ঝগড়া করে রাগের মাথায় কোন সামী তার স্ত্রী কে তালাক দিলে সেটা কি ইসলাম এর দৃষ্টি তে তালাক হয়? 

3229 views

2 Answers

প্রচলিত আইন ও ধর্মীয়ভাবে যেমন বিয়ে করার সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে তেমনি তালাক দেয়ারও সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে নিয়মের বাইরে গিয়ে নিজের ইচ্ছামত বিয়ে বা তালাক কোনটাই বৈধ হবে না

ইসলা‌মে তালা‌কের পদ্ধতিঃ
স্ত্রীকে তার ঋতুমুক্তির পর পবিত্র অবস্থার শুরুতে মিলন ছাড়াই স্বামী প্রথমে এক তালাক দিবেঅতঃপর সহবাসহীন অবস্থায় তিন ঋতুর ইদ্দত অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বে স্বামী স্ত্রীকে রাজআত করতে পারে অর্থাৎ ফিরিয়ে নিতে পারেকিন্তু ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরে ফেরত নিতে চাইলে তাকে উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে নতুন বিবাহের মাধ্যমে ফেরত নিতে হবে ইদ্দতকালে স্ত্রী স্বামীগৃহে অবস্থান করবেঅবস্থানকালে স্বামী স্ত্রীকে খোরপোষ দিবেএটিই হল তালাকের সর্বোত্তম পন্থা

প্রচ‌লিত অাই‌নে তালাক কার্যকর করার ক্ষেত্রে মুখে উচ্চারণের পাশাপাশি চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত নোটিশ পাঠাতে হয়চেয়ারম্যান বলতে এখানে বোঝানো হচ্ছে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, সেনানিবাস এলাকায় এই অধ্যাদেশের অধীনে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের জন্য সরকারের নিয়োগ করা ব্যক্তি, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা অথবা সিটি কর্পোরেশনের স্থগিত (suspended) থাকলে অধ্যাদেশের অধীনে চেয়ারম্যানের কাজ সম্পাদনকারী সরকারের নিয়োগ করা ব্যক্তিচেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো তালাক নোটিশের একটি অনুলিপি তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে পাঠাতে হবেতারপর এই নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে দুই পক্ষের পুনঃমিলনের উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান সালিশি কাউন্সিল তৈরি করে দুই পক্ষের পুনঃমিলনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যদি দুই পক্ষের মধ্যে কোনোভাবেই পুনঃমিলন সম্ভব না হয় তবে তালাক নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে তালাক কার্যকর হয়ে যাবেএই ৯০ দিন পর্যন্ত স্ত্রীর ভরণপোষণ ও অন্যান্য খরচাপাতি বহন করবেন স্বামীতালাকের ক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, যদি তালাক দেওয়ার সময় স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে থাকে তবে তার গর্ভাবস্থার পরিসমাপ্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ সন্তান ভূমিষ্ঠ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না

দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, মুসলিম আইনে স্ত্রীর তালাক দেওয়ার কোনও ক্ষমতা নেই, যদি না কাবিননামার ১৮তম কলামে স্ত্রীর তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া থাকেতবে মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯ অনুযায়ী মুসলিম আইনে বিবাহিত কোনও মহিলা নিচের এক বা একাধিক কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারবেন
১. চার বছর পর্যন্ত স্বামীর কোনও খোঁজখবর পাওয়া না গেলে
২. দুই বছর যাবত স্বামী কর্তৃক অবহেলিত এবং স্বামী ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
৩. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১'র বিধান লঙ্ঘন করে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করলে
৪. স্বামী ৭ বছর বা তার বেশি মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে
৫. স্বামী কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর ধরে বিবাহিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে
৬. বিয়ে করার সময় স্বামী পুরুষত্বহীন হলে এবং এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে
৭. দুই বছর ধরে স্বামী অপ্রকৃতিস্থ থাকলে বা, কুষ্ঠ রোগ বা, সংক্রামক যৌন ব্যাধিতে ভুগলে
৮. ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই যদি অভিভাবকের মাধ্যমে বিয়ে দেওয়া হয় এবং স্বামী-স্ত্রী সহবাস বা, বসবাস না করে তাহলে ১৯ বছর বয়স হওয়ার আগেই এই বিয়ে প্রত্যাখ্যান করলে
৯. স্ত্রীর প্রতি স্বামী নিষ্ঠুর আচারণ করলে এক্ষেত্রে নিষ্ঠুর আচরণগুলো হল: ক) স্বভাবগতভাবে তাকে মারপিট বা, শারীরিক নির্যাতন ছাড়াও নিষ্ঠুর আচরণ করে স্ত্রীর জীবন দুর্বিষহ করে তুললেখ) খারাপ চরিত্রের মহিলাদের সঙ্গে মেলামেশা করলে বা অনৈতিক জীবনযাপন করলেগ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপানে বাধ্য করার চেষ্টা করলেঘ) স্ত্রীর সম্পত্তিতে হস্তক্ষেপ করলে বা, তার স্ত্রীর সম্পত্তির অধিকারে বাধা প্রদান করলেঙ) স্ত্রীর ধর্মকর্ম পালনে বাধা দিলেচ) একাধীক স্ত্রী থাকলে পবিত্র কোরআনেরর বিধান মোতাবেক সমভাবে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হলেএসব নিষ্ঠুর আচরণের জন্য কাবিননামায় তালাকের ক্ষমতা না থাকা সত্বেও স্ত্রী তার স্বামীকে তালাক প্রদান করতে পারবেনঅন্য যে কোনও সংগত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারেতবে এক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন যে, উল্লেখিত যে কোনও একটি কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে হলে স্ত্রীকে আদালতের মাধ্যমে যেতে হবেতালাক স্বামী বা, স্ত্রী যেই দিক না কেন, স্ত্রী তার প্রাপ্য মোহরানা যে কোনও সময় দাবী করতে পারবেন মনে রাখতে হবে যে, তালাক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক আর তাই যে এলাকায় তালাক কার্যকর করা হয়েছে সেই এলাকার নিকাহ রেজিস্ট্রার দিয়ে তালাক নিবন্ধন করাতে হবে

3229 views
তালাকের প্রকারভেদ আছে । 
এক তালাক, বা দুই তালাক প্রদান করলে উক্ত স্ত্রীকে আবার ঘরে নেয়া যায়। কিন্তু তিন তালাক প্রদান করলে উক্ত মহিলাকে ঘরে নেবার কোন সুযোগ থাকে না। এই তালাক রাগের মাথায় বা ঠান্ডা মাথায় যেকোনো ভাবেই দেননা কেন তালাক পতিত হবে ।
বরং তিন তালাক প্রাপ্তা হবার পর উক্ত মেয়ের ইদ্দত [হায়েজ হলে তিন হায়েজ, পেটে বাচ্চা থাকলে বাচ্চা প্রসব হওয়া] শেষ হবার পর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অন্য কারো কাছে বিয়ে হলে, আর সেই দ্বিতীয় স্বামীও যদি কোন কারণে তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তালাকপ্রাপ্তা হবার পর ইদ্দত শেষে প্রথম স্বামী আবার বিয়ে করতে পারে। এর আগে পারে না। তাই, তিন তালাক ভেবে চিন্তে দেয়া উচিত।

 ﻓَﺈِﻥ ﻃَﻠَّﻘَﻬَﺎ ﻓَﻠَﺎ ﺗَﺤِﻞُّ ﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﺑَﻌْﺪُ ﺣَﺘَّﻰٰ ﺗَﻨﻜِﺢَ ﺯَﻭْﺟًﺎ ﻏَﻴْﺮَﻩُ ۗ ﻓَﺈِﻥ ﻃَﻠَّﻘَﻬَﺎ ﻓَﻠَﺎ ﺟُﻨَﺎﺡَ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻤَﺎ ﺃَﻥ ﻳَﺘَﺮَﺍﺟَﻌَﺎ ﺇِﻥ ﻇَﻨَّﺎ ﺃَﻥ ﻳُﻘِﻴﻤَﺎ ﺣُﺪُﻭﺩَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻭَﺗِﻠْﻚَ ﺣُﺪُﻭﺩُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳُﺒَﻴِّﻨُﻬَﺎ ﻟِﻘَﻮْﻡٍ ﻳَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ ] ٢ :٢٣٠ ] তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে,তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়,তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা;যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। [সূরা বাকারা-২৩০]

 ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﻠﻴﺚ ﻋﻦ ﻧﺎﻓﻊ ﻛﺎﻥ ﺍﺑﻦ ﻋﻤﺮ ﺇﺫﺍ ﺳﺌﻞ ﻋﻤﻦ ﻃﻠﻖ ﺛﻼﺛﺎ ﻗﺎﻝ ﻟﻮ ﻃﻠﻘﺖ ﻣﺮﺓ ﺃﻭ ﻣﺮﺗﻴﻦ ﻓﺄﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﺃﻣﺮﻧﻲ ﺑﻬﺬﺍ ﻓﺈﻥ ﻃﻠﻘﺘﻬﺎ ﺛﻼﺛﺎ ﺣﺮﻣﺖ ﺣﺘﻰ ﺗﻨﻜﺢ ﺯﻭﺟﺎ ﻏﻴﺮﻙ 
হযরত নাফে রহ. বলেন,যখন হযরত ইবনে উমর রাঃ এর কাছে ‘এক সাথে তিন তালাক দিলে তিন তালাক পতিত হওয়া না হওয়া’ (রুজু‘করা যাবে কিনা) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো,তখন তিনি বলেন-“যদি তুমি এক বা দুই তালাক দিয়ে থাকো তাহলে ‘রুজু’ [তথা স্ত্রীকে বিবাহ করা ছাড়াই ফিরিয়ে আনা] করতে পার। কারণ,রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এরকম অবস্থায় ‘রুজু’ করার আদেশ দিয়েছিলেন। যদি তিন তালাক দিয়ে দাও তাহলে স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে, সে তোমাকে ছাড়া অন্য স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত। {সহীহ বুখারী-২/৭৯২, ২/৮০৩}

 ﻋﻦ ﻣﺠﺎﻫﺪ ﻗﺎﻝ ﻛﻨﺖ ﻋﻨﺪ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﻓﺠﺎﺀ ﺭﺟﻞ ﻓﻘﺎﻝ ﺇﻧﻪ ﻃﻠﻖ ﺍﻣﺮﺃﺗﻪ ﺛﻼﺛﺎ . ﻗﺎﻝ ﻓﺴﻜﺖ ﺣﺘﻰ ﻇﻨﻨﺖ ﺃﻧﻪ ﺭﺍﺩﻫﺎ ﺇﻟﻴﻪ ﺛﻢ ﻗﺎﻝ ﻳﻨﻄﻠﻖ ﺃﺣﺪﻛﻢ ﻓﻴﺮﻛﺐ ﺍﻟﺤﻤﻮﻗﺔ ﺛﻢ ﻳﻘﻮﻝ ﻳﺎ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﻳﺎ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﻭﺇﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻗﺎﻝ ) ﻭَﻣَﻦْ ﻳَﺘَّﻖِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﺠْﻌَﻞْ ﻟَﻪُ ﻣَﺨْﺮَﺟًﺎ ( ﻭﺇﻧﻚ ﻟﻢ ﺗﺘﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻠﻢ ﺃﺟﺪ ﻟﻚ ﻣﺨﺮﺟﺎ ﻋﺼﻴﺖ ﺭﺑﻚ ﻭﺑﺎﻧﺖ ﻣﻨﻚ ﺍﻣﺮﺃﺗﻚ 
অর্থ: হযরত মুজাহিদ রহঃ. বলেন,আমি ইবনে আব্বাস রাঃ-এর পাশে ছিলাম। সে সময় এক ব্যক্তি এসে বলেন-‘সে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ চুপ করে রইলেন। আমি মনে মনে ভাবছিলাম-হয়ত তিনি তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার কথা বলবেন (রুজু করার হুকুম দিবেন)। কিছুক্ষণ পর ইবনে আব্বাস রা. বলেন,তোমাদের অনেকে নির্বোধের মত কাজ কর;[তিন তালাক দিয়ে দাও!] তারপর ‘ইবনে আব্বাস! ইবনে আব্বাস! বলে চিৎকার করতে থাক। শুনে রাখ আল্লাহ তা‘য়ালা বাণী-“যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘য়ালাকে ভয় করে আল্লাহ তা‘য়ালা তার জন্য পথকে খুলে দেন। তুমিতো স্বীয় রবের নাফরমানী করেছো [তিন তালাক দিয়ে]। এ কারণে তোমার স্ত্রী তোমার থেকে পৃথক হয়ে গেছে। {সুনানে আবু দাউদ-১/২৯৯, হাদীস নং-২১৯৯, সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-১৪৭২০, সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-১৪৩}

 তালাক সম্পন্ন হবার জন্য লিখিত আকারে প্রদান, সাক্ষ্যি রাখা, আদালতে যাওয়া, স্ত্রীকে শুনিয়ে বলা ইত্যাদি শর্ত নয়। বরং স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তালাক দিলেই তালাক হয়ে যায়। চাই স্ত্রী শুনুক বা না শুনুক। সাক্ষ্যি থাকুক বা না থাকুক।

 ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﻗﺎﻝ : ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﺛﻼﺙ ﺟﺪﻫﻦ ﺟﺪ ﻭﻫﺰﻝ ﺟﺪ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ ﻭﺍﻟﻄﻼﻕ ﻭﺍﻟﺮﺟﻌﺔ ) ﺳﻨﻦ ﺍﻟﺘﺮﺫﻯ، ﻛﺘﺒﺎﺏ ﺍﻟﻄﻼﻕ، ﺑﺎﺏ ﻣﺎ ﺟﺎﺀ ﻓﻲ ﺍﻟﺠﺪ ﻭﺍﻟﻬﺰﻝ ﻓﻲ ﺍﻟﻄﻼﻕ، ﺭﻗﻢ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ 1184- 
হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তিনটি বিষয় ইচ্ছাকৃতকে ইচ্ছেকৃত ধরা হয়, ঠাট্টাকেও ইচ্ছেকৃত ধরা হয়। তাহল, বিয়ে, তালাক ও স্ত্রীকে রাজআত করা। [সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-১১৮৪]
3229 views

Related Questions