স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর উপায় জানা থাকলে জানাবেন প্লিজ?

আমি যে কোন একটা পড়া খুব ভালো করে পড়লেও সেটা কয়েকদিনেই ভুলে যাচ্ছি..যতোই চেষ্ঠা করি,পড়াটা মনে রাখতে পারি না...প্লিজ এ থেকে মুক্তির সঠিক উত্তরটা দিবেন
2875 views

6 Answers

image .পর্যাপ্ত ঘুম

প্রতিদিনের ঘুম মস্তিষ্ক সুরক্ষা রাখার জন্য অনেক কার্যকরী। কারণ ঘুমের মধ্য মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায়। পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। ভাল ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয় মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য প্রস্তুত হয়।

২. মস্তিষ্কের ব্যায়াম

প্রথমে শুনলে হয়ত পাগলামী ভাবতে পারেন কিন্তু আপনি আপনার মস্তিষ্ককে যত বেশি কাজে লাগাবেন, আপনার মস্তিষ্ক তত বেশি কাজ করবে…যেমন সবজি কাটার ছুরিটি দিয়ে যত বেশি কাটা কাটা করবেন ছুরিটি তত বেশি ধার হবে। মানুষের মস্তিষ্ক একটি বিস্ময়কর ক্ষমতা, এই ক্ষমতা স্নায়ু নমনিয়তা হিসাবে পরিচিত হয়। অধিকার উদ্দীপনার সঙ্গে আপনার মস্তিষ্ক নতুন স্নায়বিক পথ গঠন করে ও উপস্থিত সংযোগ পরিবর্তন করে। এবং নতুন কোন শেখার বিষয় স্মৃতি আসে যখন নিজেই পুর্ণনির্মাণ মস্তিষ্ক এর অবিশ্বাস্য ক্ষমতা অধিকারী হবেন। আপনি আপনার জ্ঞানীয় ক্ষমতার বৃদ্ধিতে নতুন তথ্য জানতে পারেন, যা স্নায়ু নমনিয়তা শক্তি বৃদ্ধি করবে।

 ৩.পাজল বা ওয়ার্ড

গবেষণায় দেখা যায় যাদের নিয়মিত পাজল সমাধান, স্ক্রাবল, সুডোকো মেলানোর অভ্যাস রয়েছে তাদের মস্তিষ্ক অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। যখন খেলা হয় তখন মস্তিস্কের স্মৃতি এলাকাগুলো সহ পুরো মস্তিস্কের সমস্ত স্নায়ুগুলো সক্রিয় হয় যা কিনা স্মৃতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এছাড়াও তাদের স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা জনিত সমস্যাও হয় না। তাই সময় পেলেই এইধরনের খেলা খেলে নিন। এইসব গেম প্রায়ই বুদ্ধিজীবী কার্যকলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে মস্তিষ্কের লক্ষ্যপূর্ণ এলাকায় উদ্দীপিত করতে পারেন।

৪. মেলোথেরাপি মিউসিক

থেরাপিকে সাধারণত মেলোথেরাপি বলা হয়। এটি  দুর্বল স্মৃতিশক্তি কে কমিয়ে দেয় একেবারেই। এই মেলোথেরাপির মাধ্যমে মনোযোগ নির্দিষ্ট হওয়ার ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় দেখে গিয়েছে ক্লাসিক ধরণের গান মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বাড়ায় শিশু কিশোরদের মধ্যেও।

৫. বই পড়া

বই পড়া হচ্ছে মস্তিষ্কের সবচাইতে ভালো ব্যায়াম। যে ধরণের বই…ই হোক না কেন বই পড়ার বিষয়টি মস্তিষ্কের স্নায়ু সচল রাখতে সহায়তা করে। এমনকি খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন যাই হোক না কেন অবসর সময়ে তা পড়ে নিলে মস্তিষ্কের বেশ ভালো ব্যায়াম হয়। এতে করে স্মৃতিশক্তিও উন্নত হয়।

৬. লেখালেখি

নতুন ভাষা শেখা নতুন একটি ভাষা শেখা এবং লেখার মাধ্যমে নিজের আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়ে তেমনই কমে যায়  স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা। নতুন একটি ভাষা শেখা, বোঝা এবং প্রয়োগ করার মাধ্যমে মস্তিষ্কের কর্মদক্ষতা বাড়ে যা স্মৃতিশক্তিকে দুর্বল হতে বাঁধা দেয়।

৭. মস্তিষ্ক প্রশিক্ষণ ও  উদ্দীপিত

মুখস্থকৃত বিষয়ের উপর ‘আমল করা। মনোবিজ্ঞানী এ ব্যাপারে একমত যে, কোনো একটি বিষয় যত বেশিবার পড়া হয় তা আমাদের মস্তিষ্কে স্মৃতিতে দৃঢ়ভাবে জমা হয়। মৌলিক জ্ঞানীয় দক্ষতা কাজ স্মৃতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি হিসাবে পরিচিত। মুখস্থ দিয়ে মস্তিষ্ক প্রশিক্ষণ হয়। ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, ফোন বা ব্যক্তিগত কম্পিউটার এর মাধ্যমে শিক্ষাগত সাধন হয়। মস্তিষ্কের প্রশিক্ষণ ফলে আমাদের চিন্তা সৃজনশীল, বুদ্ধিমান, অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ নিশ্চিত হতে পারে।

2875 views Answered

পাতা কপি ও পালং শাক:

পালং শাক ও পাতা কপিতে উচ্চ

মাত্রায় ভিটামিন কে এবং বিটা

ক্যারোটিন থাকে। যা পেশী শক্তি

ও স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য

করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা

নিয়োমিত পাতা কপি বা পালং

শাক খান তাদের স্মৃতি শক্তি যারা

খায় না তাদের চেয়ে অনেক

বেশি।

সামুদ্রিক মাছ:

সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান

থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা

বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

মস্তিষ্কে থাকা ফ্যাটি এসিডের

৪০% হচ্ছে ডি এইচ এ, যা সামুদ্রিক

মাছের তেলে পাওয়া যায়

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হিসেবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ওমেগা-৩

ফ্যাটি অ্যাসিড ব্রেনের বিভিন্ন

কোষের মধ্যে সংবেদন আদান-প্রদান

বাড়িয়ে দেয়।

বাদাম এবং বীজ দানা:

বাদাম এবং বীজ দানা জাতীয়

খাবারে রয়েছে ভিটামিন ই, ও

একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট এর উৎস।

বাদাম এবং বীজ দানার এ উপাদান

সমূহ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য

করে। এছাড়া আমন্ড বাদামও

ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে

ভূমিকা রাখে।

2875 views Answered

জন্য আমাদের মস্তিষ্ক যেসব স্মৃতি সংরক্ষিত থাকে সেগুলো হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি। এই লেখায় আমরা মূলত দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর কিছু কৌশল নিয়ে আলোচনা করবো।


১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন,


“উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে। একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।”



এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেন,


“তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।” [সূরা আল-বায়্যিনাহঃ ৫]


তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে এমন যে, আল্লাহ আমাদের স্মৃতিশক্তি যেনো একমাত্র ইসলামের কল্যাণের জন্যই বাড়িয়ে দেন।


২. দু’আ ও যিকর করাঃ আমরা সকলেই জানি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর কাছে দু’আ করা যাতে তিনি আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেন এবং কল্যাণকর জ্ঞান দান করেন। এক্ষেত্রে আমরা নিন্মোক্ত দু’আটি পাঠ করতে পারি,


“হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।” [সূরা ত্বা-হাঃ ১১৪]


তাছাড়া যিকর বা আল্লাহর স্মরণও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,


“…যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন…” [সূরা আল-কাহ্‌ফঃ ২৪]


তাই আমাদের উচিত যিকর, তাসবীহ (সুবহান আল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) – এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আল্লাহকে স্মরণ করা।


৩. পাপ থেকে দূরে থাকাঃ প্রতিনিয়ত পাপ করে যাওয়ার একটি প্রভাব হচ্ছে দুর্বল স্মৃতিশক্তি। পাপের অন্ধকার ও জ্ঞানের আলো কখনো একসাথে থাকতে পারে না। ইমাম আশ-শাফি’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,


“আমি (আমার শাইখ) ওয়াকীকে আমার খারাপ স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি শিখিয়েছিলেন আমি যেন পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখি। তিনি বলেন, আল্লাহর জ্ঞান হলো একটি আলো এবং আল্লাহর আলো কোন পাপচারীকে দান করা হয় না।”


আল-খাতীব আল-জামী'(২/৩৮৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেন যে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেনঃ


“এক ব্যক্তি মালিক ইবনে আনাসকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘হে আবদ-আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে দিতে পারে এমন কোন কিছু কি আছে? তিনি বলেন, যদি কোন কিছু স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া।’”


যখন কোনো মানুষ পাপ করে এটা তাকে উদ্বেগ ও দুঃখের দিকে ধাবিত করে। সে তার কৃতকর্মের ব্যাপারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে তার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যায় এবং জ্ঞান অর্জনের মতো কল্যাণকর ‘আমল থেকে সে দূরে সরে পড়ে। তাই আমাদের উচিত পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা।


৪. বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করাঃ একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আমরা দেখবো যে, আমাদের সকলের মুখস্থ করার পদ্ধতি এক নয়। কারো শুয়ে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কারো আবার হেঁটে হেঁটে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়। কেউ নীরবে পড়তে ভালোবাসে, কেউবা আবার আওয়াজ করে পড়ে। কারো ক্ষেত্রে ভোরে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কেউবা আবার গভীর রাতে ভালো মুখস্থ করতে পারে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ উপযুক্ত সময় ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ঠিক করে তার যথাযথ ব্যবহার করা। আর কুর’আন মুখস্থ করার সময় একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ (কুর’আনের আরবি কপি) ব্যবহার করা। কারণ বিভিন্ন ধরনের মুসহাফে পৃষ্ঠা ও আয়াতের বিন্যাস বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে তার একটি ছাপ পড়ে যায় এবং মুখস্থকৃত অংশটি অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে যায়।


৫. মুখস্থকৃত বিষয়ের উপর ‘আমল করাঃ আমরা সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কোনো একটি বিষয় যতো বেশিবার পড়া হয় তা আমাদের মস্তিষ্কে ততো দৃঢ়ভাবে জমা হয়। কিন্তু আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে অতো বেশি পড়ার সময় হয়তো অনেকেরই নেই। তবে চাইলেই কিন্তু আমরা এক ঢিলে দু’পাখি মারতে পারি। আমরা আমাদের মুখস্থকৃত সূরা কিংবা সূরার অংশ বিশেষ সুন্নাহ ও নফল সালাতে তিলাওয়াত করতে পারি এবং দু’আসমূহ পাঠ করতে পারি সালাতের পর কিংবা অন্য যেকোনো সময়। এতে একদিকে ‘আমল করা হবে আর অন্যদিকে হবে মুখস্থকৃত বিষয়টির ঝালাইয়ের কাজ।


৬. অন্যকে শেখানোঃ কোনো কিছু শেখার একটি উত্তম উপায় হলো তা অন্যকে শেখানো। আর এজন্য আমাদেরকে একই বিষয় বারবার ও বিভিন্ন উৎস থেকে পড়তে হয়। এতে করে ঐ বিষয়টি আমাদের স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়।


৭. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণঃ পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ আম

2875 views Answered

রব্বি জিদনী ঈলমা পাঠ করুন,কোনো কিছু ভুলে গেলে রসূলের উপর দরূদ পড়ুন, থানকনি পাতাকে সালাদ করে খান!

2875 views Answered

যার পরা যত তারাতারি মুখস্ত হয় সেই তারাতাি ভুলে।
ইসলামে কয়েক দুয়া আছে যেগুলো নিয়মিত পরলে ভুলে যাওয়া জিনিস মনে পরে। এবং স্বরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।
১। ইন্নানিল্লাহি অইন্নাইলাইহি রাজিয়ুন।
২। ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম।
৩। রাব্বি জ্বিদনী ইলমা।

2875 views Answered

স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ঘরোয়া ২ উপায়

১. কাঠবাদাম

কাঠবাদাম একটি চমৎকার আয়ুর্বেদিক উপাদান। এটি স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের জন্যও ভালো।

যা করতে হবে  

- ৫ থেকে ১০টি কাঠবাদাম সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন।

- পরের দিন সকালে খোসা ছাড়িয়ে নিন এবং একে গুঁড়া করুন।

- এক গ্লাস দুধের মধ্যে এই গুঁড়া মিশিয়ে ফুটান।

- স্বাদ বাড়ানোর জন্য সামান্য চিনি বা মধু মেশাতে পারেন।

- ৩০ থেকে ৪০ দিন এটি প্রতিদিন খান।


২. মধু ও দারুচিনি

মধু ও দারুচিনি স্নায়ুকে শিথিল করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। গবেষণায় বলা হয়, কেবল দারুচিনি একটু নাকের কাছে নিয়ে শুঁকলেও স্মৃতিশক্তি ভালো হয়, এতে মস্তিষ্কের কার্যক্রম বাড়ে।

অনেকে এও বলেন, ঘুমের আগে মধু খেলে মানসিক চাপ কমে; ঘুমেও সাহায্য হয়। এটি স্মৃতি একত্রীকরণে ভূমিকা রাখে।

যা করতে হবে

- এক চা চামচ কাঁচা মধুর মধ্যে এক চিমটি দারুচিনি মেশান।

- কয়েক মাস ধরে প্রতি রাতে এটি খান।

2875 views Answered

Related Questions

Next steps