2 Answers
া। চুল উঠে যাওয়া বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়া খুব কমন একটা ব্যাপার। চুল পড়ার কারণ : অতিরিক্ত ক্ষয় ও চুলে নানারকম নিম্নমানের কেমিক্যাল ব্যবহারের ফলে চুল দুর্বল হয়ে যায়। তা ছাড়া নানারকম দূষণ, মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণ এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন; নানারকম অসুখ কিংবা ব্যক্তিগত কারণে বর্তমানে অনেক রকম বয়সীর চুল ঝরে যাচ্ছে। কিংবা যাদের টাক নিয়ে সমস্যা আছে তারা বেশির ভাগই নিচের কতগুলো সমস্যায় ভোগেন_ ১. চুলের গোড়ায় ময়লা জমে। ২. এক দিন চুল শ্যাম্পু না করলে তেল তেল ভাব হয়। ৩. মাথা চুলকায়। ৪. চুলের গোড়ায় ছোট ছোট গোটা এবং ব্যথা হয়। ৫. সাদা সাদা খুশকির গুঁড়া দেখা যায়। ৬. চুলের আগা দ্বিখ-িত হয়ে যায় বা ফেটে যায় আবার অনেক সময় চুলের মাঝখান থেকে ভেঙে যেতে দেখা যায়। ৭. চুলে রুগ্নভাব থাকে। ৮. চুল লালচে আকার ধারণ করে। ৯. দীর্ঘদিন চুলে সমস্যা থাকলে চুল বাড়ার ক্ষমতা ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে। তা ছাড়া শরীরের বায়ু কুপিত হয়ে ঊর্ধ্বমুখে ধাবিত হলে মাথায় ওপরে চুলের কোষ থেকে ঘাম নির্গত হয়। লক্ষণ প্রাথমিক অবস্থায় চুলের কোষের ওপর আমরা খুশকি বলে মনে করি। আসলে তা এক ধরনের ফাঙ্গাস। প্রথমে হালকা হালকা চুলকায়। চুলে শ্যাম্পু করতে তা পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার কারণে আর চুলকায় না। চুলের যখন ইলাস্টিক মাসেল নষ্ট হয়ে যায় তখন মাথা চুলকালে হাতের নখের সঙ্গে পুঁজ বা ভাতের মারের মতো ময়লা নখের মধ্যে চলে আসে। মাথায় গরমের সময় ঘামে ভিজে কাদা কাদার মতো তৈরি হয়। মাথা পরিষ্কার না রাখলে মাথা থেকে তেল বের হয়। ফলে মাথা থেকে প্রচ- ঘাম বের হয়। কিছু দিন পরে চুল যেখান থেকে পড়ে সেখানে আর গজায় না। দ্রুত চুল সাদা বা ফেকাসে হয়ে যায়। অনেকের পেছনের অংশে চুল দ্রুত বাড়ে আর সামনের অংশে চুল গজায় না। মাথার যেখান থেকে চুল পড়ে সেই অংশ থেকে প্রচ- তাপ বের হয়। টাক হয়ে গেলে টাক অংশে জ্বালা-পোড়া ভাব থাকে। যাদের টাক হয় তাদের মুখম-লের রং ধীরে ধীরে কালচে ধরনের হয়ে যায়। চিকিৎসা যাদের চুল পড়ে যাচ্ছে বা টাক মাথায় চুল সংরক্ষণের কিছু উপায় নিচে দেয়া হলো_ ১. তেতো ঝিঙ্গের পাতা টাকের ওপর ঘষলে উপকার পাওয়া যাবে। ২. প্রাথমিক টাকে ধুতরাপাতা বেটে চুলে দিলে চুল গজায়। ৩. আমলকী ও আম গাছের কচিপাতা একসঙ্গে পিষে মাথায় মাখলে চুল ওঠা বন্ধ হয় ও চুলের গোড়া শক্ত হয়। ৪. যষ্টিমধু, পুদিনাপাতা, তিল, ঘি একত্রে পিষে দুধ মিশিয়ে মাথায় মাখলে চুল ওঠা বন্ধ হয়। ৫. হাতির দাঁতের পোড়া ছাই ও সুরমা একত্রে পানির সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে টাকে প্রলেপ দিলে চুল গজায়। প্রলেপটা মাথায় ৫-৬ ঘণ্টা রাখতে হবে। সপ্তাহে ১-২ দিন এভাবে ১ মাস দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ৬. বট গাছের ফল পানিতে প্রায় ২০-২৫ মিনিট সিদ্ধ করে পানিটা ঠা-া করে মাথায় চুলের গোড়ায় দিলে চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। সপ্তাহে ২-৩ দিন করে ১ মাস লাগালে উপকার যাওয়া যায়। ৭. শিকাকাই, মেথি, একানী রাতে ভিজিয়ে পেস্ট করে মাথায় লাগালে চুলের গোড়া শক্ত হয়। ৮. গুল পানিতে সিদ্ধ পানি একটি পাতলা কাপড় দিয়ে ছেঁকে তুলা দিয়ে মাথায় লাগালে মাথার খুশকি কমে যাবে এবং চুল পড়াও কমে যাবে। চুল পড়া বন্ধ করতে নিজে সচেতন হোন। অল্প থাকতেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। মাথা টাক হওয়া থেকে বাঁচুন এবং অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ করে নিজেকে সুন্দর করে সাজান। ডা. তাসলিমা আক্তার আয়ুর্বেদিক স্কিন হেলথ অ্যান্ড হেয়ার ট্রিটমেন্ট সেন্টার হারবালিস্ট অ্যান্ড বিউটি কনসালট্যান্ট
দিনে 100 পর্যন্ত চুল পড়া সাভাবিক!!!
এটি চিকিত্সা বিজ্ঞানীদের কথা।
১. প্রোটিনঃ
পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন – আমাদের চুল মূলত কেরাটিন দিয়ে গঠিত। এটি অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি এক ধরণের প্রোটিন। তাই নতুন চুল গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে। মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন। সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন। তবে নন-ভেজিটেরিয়ান খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।
০২. আয়রন আর জিঙ্কঃ
আয়রন আর জিঙ্ক আপনার মাথার কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে নিতে সহায়তা করবে আর নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষয়রোধে সহায়তা করবে। পরিমিত পরিমাণে আয়রন আর জিঙ্ক নতুন এবং দ্রুত চুল গজানোর জন্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান।
০৩. ভিটামিন সিঃ
পেয়ারা, লেবু, কমলা, আনারস, কামরাঙা, কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক।
০৪. কালোজিরাঃ
কালোজিরা নতুন চুল গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার খুব ভালো ফল দেয়।