (ইন্টার-পার্সোনাল) সম্পর্ককে ব্যবহার করে মৌখিক বিজ্ঞাপনজনিত প্রচারের মাধ্যমে পণ্য বিপণন করা এবং এ ধরনের বিপণনে উদ্বুধ্ধকরনের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদনকারী বা উৎস থেকে ভোক্তার কাছে সরাসরি ক্রয়/বিক্রয় সম্পন্ন করা। বাড়তি খরচ পরিহার করে তার একটা বিশাল অংশ ক্রয়/বিক্রয়কারী ভোক্তাশ্রেণীকে একত্রে প্রচারকার্মে অংশগ্রহণ করার জন্য "কমিশন" হিসেবে প্রদান করাই হচ্ছে এ বিপণন পদ্ধতির মূল দর্শন। কারণ এই মৌখিক প্রচার পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে পণ্য বিপণন প্রক্রিয়ায় গতানুগতিক মধ্যসত্ত্বভোগীর প্রয়োজন হয় না, ফলে বিপণনে বাড়তি খরচের বিষয়টির বিলুপ্তি ঘটে। এই পদ্ধতিতে পণ্য বা সেবা বিপণনে সাধারণতঃ কোন ব্যয়বহুল শো-রুম খরচ ও বিজ্ঞাপন খরচের প্রয়োজন হয় না। তাই উৎপাদনকারীগণ কিংবা সরবরাহকারীগণ সবাই অধিক পরিমাণ পণ্য খুব সহজে এবং কম খরচে ভোক্তাদের কাছে সরাসরি বাজারজাত করতে সক্ষম হন। এ কারণে এ বিপণন পদ্ধতিটি গতানুগতিক বিপণন প্রক্রিয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণের তুলনায় সংস্কার-সমৃদ্ধ একটি আধুনিক প্রক্রিয়া মাত্র। তবে অনেক প্রতিষ্ঠান এর অপব্যবহার করছে যার।এরা নাম মাত্র এম এল এম সিস্টাম এর কথা বলে প্রতিনিয়ত হাজার হাজান মানুষকে ঠকাচ্ছে।লাইফওয়ে বাংলাদেশ প্রা: লিমিটেড,ডেসটেনি এদের মধ্যো অন্যতম।

3404 views

image ;

ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং বলতে যা বুঝায়-"ভোক্তাশ্রেণীর পারস্পরিক সম্পর্ককে তথ্য সরবরাহ ও বিজ্ঞাপনের কাজে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে পণ্য দ্রুত এবং সরাসরি ভোক্তার কাছে বিপণন করাটাই ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর বৈশিষ্ট্য।"


এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমরা অনেকেই জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুকাল ধরে পরোক্ষভাবে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর কর্মটি করে চলছি এবং তা অনেকটা মনের অজান্তে। এবংএকথাটিও সত্য যে, এ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই তথ্যনির্ভর ধারণাও যথেষ্ট কম।


এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় যে, আপনি যখন কোন একটি ভাল বই পড়ে বেশ আনন্দ পান, কিংবা কোন ভাল রেষ্টুরেন্টের খাবার খেয়ে উপভোগ করেন বা ভাল একটি সিনেমা বা নাটক দেখে খুব আনন্দ উপভোগ করেন, তখন আপনি এটি আপনার নিজস্ব পরিমণ্ডলের অন্যদের কাছে প্রায়শঃ প্রচার করে থাকেন। আর এ কাজটি আপনি নিছক কথার ছলেই বলে বেড়ান।


যদি কাজটি আপনি প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই নেটোয়ার্কিং পদ্ধতির কাজটি করে বেড়াচ্ছেন বলে ধরে নেয়া যায় এবং এর ফলে আপনাকে বলা যায় একজন নেটওয়ার্কার। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে আপনার টেওর্য়াক কাজের দ্বারা যে পণ্য বা সেবার ফ্রি বিজ্ঞাপন হয়ে যাচ্ছে, যাবে এর জন্য যে বিপণনকারী সংগঠন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে  (দোকানদার বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি), তাদের কেউই আপনাকে কোন বিপণন কমিশন বা আর্থিক সুবিধা দিচ্ছেন না বা দেবেননা। ন্যূনতম সৌহার্দ্যবোধে আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করেননি বা করবেন না, বিনামূল্যে এই বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজটি করার জন্যে। তবে নেটওর্য়াক মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান আপনার এ ধরণের প্রচারের কারণে যদি কোম্পানীর কোন পণ্য বা সেবা বিপণন হয়ে থাকে, সে জন্য আপনাকে আর্থিক সুবিধা হিসেবে বিপণন কমিশন দিতে আগ্রহী। গতানুগতিক পণ্য বিপণন পদ্ধতির সাথে কাঠামোগত নেটোয়ার্ক বিপণন পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য এটুকু।

**************

রিচ বিজনেস নামে একটি কম্পানি চালু হয়েছে ডেসটেনির মতো,।

রিচ বিজনেস সম্পর্কে একটা প্রতিবেদন দিলা আসা করি বুঝবেন।


প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে এমএলএম কোম্পানি রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ। বিভিন্ন কলা কৌশলে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। পন্য ক্রয় বিক্রয়, রক্ত সহায়তা, চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা বৃত্তি, মরণোত্তর ভাতা, ব্যবসা আয়সহ বিভিন্ন প্রতারণার স্বিকার হচ্ছে বিভিন্ন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ এর প্রোপার্টিজের মেয়াদ শেষ হলেও টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন হয়রাণী বিড়াম্বনায় ফেলছে গ্রাহকদের।


এমএলএম কোম্পানি লাইসেন্স না নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ এনে দিনের পর দিন দিব্যি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ। এতে সাধারণ মানুষ আবারও প্রতারিত হতে পারেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শহরের মুনজিতপুর এলাকার রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ এর ম্যানেজিং মার্কেটিং মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান, আমার আওতায় যে সকল প্রপারটিজের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে কোম্পানী তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। বিভিন্ন সময় নানা ভাবে হয়রানী ও বিডাম্বনা করছে। এছাড়া গত ১ অক্টোবর ২০১৫ আমার ক্রয়কৃত প্রপারটিজ প্যাকেজের মেয়দ উত্তীর্ণ হয়। র্দীঘ ৩ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ কর্তৃপক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

সাতক্ষীরা ১ অফিসের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ আবুল হাসানের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন ৩-৪ মাসের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান করা হবে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি, শ্যামনগর ও সদর উপজেলার শত শত মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। আর এসব টাকা পাঠানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় কার্যালয় চট্রগ্রামের জিন্নাত সেন্টার (৬ষ্ট তলা) নাছিরাবাদে।

বর্তমানে শহরের নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে ১০ হাজার টাকা ভাড়ায় একটি অফিসে তাদের এ কার্যক্রম চালাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিনিয়ত সেখানে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী কলেজ সময়ে এ কার্যক্রম চালাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ নামের এ এমএলএম কোম্পানিটি ২০১০ সালে সাতক্ষীরায় আমানত ও শেয়ার সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করে। বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বিগত পাঁচ বছরের প্রায় কোটি টাকার আমানত ও শেয়ার সংগ্রহ করেছে। কিন্তু কোম্পানির স্থানীয় ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আমানত সংগ্রহের সপক্ষে আইনানুগ কোনো কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারেনি।


বর্তমান সরকার এমএলএম কোম্পানী গুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করলে কোন ভাবেই এই প্রতারক চক্রকে নিষ্ক্রিয় করা যাচ্ছে না।

বিগত ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর শহরের কামালনগর এলাকায় সুলতান ভিলার তিয়ানশি অফিসে অভিযান চালিয়ে জামায়াত-শিবিরের ১৮ জন কর্মীকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ সময় সেখান থেকে চারটি হাতবোমা, বেশকিছু নাশকতা পরিকল্পনার কাগজপত্র ও জিহাহী বই উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সারাদেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ প্রতারণার স্বিকার হয়েছে। তারমধ্যে রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ নামের এই এমএলএম কোম্পানিটি বান্দরবানের লামা এরিয়া কার্যালয় সিলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন।

সচেতন মহল মনে করছে সাতক্ষীরায়  রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ নামের একটি এমএলএম কোম্পানি এ কার্যক্রমের অন্তরালে চালাচ্ছে জামাত শিবিরের কার্যক্রম। সাতক্ষীরার রিচ বিজনেস 

3404 views

Related Questions