ব্রন?
5 Answers
ব্রণ হলে ধৈর্যের প্রয়োজন, কিন্ত আপনার
বর্ণনা অনুযায়ী বুঝা যাচ্ছে আপনার ধৈর্য
নাই, তাই বার বার ক্রীম পরিবর্তন করতেছেন
আপনি Fona অথবা Clindax b অথবা
Clinface যে কোন একটা, টানা 3 মাস
ব্যবহার করুন, সমাধান হবেই।
ক্লিন্ডাসিন প্লাস জেল ৩টা ব্যবহার করা নিয়ম। আপনার যেহুতু কোনো কিছুই কাজ করছেনা এখন আপনি আপাদত মুখে কিছু মাখবেন না। ব্রণে হাতও দিবেন না। একটু কষ্ট হলেও আল্লাহর রহমতে এমনি ভালো হয়ে যাবে।
রইল ব্রণের হাত থেকে নিস্তার পাবার কিছু ভেষজ উপায় -
১) ব্রণ হবার একটি অন্যতম কারণ হলো অপরিষ্কার ত্বক। তাই ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার। নিয়মিত স্ক্রাবিং ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। ব্রণ শুধু মুখে নয়, শরীরের অন্যান্য অংশেও হতে পারে। তাই স্ক্রাবিং পুরো দেহের জন্যই প্রযোজ্য। পাকা পেঁপে চটকে নিন এক কাপ। এর সাথে মেশা এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালের গুঁড়ো। মিশ্রণটি মুখসহ পুরো শরীরে লাগান। ২০-২৫ মিনিট মাসাজ করে গোসল করে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন ঘৃতকুমারীর রস।
২)পুদিনা পাতা ত্বকের অতিরিক্ত তেল এবং ব্রণের সংক্রমণ কমাতে খুবই উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ত্বকে লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর হয়ে যাবে। অতিরিক্ত গরমের কারণে ত্বকে যেসব ফুসকুড়ি এবং ব্রণ হয় সেগুলো দূর করতেও পুদিনা পাতা উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট এরপর ধুয়ে ফেলুন।
৩)পুদিনা পাতার রস করে নিয়ে সেটা দিয়ে আইস কিউব তৈরি করুন। ফুসকুড়ি ও ব্রণের এই আইস কিউব ঘষুন ১০-১৫ মিনিট। এতে ফুসকুড়ি ও ব্রণের সংক্রমণ তো কমবেই সাথে ত্বকের জ্বালাপোড়াও দূর করবে।
৪) লবঙ্গ মূলত মসলা হিসেবে পরিচিত হলেও ব্রণ সারাতে তা খুবই কার্যকর। লবঙ্গের তেল দিয়ে ত্বক মাসাজ করা খুবই উপকারী। ত্বকে ব্রণের সংক্রমণ বেড়ে গেলে লবঙ্গ গুঁড়ো করে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণের জায়গাগুলোতে মিশ্রণের মোটা প্রলেপ দিন। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
৫) টক স্বাদের কদবেল খেতে অনেকেই ভালবাসেন। কাঁচা কদবেলের রস ব্রণের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা কদবেলের রস তুলাতে ভিজিয়ে ব্রণ আক্রান্ত জায়গাগুলোতে লাগান। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
৬) নিমপাতা খুব ভালো জীবাণুনাশক। তাই ব্রণ সারাতে নিমপাতা খুবই উপকারী। নিমপাতা বেটে সাথে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ পর ধুয়ে ফেলুন।
৭) যাঁদের ব্রণের পরিমাণ অত্যধিক বেশি তাঁরা পাতিলেবুর রস দিনে দুই তিনবার ব্রণে আক্রান্ত জায়গাগুলোতে লাগান। তবে একটানা ১০ মিনিটের বেশি রাখবেন না। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
৮)ধনিয়াপাতাও ব্রণ সারাতে কার্যকর। ধনিয়াপাতা বেটে তাতে কয়েক চিমটি হলুদ গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ২০-২৫ পর ধুয়ে ফেলুন।
৯) ১ লিটার পানিতে ২৫০ গ্রাম টাটকা নিমপাতা জ্বাল দিন। পানির পরিমাণ অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিতে থাকুন। এই পানি ছেঁকে ঠান্ডা করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানি পান করলে ব্রণ হবার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যাবে।
১০)গোলাপজলের নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ কমে যায়। দারুচিনি গুঁড়ার সাথে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ব্রণের ওপর লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সংক্রমণ, চুলকানি এবং ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।
Clinface জেল ব্যবহার করুন। ঘুমানোর আগে সাবান ও মৃদু গরম পানি দিয়ে দিয়ে মুখ পরিস্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে। আক্রান্ত মুখে পরিমাণ মত আঙ্গুলের সাহায্য করতে হবে, শুধু রাতে ব্যবহার করবেন। ❄সকালে ও রাতে ইসবগুলের ভুসি খাবেন। ❄দৈনিক 8 ঘন্টা ঘুমাবেন। ❄সবুজ শাকসবজি, করলা, মাছ, লালশাক, পেপে খাবেন। ❄এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। ❄ফেসওয়াস দিয়ে মুখ পরিস্কার করবেন দিন 3 বার। ক্রীমটি ব্যবহার করলে ব্রণ ভাল হয়ে যাবে ব্রণ ভাল হওয়ার পর ত্বক কিছুটা কালো দেখাতে পারে। ঘাবড়ানোর কিছু নাই, পরবর্তীতে এমনিতেই ধীরে ধীরে দাগ কমতে থাকবে, অথবা পরে ঘরোয়া উপায়ে দাগ দুর করতে পারবেন।
আপনি হামদর্দের "ছাফি" সিরাপ সেবন করেন|এটি ত্বককে যেকোন প্রদাহ থেকে রক্ষা করে থাকে|ফলে ত্বক উজ্জল ও মসৃণ হয়|ব্রন থেকে মুক্তি দান করবে|
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy