2 Answers

image

এক বছর পূর্ণ হলে শিশুকে ২৫০ গ্রাম খাবার দিনে তিনবার খাওয়ানো শুরু করুন। সঙ্গে পুষ্টিকর নাশতা দিতে হবে দিনে দুবার। এই বয়সে শিশুর দাঁত উঠতে শুরু করে। তাই খাবরগুলো কিছুটা বড় বড় টুকরো করে দিন। এতে শিশু চিবিয়ে খেতে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে। মনে রাখুন, খাওয়া একটি শেখার প্রক্রিয়া। শিশুর সুন্দর খাদ্যাভ্যাস তৈরি করতে শারীরিক বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই খাবারের ধরন ও পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে চেষ্টা করুন। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার না দিয়ে বৈচিত্র্য আনতে চেষ্টা করুন। বিভিন্ন আকার, ঘনত্ব, স্বাদ ও রঙের খাবার দিন শিশুকে। ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের খাবারে শিশুর জিহ্বার স্বাদ গ্রন্থিগুলো সচল হতে শুরু করে এবং শিশুরা সহজেই নানা স্বাদের খাবারে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। ১১-২৩ মাস বয়সের মধ্যে শিশুকে নিজের হাতে খাওয়ায় ব্যাপারে পুরোপুরি অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। দুই বছর বয়স থেকে শিশু যেন সব খাবার নিজ হাতে পরিবারের সবার সঙ্গে বসে খেতে পারে। দুই বছর পর্যন্ত অবশ্যই শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে।

2527 views

১২ থেকে ২৩ মাস পূর্ণ বয়সী শিশুর জন্য- শিশুকে নিজে নিজে খেতে উৎসাহ দিতে হবে । প্রতিদিন মাছ বা ডিম বা মুরগির কলিজা বা মাংস + ঘন ডাল+ শাক+ হলুদ সবজি ও ফল + তেলে ভাজা খাবার দিতে হবে। ২৫০ মিলিলিটার বাটির ১ বাটি করে দিনে ৩ বার এবং ১-২ বার পুষ্টিকর নাস্তা দিতে হবে । দুই বছর পর্যন্ত বু‌কের দুধ খাওয়া‌তে হ‌বে। খাবার তৈরির এবং খাওয়ানোর আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে । শিশু যারা খেতে চায় না – যখন খিদা পাবে তখন খাওয়াবেন। বিভিন্ন ধরনের খাবার দিতে হবে কারণ একই ধরনের খাবার বার বার দিলে সে খাবে না । জুস , পানি, চকলেট, চিপস জাতীয় খাবার দিয়ে শিশুর পেট ভরাবেন না। উৎসাহ দিয়ে ও প্রশংসা করে খাওয়াতে হবে। সময় নিয়ে খাওয়াতে হবে। শিশুকে তার পছন্দের পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। কখনই জোর করা যাবে না।

2527 views

Related Questions