2 Answers
বয়স বাড়লে চুল পাকবে , এটা স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের চুল তরুণ কিংবা যুবক বয়সেই ‘পেকে’ যায়। চুলের এই দ্রুত ‘পাক’ ধরার কারণ স্বাস্থ্যগত।
মেইল অনলাইনের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে অপরিণত বয়সে চুল পেকে যাওয়ার কারণ। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও নানাবিধ অশান্তির কারণে মানুষের চুল পেকে যেতে পারে। শরীরের অতিরিক্ত অ্যাড্রেনালিন হরমোন এ জন্য দায়ী। অ্যাড্রেনালিন হচ্ছে বৃক্কীয় গ্রন্থি-নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন। সাধারণত মানুষ ভীত বা রাগান্বিত হলে অ্যাড্রেনালিন হরমোন মানুষকে শান্ত ও স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। তবে অত্যধিক মানসিক চাপ বা অশান্তির সময় এ হরমোনের কারণে মানুষের চুলের রং পরিবর্তিত হয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা অ্যাড্রেনালিন হরমোন কীভাবে মানুষের শরীরে ব্যাপক ক্ষতি করে তা বের করতে কাজ করছেন। আশা করা হচ্ছে, গবেষকেরা শিগগিরই এ ব্যাপারে আমাদের আশার বাণী শোনাতে পারবেন। বের করতে পারবেন কীভাবে অ্যাড্রেনালিন হরমোনের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে মানুষের নিজেকে রক্ষা করার উপায়। তখন হয়তো, মানুষের চুলও বুড়ো হওয়ার আগেই আর পেকে যাবে না।
১) হরতকি গুঁড়া ১ চা চামচ, মেহেদি পাতা বাটা ২ চা চামচ এবং আধাকাপ নারকেল একসঙ্গে মেশাতে হবে। এরপর ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করে নিন। পুরোপুরি ঠাণ্ডা হলে চুলে লাগিয়ে ২ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে অসময়ে চুল পাকা অনেকটাই কমে যাবে।
অথবা
আপনি একজন হেয়ার ত্বক বিশেষজ্ঞের
পরামর্শ গ্রহন করতে পারেন।
কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে অকালপক্কতার হাত থেকে রেহাই মিলতে পারে। পুষ্টিকর খাদ্য - চুলের স্বাভাবিক কালো রং ধরে রাখতে পুষ্টিকর আহার জরুরি। শরীরে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা দিলে চুল পাকতে শুরু করে। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ খাদ্য খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন - গমের আটা থেকে তৈরি খাবার, দই, সবুজ শাকসবজি। মেডিটেশন - অকালপক্কতার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত মানসিক চাপ। ঘরে, বাইরে অতিরিক্ত টেনশন বাড়লে অকালে চুল পেকে যেতে পারে। বেশি চিন্তাভাবনা করলেও চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন সময় ধরে যোগব্যায়াম করুন। মাথা ঠান্ডা রাখুন। মনকে শান্ত রাখার সবচেয়ে উপকারী দাওয়াই মেডিটেশন। নিয়মিত ১০ মিনিট ধ্যান করুন। মাথার একটিও চুল পাকবে না। নিয়মিত শারীরিক কসরত - নিয়মিত শারীরিক কসরত করলে সুস্থ শরীর লাভ করা যায়। পাশাপাশি অকালপক্কতার হাত থেকেও মুক্তি মেলে। শারীরিক কসরতের কারণে মাথার স্কাল্পে রক্ত চলাচল স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে শুরু করে। চুলের বৃদ্ধি ঠিকমতো হয়। চুল পড়া, চুল পাকা থেমে যায়। তাই চুলের স্বার্থে প্রতিদিন শারীরিক কসরত প্রয়োজন। সঠিক পরিচর্যা - অকালপক্কতা রুখতে চুলের সঠিক পরিচর্যা একান্ত জরুরি। চুলের যত্ন না নিলে চুল ঝরবে তো বটেই, সাদাও হয়ে যাবে। তাই চুলের সঠিক দেখভালের জন্য প্রতিদিন মাথায় তেল লাগানো উচিত। জল পান - এসবের সঙ্গে প্রয়োজন পর্যাপ্ত জল পান। সঠিক পরিমাণে জল খেলে শরীরে টক্সিনের মাত্রা ঠিক থাকে। সুস্থ শরীর লাভ করা যায়। এগুলি মেনে চললে অকালপক্কতার হাত থেকেও নিস্তার মেলে।