3 Answers

লিঙ্গ বাঁকা হলে তেমন একটা সোজা করা যায় না। বিভিন্ন জায়গায় হারবাল বা অন্য কোনো লিফলেটে যা লেখা থাকে, এর অধিকাংশই গাঁজাখুরী! এসব পদ্ধতি খুব একটা কার্যকর নয়। 

অধিকাংশ মানুষের লিঙ্গ যে কোনো দিকে কিছু না কিছু বাঁকা থাকে। এতে টেনশন করার কিছু নেই। কারণ, লিঙ্গ খুব বেশি বাঁকা না হলে পরবর্তীতে যৌন জীবনে কোনো সমস্যা হয় না। এটা গবেষণায় প্রমাণিত।

4670 views

গবেষণায় দেখা গেছে পৃথিবীর বেশিরভাগ

পুরুষের লিঙ্গ

কোন না কোন এক দিকে বাকা বা হেলে

থাকতে পারে, কারো উপর দিকে নিচের

দিকে বাম দিকে ডান দিকে বা, যে কোন

এ্যঙ্গেলে হেলে বা কিছুটা বাকা থাকতে

পারে, এটি সম্পুর্ন সাভাবিক, আরেক টা

কথা, সেটি হলো অনেকের অতিরিক্ত পর্যন্ত

বাকা আছে, সেটিও সাভাবিক, ততক্ষণ

পর্যন্ত চিকিত্সার ও প্রয়োজন নাই যতক্ষণ

পর্যন্ত স্ত্রী মিলনে বাধা না সৃষ্টি করে।

মুলত

লিঙ্গের অাকার ও গঠন নির্ভর করে শারীরিক

গঠন অার জিনগত বৈশিষ্টের উপর।

মানুষ

ভেদে মানুষের উচ্চতা, রঙ, ভঙ্গি যেমন ভিন্ন

তেমনি লিঙ্গও ভিন্ন মাপ ও ভিন্ন গঠনের হয়ে

থাকে তাই এটি নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই।

4670 views

বেশির ভাগ পুরুষের লিঙ্গ কিছুটা বাঁকা থাকে কিংবা একপাশে হেলে থাকে। এটা সস্বাভাবিক। তবে উত্থিত অবস্থায় অস্বাভাবিক বেঁকে থাকাটা রোগের লক্ষন। প্রতি ১ লাখ পুরুষের মধ্যে প্রায় ৪০০জনের লিঙ্গ উত্থিত অবস্থায় বেঁকে যায়। চিকিৎসক সমাজ ও অবস্থাটির নাম দিয়েছেন পেরোনি’জ ডিজিজ। কখনো কখনো একে ফাইব্রাস কেভারোসাইটিস বলা হয়। চিকিৎসা---- সার্জারিঃ যেহেতু পেরোনি’জ ডিজিজ একেকজনের ক্ষেত্রে একক রকম হয়, তাই এর চিকিৎসাও অনেক ধরনের। কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে কোনো চিকিৎসা ছাড়া এ রোগ একদু’বছরের মধ্যে ভালো হয়। এমনকি স্কারটিস্যু চলে যেতে পারে। আবার দুঃখজনক ব্যাপার হলো শতকরা প্রায় ৪০ ভাগ পুরুষের এ সময়ে কোনো পরিবর্তন দেখা দেয় না এবং অন্য ৪০ ভাগ পুরুষের অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে। কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে সার্জারি হলোযুক্তিযুক্ত চিকিৎসা, যদিও অনেক চিকিৎসা, যদিও অনেক চিকিৎসক অপারেশনের আগে কমপক্ষে এক থেকে দু’বছরঅপেক্ষা করার কথা বলেন। অপেক্ষার এ সময়টুকুতেই অধিকাংশ রোগী প্রথমে অন্য চিকিৎসার মাধ্যমে রোগমুক্তির চেষ্টা করেন, অবশ্য পরে অপারেশনের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে দু’ধরনের সার্জারি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। একটি হলো নেসবিট পদ্ধতি। পেরোনি’জ ডিজিজে এ অপারেশনটি সবচেয়ে বেশি করা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে লিঙ্গ সচরাচর এক থেকে দু’ইঞ্চি ছোট হয়ে যায়। অন্য আরেকটি পদ্ধতিতে স্কার টিস্যুর জায়গা গ্রাফটেড টিস্যু লাগানো হয়, তবে অনেক ক্ষেত্রে আংশিক বা সম্পূর্ণ পুরুষত্বহীনতা ঘটতে পারে। ট্রাকশন ডিভাইসঃ পেরোনি’জ ডিজিজের আধুনিক চিকিৎসা হিসেবে বর্তমানে এক ধরনের ট্রাকশন ডিভাইস পাওয়া যায়। এটি স্কার টিস্যুর কাঠিন্যকে ঠিক করে দেয় এবং লিঙ্গকে সোজা করে। ট্রাকশন ডিভাইস চিকিৎসার সুবিধা হলো এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। এবং এটি ঘরে বসেই নেয়া যেতে পারে।

4670 views

Related Questions