আমার লিঙ্গের রং ফর্সা ছিলো ছোটবেলা,,,,,কিন্তু এখন কালো হয়ে গেছে,,,আমি প্রচুর হস্তমৈথুন করতাম,,,এবং সরিষার তেল লিঙ্গে ব্যাবহার করতাম,,,এজন্য যদি লিঙ্গ কালো হয়ে যায়,,তাহলে কি ফর্সা করার কোনো উপায় আছে,,,থাকলে বলেন,,,

4475 views

2 Answers

পেনিস কালো নিয়ে টেনশন

করবেন না।

জেনে রাখুন যে লিঙ্গ ফর্সা করার কোন নিরাপদ পদ্ধতি এখওনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি।

কাজে কাজেই টিভি বা খবরের কাগজে যৌনাঙ্গ ফর্সা করার বিজ্ঞাপন দেখে ওই ধরনের কোন ঔষধ বা ক্রীম কিনবেন না।

কারণ তাহলে যে শুধু পয়সা নষ্ট হবে তাই নয়, উল্টে লিঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।

কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ত্বকের রঙ ফর্সা করার

ইচ্ছে ও সেই সংক্রান্ত অজ্ঞতাকে কাজে

লাগিয়ে এইভাবে বহু টাকা উপার্জন করে। 

ওই ধরনের বিজ্ঞাপন থেকে সাবধান। নিজের

যৌনাঙ্গের রঙ নিয়ে একদম লজ্জাবোধ

করবেন না।

আপনার সত্যিকারের মনের মানুষ

কখওনই যৌনাঙ্গের রঙ দেখে আপনারর সঙ্গ

ত্যাগ করবে না।

আর যদি সে সত্যিই

 মনের মানুষর

গায়ের রঙ ফর্সা হলেও তার যৌনাঙ্গের রঙ

গাঢ় হবার সম্ভাবনাই বেশি।

তাই মনে হয় না

 সে  রঙ নিয়ে কিছু মনে করবে।

যৌনাঙ্গ বা সামগ্রিকভাবে ত্বকের রঙ ফর্সা

করার ইচ্ছে বস্তুতপক্ষে একটি বিকৃত

মানসিকতা যা বিজ্ঞাপনের দৌলতে আমাদের

মাথায় গেড়ে বসেছে। ওইসব বিজ্ঞাপন

 আসলে অসৎ উপায়ে টাকা রোজগারের

একটি রাস্তা মাত্র।

4475 views

পৃথিবীর অধিকাংশ নর-নারীর যৌনাঙ্গ ও তার নিকটবর্তী অঞ্চলের রঙ শরীরের বাকি অংশের তুলনায় খানিকটা গাঢ় হয়। এটা একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা। তাই তোমার যৌনাঙ্গের রঙ মুখের তুলনায় কিছুটা কালো মনে হলেও সেটা নিয়ে চিন্তিত হবার কোন কারণ নেই। নিজের যৌনাঙ্গের রঙ নিয়ে একদম লজ্জাবোধ করবে না। তোমার সত্যিকারের মনের মানুষ কখওনই তোমার যৌনাঙ্গের রঙ দেখে তোমার সঙ্গ ত্যাগ করবে না। আর যদি সে সত্যিই তোমার যৌনাঙ্গের রঙ দেখে কষ্ট পায় তবে তৎক্ষণাৎ সেই মনের মানুষের সঙ্গ তোমার ত্যাগ করা উচিৎ। মনে রেখ তোমার মনের মানুষর গায়ের রঙ ফর্সা হলেও তার যৌনাঙ্গের রঙ গাঢ় হবার সম্ভাবনাই বেশি। তাই মনে হয় না সে তোমার রঙ নিয়ে কিছু মনে করবে। বিভিন্ন পর্নোগ্রাফী মুভিতে খুব ফর্সা চকচকে যৌনাঙ্গযুক্ত নর- নারীর ছবি দেখানো হয়। ওইগুলোর অধিকাংশই কিন্তু মেক- আপের ফসল। কাজেই ওইসব দেখে যৌনাঙ্গের রঙ ফর্সা করতে বেশি আগ্রহান্বিত হওয়া একেবারেই অনুচিৎ। তবে যৌনাঙ্গ ও তার নিকটবর্তী অঞ্চল নিয়মিত পরিষ্কার করলে এমনিতেই যৌনাঙ্গ দেখতে ভাল লাগবে (তোমার ভাল না লাগলেও বিশ্বাস কর তোমার মনের মানুষের অবশ্যই ভাল লাগবে)। তবে ওখানের লোম খুব বেশি কামালে (shaving) কিন্তু ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সব থেকে ভাল হচ্ছে ট্রিমিং করা। যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য সাবান ব্যবহার করা ঠিক নয়। শুধু জল দিয়ে, বা হালকা গরম জল দিয়ে যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করাই সব থেকে ভাল উপায়। প্রয়োজন হলে জলে অল্প লবন মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। যদি খুবই ইচ্ছে করে তবে মাইল্ড সাবান যার pH মান 7 এর কাছাকাছি, ব্যবহার করতে পার। লিঙ্গের অগ্রভাগ (লিঙ্গমুন্ড), মূত্রছিদ্র, যোনি পথ, যোনিদ্বার এবং পায়ু – এইসব অঞ্চলের মিউকাস পর্দা সাবান ব্যবহারের ফলে ড্রাই হয়ে যায়। দীর্ঘদিন এমন হতে থাকলে নানান সমস্যা যেমন চুলকানি, যন্ত্রনা, জীবাণু সংক্রমণ, মলদ্বারের ত্বক ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হতে পারে। উপরন্তু ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের ভারসাম্য সাবান ব্যবহারের ফলে বিঘ্নিত হয়, যার থেকে যৌনাঙ্গে ব্যালানাইটিস, ক্যান্ডিডায়াসিস, ভ্যাজিনাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্যেই উপরে বর্ণিত অঞ্চলে সাবান ব্যবহার না করতে বলা হয়। তবে যৌনাঙ্গের আশেপাশের অঞ্চলে সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যেন সাবান জল লিঙ্গের অগ্রভাগ, যোনিদ্বার, যোনি বা পায়ুতে না পৌঁছয়। আর সাবান কেনার সময় অবশ্যই দেখে নেবে সেটা যেন মাইল্ড সাবান হয়। আর হ্যাঁ, ওই অঞ্চলে পারফিউম, ডিওড্র্যান্ট বা ট্যালকম পাউডার একেবারেই ব্যবহার করবে না। ফর্সা করার জন্য ত্বক কখওনই ব্লীচ ( to lighten skin ) করবে না। হার্বাল ক্রিম ও প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপাচার থেকেও সাবধান। যদি যৌনাঙ্গের রঙ হঠাৎ করে পরিবর্তিত হয় তবে সেটা কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষত যদি যৌনাঙ্গ দিয়ে দুর্গন্ধ বের হয়, বা ওখানে চুলকানি বা এলার্জি হয়, ব্যাথা হয়, জ্বালা করে, পুজ বের হয় ইত্যাদি, তবে অতি অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিৎ।

4475 views

Related Questions