আমার এলার্জির কারনে অনেক চুলকায় আমি কি মলম ব্যাবহার করতে পারি?
4 Answers
এলার্জি নিরাময়ের ক্ষেত্রে যে কোন ফার্মেসি থেকে ....."পেভিসন"..... নামক মলমটি কিনে ব্যাবহার করুন। আশা করি খুব ভালো ফল পাবেন। আমি নিজেও এটা ব্যাবহার করেছি
১. চুলকানির স্থান প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। কোন অবস্থাতেই অপরিষ্কার থাকা যাবে না। গোসলের সময় জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে আক্রান্ত স্থান ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন, এবং অবশ্যই লক্ষ্য রাখুন সাবানটি যেন আপনার পরিবারের অন্য কোন সদস্য ব্যবহার না করে। নাহলে তারাও এতে আক্রান্ত হবে।
২. প্রতিদিন পরিষ্কার অন্তর্বাস ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে পরামর্শ হচ্ছে সপ্তাহের ৭ দিনের জন্য ৭টি অন্তর্বাস কিনে নিন। প্রতিদিন নতুন অন্তর্বাস পরুন। সম্ভব না হলে একদিন ব্যবহারের পরেই অন্তর্বাস ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখুন।৩. চুলকাবেন না। যত বেশি চুলকাবেন ততই তা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়বে। এছাড়া এটি আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে, ফলে জনসমক্ষে বিব্রতকর অবস্থায় পরতে হবে।
৪. আক্রান্ত স্থান যথা সম্ভব শুষ্ক রাখার চেষ্টা করুন
৫. সুতির অন্তর্বাস পরিধান করুন
৬. প্রতিদিন আক্রান্ত স্থানে এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম ব্যবহার করুন ফার্মেসিতে গিয়ে Lamisil, Lotrimin, Micatin, বা Monistat নামের ক্রিমের খোঁজ করুন। একই নামের না পেলেও একই কাজ করে এমন ক্রিম পেয়ে যাবেন। ক্রিমের গায়ে লেখা ব্যবহার বিধি অনুসরণ করুন।
দেহে চুলকানি কোন নতুন সমস্যা নয়। বিভিন্ন কারণেই দেহে চুলকানি হতে পারে। অনেক সময়ই আমাদের হাতে, পায়ে, পিঠে চুলকানি হয়। তা কোন শারীরিক অসুস্থতা ছাড়াই হতে পারে কোন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ যা আমরা হাত দিয়ে চুলকালেই সেরে যায়। তবে অন্যান্য ধরণের কিছু চুলকানি হয়ে থাকে যেমন, এলার্জি, মশার কামড় কিংবা যেকোন পোকার কামড়, শরীরে কোন জায়গায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামণ, হাত পা ছিলে গেলে তা শুকানোর সময়ও চুলকানি হয়ে থাকে। আর এই সমস্যাগুলোতে হাত দিয়ে চুলকিয়েই আরাম পাওয়া যায়না। বেশি সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখাতে হয় কিংবা ঘরোয়া উপায়েও সারিয়ে তোলা যায়। তাই যে কোন রকমের চুলকানি সারিয়ে তুলতে আপনি সাহায্য নিতে পারেন প্রাকৃতিক কিছু জিনিসের। চলুন জেনে নিই জিনিস গুলো ও তার ব্যবহার সম্পর্কে।
লেবু
ভিটামিন সি তে ভরপুর লেবু যে কোন চুলকানি খুব সহজেই দূর করে দেয়। বিশেষ করে লেবুর ভোলাটাইল তেল শরীরের যেকোন রকমের চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে থাকে। লেবু টুকরা করে কেটে নিয়ে চুলকানির স্থানে কিছুক্ষণ ঘষুন দেখবেন চুলকানি কবে যাবে।
পেট্রোলিয়াম জেলি
যদি আপনার ত্বক খুব নাজুক হয়ে থাকে তাহলে খুব সহজেই পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন কারণ এর কোন বিপরীত প্রতিক্রিয়া নেই এবং এই জেলিতে কোন ধরণের বিষাক্ত পদার্থ নেই যা আপনার ত্বকের ক্ষতি করবে। তাই শরীরের কোন অংশে চুলকানি হলে আপনি পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন।
অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে মশ্চারাইজিং ক্ষমতা। এবং এটি আমাদের ত্বকের জন্য খুব ভালো। শরীরের যেকোন জায়গায় চুলকানি হলে অ্যালোভেরা কেটে এক টুকরা নিয়ে সেখানে ঘষুন চুলকানি চলে যাবে।
তুলসী পাতা
কর্পূর সমৃদ্ধ তুলসী পাতা ত্বকের যেকোন ধরণের জ্বালা পোড়া ও চুলকানি তামাতে সহায়তা করে। কয়েকটি তুলসী পাতা নিয়ে ধুয়ে নিন তারপর যেখানে চুলকানি হয়েছে সেখানে পাতা গুলো কিছুক্ষণ ঘষুন। অথবা কিছু তুলসী পাতা পানিতে দিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি বরফ করুন এবং চুলকানি স্থানে ঘষুন।
তথ্য সূত্রঃ thehealthsite.com
আপনি ডাক্তারের পরামর্শে ফাঙ্গিসন ক্রিম ব্যবহার করুন|আক্রান্ত স্থান চুলকানো থেকে বিরত থাকবেন|পরিষ্কার ও সূতি অন্তর্বাস ব্যবহার করবেন| এলার্জী জাতীয় খাদ্য এড়িয়ে চলুন|চুলকানী বাড়তে থাকলে চর্মরোগ ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন|
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy