আমি সকল কাজেই ধীরে ধীরে মনোবল হারাচ্ছি।আমার জন্ম ২০০০ এ।আমি ২০১৭ তে SSC পরীক্ষা দেব।আমি ২০০৮ এ আমার বাম পায়ের সর্বশেষ আঙ্গুল টি তে ব্যাথা পাই। ও অজ্ঞতার কারণে ক্ষতটা প্রচন্ড হয়। অবশেষে ঐ আঙ্গুলটি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় ও সেটা কেটে ফেলা হয়।কিন্তু ২০১০ এ আমার আঙ্গুলগুলোতে পুণরায় ক্যান্সার ধরা পড়ে ও আরো ২টি আঙ্গুল কাটা হয়।২০১২ তে আমার বাম পা কাটা হয়।আমি জানি হয়ত আমার পুরো শরীরটাতেই একদিন ক্যান্সার হবে।।কিন্তু আমি এখন অল্পতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলি।স্কুলে কাঠের পা দিয়ে যাতায়ত করি।আমি একজন শিক্ষক হতে চাই।আমার বাবাও শিক্ষক।যতই বড় হচ্ছি মনোবল হারাচ্ছি।এখন আমার মনোবল বাড়ানো দরকার।আমি পৃথীবিতে শেষ দিন অবদি লেখাপড়া করব যতদিন না আমি শিক্ষক হই।কিন্তু আমি কিভাবে মেজাজ ঠিক রাখতে পারি।কিছু টিপস দিন।
2883 views

2 Answers

ভাই আপনার কথা শুনে কষ্ট পাইলাম।ভাই সব কিছুর মালিক হল আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন,আপনি কখনো নিজেকে দূর্বল মনে করবেন না মনকে শক্ত করুন,

আর আল্লাহ কে সব সময় ডাকুন।

2883 views

খুবই দুঃখজনক.......!!!! আল্লাহর নিয়তি

মেনে নিতেই হবে।

হেরে গেছে সে........লড়াই করেনি যে.....

আত্মবিশ্বাস শুধু একটি শব্দ নয়, একটি শক্তি যা আমাদের জীবনের কঠিন পরিস্থিতিও সহজ ভাবে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। এর অভাব আমাদের ভিতরের অনেক সম্ভবনাকেই কুড়িতেই ঝরিয়ে দেয়। জীবনের অনেক সংকল্পই অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

চেষ্টা করতে দোষের কি

ছোট এবং সহজ লক্ষ্য নির্ধারণ করুন: কাজের এমন মানদ- বের করুন যা আপনি অর্জন করতে পারবেন। লক্ষ্য অর্জনের পর একটু থামুন এবং ভেবে দেখুন আপনি কতটুকু অর্জন করতে পারলেন।নিজের সাফল্য শনাক্ত করতে পারলে তা আপনার মনোভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

চাপকে দূরে রাখুন : বের করুন কোন জিনিসটা আপনাকে চাপে ফেলছে। আপনি কি খুব বেশি কাজ করছেন। নিজের কাজকে বোঝা হতে দিবেন না। কার্য তালিকায় এমন কিছু কাজ অন্তর্ভূক্ত করুন যা আপনাকে আনন্দ দিবে। নিজেকে দোষারোপ করা বন্ধ করুন : মনে রাখবেন, আপনি আপনার সাধ্যের অতিরিক্ত কখনই কিছু করতে পারবেন না।পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে গেলে নিজেকে দোষ দিবেন না বরং ভাবুন আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ কি হতে পারে।

যেকোনো বিষয় নিয়ে প্রথম অনুভূতিতেই অনেকে নিজের রাগ প্রকাশ করে থাকেন। এটি ঠেকানোর জন্য নিজের আগ্রাসী অনুভূতিকে দমন করতে শিখতে হবে। এ জন্য প্রথমেই কোনো বিষয় নিয়ে অনুভূতি প্রকাশ বন্ধ করুন। প্রথম অনুভূতিটি নিজের মনেই রাখুন। সময় নিন। পরবর্তী সময় ভেবেচিন্তে সেই অনুভূতি প্রকাশ করুন।

এভাবে এগিয়ে যেতে হবে আপনার কাঙ্খিত

লক্ষ্যে...........আল্লাহ আপনার সহায় হোন।

2883 views

Related Questions