অামি অার অামার gf দুজনে অামরা ফোনে বিয়ে করেছি অাল্লাহকে সাক্ষিরেখে,অার কেউ ছিলো না,,দুজনেই তিনবার "কবুল'' বলে বিয়ে করেছি,,,এটা কে কি বিয়ে বলা যায়& এটা কি বিয়ে হইছে???
3266 views

2 Answers

এখানে কয়েকটা ব্যাপার স্পষ্ট হয়নি। আপনার বয়ষ কত, আপনার প্রেমিকার বয়ষ কত, দু'জনের বিয়ের বয়ষ হয়েছে কিনা, আপনি কি করেন, এছাড়াও আরো অনেক কিছু জানার আছে। ধরে নিলাম আপনারা দু'জনই বিয়ের উপযুক্ত। বিয়ে-সাদি মানুষের জীবনে অনেক কঠিন একটা সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে সামাজিকতা এবং ধর্মীয় বিধান দুটাই মেনে চলতে হয়। কারন, বিবাহিত লাইফ দুই দিনের নয়, মৃত্যুর আগ পর্যন্তের। সুতরাং এই ব্যাপারটা হওয়া চাই শক্ত এবং নিখুঁত। আপনার ইমোশনাল মূহুর্তের কথাবার্তা ও সিদ্ধান্ত ধ্বংস করে দিতে পারে অন্য জনের জীবন যার প্রভাব আপনার জীবনকেও স্পর্শ করবে। আপনার প্রশ্নের সোজা উত্তর হচ্ছে_ এই বিয়ে কোন ভাবেই সম্পন্ন হয়নি। বরং এটি একটি সামাজিক অপরাধ এর দিকে গড়াচ্ছে। আপনি নিজেকে বিয়ের উপযুক্ত ও যোগ্য মনের করলে আপনার অভিভাবকদের অবগত করুন। তারাই এই ব্যাপারটার সহজ এবং সুন্দর সমাধান দিতে পারেন। :)

3266 views
ইসলামী শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য কিছু মৌলিক শর্ত রয়েছে। শর্তগুলোর কোনো একটি অনুপস্থিত হলেই বিবাহ অশুদ্ধ হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মৌলিক শর্ত হচ্ছে-

১. বর-কনের ইজাব কবুল (প্রস্তাব দান-প্রস্তাব গ্রহণ) প্রক্রিয়া দুজন পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুজন নারী সাক্ষীর সম্মুখে সম্পন্ন হওয়া। ইজাব যেসব সাক্ষীর সাম্মুখে হবে কবুল ঠিক সেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতেই সম্পন্ন হতে হবে।

২. সাক্ষীদের বর-কনের ইজাব-কবুল সরাসরি শুনতে হবে।

৩. ইজাব ও কবুল একই বৈঠকে সম্পন্ন হতে হবে।

৪. ইজাব-কবুল উভয় সাক্ষীর একসঙ্গে শুনতে হবে।

আপনাদের বিবাহের মাঝে উপরোক্ত চারটি শর্তের কোনো একটিও পাওয়া যায় নি। সুতরাং ইসলামী শরীয়া মতে আপনাদের বিবাহকে বিবাহ বলা যায় না। এবং এ বিবাহ শুদ্ধও হয় নি। আর আল্লাহকে সাক্ষি রেখে কোনো বিবাহ করলে বিবাহ শুদ্ধ হয় না। উপরন্তু এ ধরনের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে আল্লাহর সাক্ষ্যকে ব্যবহার করা একটি গর্হিত কাজ। আর উভয় পক্ষ কবুল বললে হবে না; এক পক্ষকে ইজাব তথা বিবাহের প্রস্তাব করতে হবে এবং অপর পক্ষকে কবুল বলতে হবে। এবং কবুল তিনবার বলারও কোনো বিধান নেই। সবাই শুনতে পায় এমন শব্দে একবার কবুল বলবে। সূত্র, ফাতাওয়া শামী বিবাহ অধ্যায়।

শরয়ি দৃষ্টিকোণে বিবাহ সহিহ হওয়ার জন্য কিছু মৌলিক শর্ত রয়েছে। যেগুলোর কোনো একটি শর্তের অনুপস্থিতি শরিয়ত মোতাবেক নিকাহ অশুদ্ধ হয়ে যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মৌলিক শর্ত হচ্ছে-

১. বর-কনের ইজাব কবুল দুজন যোগ্য সাক্ষীর সামনে সম্পাদন হওয়া। ইজাব যেসব সাক্ষীর সামনে হবে কবুল, ঠিক সেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতেই হতে হবে।

২. সাক্ষীদ্বয় বর-কনের ইজাব-কবুল সরাসরি শুনতে হবে।

৩. ইজাব ও কবুল একই মজলিসে (বৈঠকে) সম্পাদন হওয়া আবশ্যক।

৪. ইজাব-কবুল উভয় সাক্ষীর একসঙ্গে শুনতে হবে।

পর্যালোচনা

উল্লিখিত শর্তের আলোকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আলোচিত যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কোনো একটিতেও বিবাহ সহিহ হওয়ার প্রথম শর্তটি পাওয়া যায় না। কারণ সাক্ষীদের উপস্থিতি কনের সঙ্গে হলে বরের সঙ্গে নেই আর বরের সঙ্গে হলে কনের সঙ্গে নেই। প্রত্যেকের সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সাক্ষী উপস্থিত থাকলে শরিয়তে তা অগ্রহণযোগ্য।

উল্লিখিত দ্বিতীয় শর্তটি যোগাযোগমাধ্যমের চতুর্থ প্রকার ছাড়া প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রকারে পাওয়া গেলেও প্রথম শর্তটি না থাকায় তা-ও অকার্যকর।

তৃতীয় শর্তটি উল্লিখিত যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কোনোটিতে পাওয়া সম্ভব নয় বিধায় এগুলোতে বিবাহ সম্পাদন শরিয়ত মোতাবেক কোনোভাবেই শুদ্ধ হবে না।

রয়ে গেল চতুর্থ শর্তটি, এটির অস্তিত্ব শুধু দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রকারের যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া যায়। তবে এটিও অর্থহীন হয়ে যায় উল্লিখিত প্রথম ও তৃতীয় শর্তটির অনুপস্থিতির কারণে।

প্রথম প্রকারের মোবাইল ফোনে সাক্ষীদের পক্ষে পর্যায়ক্রমে ইজাব-কবুল শোনা সম্ভব হলেও সবার পক্ষে একসঙ্গে শোনা অসম্ভব। আর চতুর্থ প্রকারের বিষয়টি স্পষ্ট।

উল্লিখিত পর্যালোচনার দ্বারা এ কথা স্পষ্ট হয়, উল্লিখিত প্রথম তিন প্রকারের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্পাদিত বিয়ে শরিয়তের বিধানানুযায়ী অশুদ্ধ এবং নাজায়েয প্রথম ও তৃতীয় শর্তটির অনুপস্থিতির কারণে।

আর চতুর্থ প্রকার যোগাযোগমাধ্যমে বিবাহ জায়েজ না হওয়ার কারণ সব কয়টি শর্তের অনুপস্থিতি।

শরয়ি দৃষ্টিকোণে বিবাহ সহিহ হওয়ার জন্য কিছু মৌলিক শর্ত রয়েছে। যেগুলোর কোনো একটি শর্তের অনুপস্থিতি শরিয়ত মোতাবেক নিকাহ অশুদ্ধ হয়ে যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মৌলিক শর্ত হচ্ছে-

১. বর-কনের ইজাব কবুল দুজন যোগ্য সাক্ষীর সামনে সম্পাদন হওয়া। ইজাব যেসব সাক্ষীর সামনে হবে কবুল, ঠিক সেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতেই হতে হবে।

২. সাক্ষীদ্বয় বর-কনের ইজাব-কবুল সরাসরি শুনতে হবে।

৩. ইজাব ও কবুল একই মজলিসে (বৈঠকে) সম্পাদন হওয়া আবশ্যক।

৪. ইজাব-কবুল উভয় সাক্ষীর একসঙ্গে শুনতে হবে।

পর্যালোচনা

উল্লিখিত শর্তের আলোকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আলোচিত যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কোনো একটিতেও বিবাহ সহিহ হওয়ার প্রথম শর্তটি পাওয়া যায় না। কারণ সাক্ষীদের উপস্থিতি কনের সঙ্গে হলে বরের সঙ্গে নেই আর বরের সঙ্গে হলে কনের সঙ্গে নেই। প্রত্যেকের সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সাক্ষী উপস্থিত থাকলে শরিয়তে তা অগ্রহণযোগ্য।

উল্লিখিত দ্বিতীয় শর্তটি যোগাযোগমাধ্যমের চতুর্থ প্রকার ছাড়া প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রকারে পাওয়া গেলেও প্রথম শর্তটি না থাকায় তা-ও অকার্যকর।

তৃতীয় শর্তটি উল্লিখিত যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কোনোটিতে পাওয়া সম্ভব নয় বিধায় এগুলোতে বিবাহ সম্পাদন শরিয়ত মোতাবেক কোনোভাবেই শুদ্ধ হবে না।

রয়ে গেল চতুর্থ শর্তটি, এটির অস্তিত্ব শুধু দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রকারের যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া যায়। তবে এটিও অর্থহীন হয়ে যায় উল্লিখিত প্রথম ও তৃতীয় শর্তটির অনুপস্থিতির কারণে।

প্রথম প্রকারের মোবাইল ফোনে সাক্ষীদের পক্ষে পর্যায়ক্রমে ইজাব-কবুল শোনা সম্ভব হলেও সবার পক্ষে একসঙ্গে শোনা অসম্ভব। আর চতুর্থ প্রকারের বিষয়টি স্পষ্ট।

উল্লিখিত পর্যালোচনার দ্বারা এ কথা স্পষ্ট হয়, উল্লিখিত প্রথম তিন প্রকারের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্পাদিত বিয়ে শরিয়তের বিধানানুযায়ী অশুদ্ধ এবং নাজায়েয প্রথম ও তৃতীয় শর্তটির অনুপস্থিতির কারণে।

আর চতুর্থ প্রকার যোগাযোগমাধ্যমে বিবাহ জায়েজ না হওয়ার কারণ সব কয়টি শর্তের অনুপস্থিতি।

- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/dhormo/2014/04/11/71661#sthash.L4BVu7SD.dpuf

শরয়ি দৃষ্টিকোণে বিবাহ সহিহ হওয়ার জন্য কিছু মৌলিক শর্ত রয়েছে। যেগুলোর কোনো একটি শর্তের অনুপস্থিতি শরিয়ত মোতাবেক নিকাহ অশুদ্ধ হয়ে যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মৌলিক শর্ত হচ্ছে-

১. বর-কনের ইজাব কবুল দুজন যোগ্য সাক্ষীর সামনে সম্পাদন হওয়া। ইজাব যেসব সাক্ষীর সামনে হবে কবুল, ঠিক সেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতেই হতে হবে।

২. সাক্ষীদ্বয় বর-কনের ইজাব-কবুল সরাসরি শুনতে হবে।

৩. ইজাব ও কবুল একই মজলিসে (বৈঠকে) সম্পাদন হওয়া আবশ্যক।

৪. ইজাব-কবুল উভয় সাক্ষীর একসঙ্গে শুনতে হবে।

পর্যালোচনা

উল্লিখিত শর্তের আলোকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আলোচিত যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কোনো একটিতেও বিবাহ সহিহ হওয়ার প্রথম শর্তটি পাওয়া যায় না। কারণ সাক্ষীদের উপস্থিতি কনের সঙ্গে হলে বরের সঙ্গে নেই আর বরের সঙ্গে হলে কনের সঙ্গে নেই। প্রত্যেকের সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সাক্ষী উপস্থিত থাকলে শরিয়তে তা অগ্রহণযোগ্য।

উল্লিখিত দ্বিতীয় শর্তটি যোগাযোগমাধ্যমের চতুর্থ প্রকার ছাড়া প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রকারে পাওয়া গেলেও প্রথম শর্তটি না থাকায় তা-ও অকার্যকর।

তৃতীয় শর্তটি উল্লিখিত যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কোনোটিতে পাওয়া সম্ভব নয় বিধায় এগুলোতে বিবাহ সম্পাদন শরিয়ত মোতাবেক কোনোভাবেই শুদ্ধ হবে না।

রয়ে গেল চতুর্থ শর্তটি, এটির অস্তিত্ব শুধু দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রকারের যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া যায়। তবে এটিও অর্থহীন হয়ে যায় উল্লিখিত প্রথম ও তৃতীয় শর্তটির অনুপস্থিতির কারণে।

প্রথম প্রকারের মোবাইল ফোনে সাক্ষীদের পক্ষে পর্যায়ক্রমে ইজাব-কবুল শোনা সম্ভব হলেও সবার পক্ষে একসঙ্গে শোনা অসম্ভব। আর চতুর্থ প্রকারের বিষয়টি স্পষ্ট।

উল্লিখিত পর্যালোচনার দ্বারা এ কথা স্পষ্ট হয়, উল্লিখিত প্রথম তিন প্রকারের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্পাদিত বিয়ে শরিয়তের বিধানানুযায়ী অশুদ্ধ এবং নাজায়েয প্রথম ও তৃতীয় শর্তটির অনুপস্থিতির কারণে।

আর চতুর্থ প্রকার যোগাযোগমাধ্যমে বিবাহ জায়েজ না হওয়ার কারণ সব কয়টি শর্তের অনুপস্থিতি।

- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/dhormo/2014/04/11/71661#sthash.L4BVu7SD.dpuf
3266 views

Related Questions