নামাজ সম্পর্কে প্রশ্ন?

ইসলামের মতে কিভাবে নামাজ পড়া সঠিক।।  নাভীতে নাকি

বুকে হাত বাধা সঠিক।।। আমি মনে করি নামাজ তেলাওয়াত

, এক মন ইত্যাদি থাকলেই নামাজ সঠিক হবে  ।।।

বুকে/নাভীতে হাত বাধা কোন বড় বিষয় নয়।।  আর যদি 

হাত বাধার ব্যাপারে প্রশ্ন উঠে তাহলে কাদের নামাজ সঠিক

হচ্ছে ।  যদি বুকে হাত বাধা সঠিক হয় তাহলে কি যারা

নাভীতে  হাত বাধে তারা কি জান্মাতে যাবে না ।।।


2856 views

4 Answers

বুকে হাত বাধা সঠিক। ছেলে মেয়ের নামাজে কোন পার্থক্য নেই। আর যারা না বুঝে করেছে আল্লাহ তাদের হ্মমা করে দিবেন।

https://www.youtube.com/watch?v=bcDvuymITnQ
2856 views Answered
অনেকই নামাজে হাত বাধে নাভির উপরে অাবার
কেউ বুকে হাত বাধে,
হাত বাধার নিয়ম নাভির উপরে,
এখন অাপনি বুকে হাত বাধলেও নামাজ হবে,
তবে অাপনি  যে কোন একটি নিয়ম বেছে নিতে হবে,

নামাজ শিক্ষা অনেক বই এবং এ্যাপ অাছে দেখেনিতে পারেন।
তবে সহি নামাজ শিক্ষা app টির মধ্যে ছবি সহকারে 
দেওয়া অাছে।
2856 views Answered

আমি রাসেল ভাইয়ের সাথে একমত। আর জান্নাতে কে কিভাবে এবং কোন উছিলায় যাবে এটা আল্লাহ্‌ ব্যতীত কেউ বলতে পারেন না।

2856 views Answered

হানাফি মাজাহাব যদি অনূসরণ করেন তাহলে নাভির নিচে হাত বাধতে হবে। আর যদি অন্যসকল মাজাহাব এর অনূসারি হন তাহলে সেই সেই মাজাহাবের মত করে নামাজ আদায় করতে হবে।  আমরা অধিকাংশ হানাফি মাজাহাবের অনূসারি তাই নাভির নিছে হাত বেধে নামাজ পড়ি। আপনাকে আগে যেকোনো একটি মাজাহাব এর অনূসরন করতে হবে কারণ মাজাহাব মানা ফরজ।   

নামাজে বুকের উপর হাত বাধার কথা কোন সহিহ হাদীসে নেই, বরং নাভীর নীচে হাত বাধার কথা সহিহ হাদীস দ্বারা, সহিহ সুত্রে প্রমাণিত। 

হযরত আলী রা: বলেন, দুই হাত নাভীর নীচে বাধা অবস্হায় রাখা সুন্নত। আর সাহাবী থেকে কোন বর্ণনা সুন্নত হিসেবে ( মিনাস-সুন্নাহ ) বর্ণিত হলে , তা 'মরফু' তথা নবীজী থেকে প্রাপ্ত বলে সাব্যস্ত হয় ।  সুত্র : সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৭৫৬, মুসনাদে আহমাদ খন্ড -১, পৃষ্ঠা ১১০।  এ জন্যই চার মাজ হাবের কোনটিতেই বুকের উপর হাত বাধার কথা নেই ! চার মাজ হাবের সিদ্ধান্ত অনুসারে হাত বাধার বিধান :  ১। হানাফী মাজ হাবে হাত বাধা সুন্নত, এবং সেটা নাভীর নীচে ।  ২। শাফেয়ীদের নিকট হাত বাধা সুন্নত, আর নাভীর উপর ও বুকের নীচে বাধা মুস্তাহাব ।  ৩। মালেকিদের কাছে হাত না বেধে তা ছেড়ে দেওয়া মুস্তাহাব ।  ৪। হাম্বলীদের নিকট নাভীর নীচে বা নাভীর উপর উভয় স্হানেই হাত বাধা যাবে ।  আমাদের কিছু লা-মাজ হাবী তথা আহলে হাদীস দাবীদার ভাইয়েরা মুখে মুখে হাদীস মানার কথা বললেও , এ ক্ষেত্রে তারা সহিহ হাদীস মানতে নারাজ।  বুকে হাত বাধা সর্ম্পকে তনিটি রওেয়ায়তে আছে , তবে সবগুলোতে ‘কালাম ‘ ও আপত্তি রয়েছে ।  ১) হযরত ওয়ায়লে ইবনে হুজর (রা) এরহ হাদীস সহীহ মুসলমি -এ আছে তাতে ‘বুকরে উপর রাখা‘ এই অতিরিক্ত অংশ নইে । আল্লামা ইবনুল কাইয়িম ‘ইলামুল মুয়াককিয়ীন ‘- একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা উল্লেখ করেন যে “বুকের উপর নবীজী হাত রখেছেনে “ কথাটুকু মুয়াম্মল ইবনে ইসমাঈল নামী জনৈক রাবীর নজিস্ব বৃদ্ধি, যাকে ইমাম বুখারী (রহ: ) ‘মুনকারুল হাদীস‘ সাব্যস্ত করেছেন । তাছাড়া সুফিয়ান ছাওরী (রহ: ) এর অন্যান্য শাগরেদ তাদের বরণিত এই হাদীসে এই অংশটুকু উল্লেখ করেননি ।  ২. তাউসের মুরসাল রেওয়ায়েত, যা সুনানে আবুদাউদ -এ আছে এই সনদে সুলায়মান ইবনে মুসা একজন রাবী রয়ছেনে, যিনি মুত্যুর আগে স্মৃতশিক্তি লোপজনতি র্দুবলতায় পড়ছেলিনে। তাই তার হাদীস আর সহীহ থাকে নি।  ৩. হযরত হুলবের হাদীস , যার রাবী সীমাক ইবনে হারব । প্রথমত তিনি র্দুবল রাবী, দ্বতিীয়ত তার উস্তাদ ভাই ইমাম ওয়াকী ও আবুল আহওয়াস-এর রেওয়ায়েতে ‘বুকরে উপর হাত রাখা‘ এর উল্লখে নইে । তাই সীমাকের রেওয়ায়েত ‘শায‘ তথা বিচিত্র ।






2856 views Answered

Related Questions

Next steps