6 Answers

মহিলাদের মেনোপজের সময় ও পরে অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোনগুলো আনুপাতিক হারে বেড়ে যায়, তখন চুল বেশি করে পড়তে শুরু করে। তবে এ ক্ষেত্রে ফিমেল প্যাটার্ন অব হেয়ার লস হয়ে থাকে। শুধু কপালের দিক থেকে নয়, চুল পড়া শুরু হয় পুরো মাথা থেকেই। ধীরে ধীরে চুলের ঘনত্ব কমে যায়। অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোনই মেয়েদের চুল পড়া ও ছেলেদের টাকের সবচেয়ে বড় কারণ।

স্ট্রেস বা মানসিক চাপ:

দুশ্চিন্তায় ভুগলে বা মানসিক সমস্যা থাকলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে চুল পড়তে পারে। তবে এ চুল পড়া সাময়িক এবং পুনরায় চুল গজায়। তবে দীর্ঘদিন মানসিক দুশ্চিন্তায় থাকলে বা দুশ্চিন্তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে অনেক বেশি চুল পড়ে যেতে পারে।দৈনিক ১০০টা পর্যন্ত চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর চেয়ে বেশি পড়লে তা অবশ্যই উদ্বেগের কারণ। বালিশ, তোয়ালে বা চিরুনিতে লেগে থাকা চুল গুনতে চেষ্টা করুন। অন্তত পরপর তিন দিন। অথবা অল্প এক গোছা চুল হাতে নিয়ে হালকা টান দিন। যদি গোছার চার ভাগের এক ভাগ চুলই উঠে আসে তবে তা চিন্তার বিষয়।

চিকিৎসা

ওষুধের মাধ্যমে:

বাজারে চুল পড়া রোধের জন্য মিনোক্সিডিল নামের ওষুধ পাওয়া যায়। এটি যেখান থেকে চুল পড়ছে সেখানে লাগাতে হবে। এটি নারী ও পুরুষ উভয়েই ব্যবহার করতে পারেন। এতে কাজ না হলে অন্য চিকিৎসা নিতে হবে।

লেজার থেরাপি এলএইচটি:

লেজার থেরাপি হেয়ার ফলিকলগুলোকে আবার সজীব করে। এমনিতে প্রতিদিনই চুল পড়ে ও নতুন চুল গজায়। কিন্তু বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনো অসুস্থতার ফলে যে পরিমাণ চুল পড়ে যায়, সেই পরিমাণ গজায় না। লেজার থেরাপি চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন ৫৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয় ও ফলিকলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে।

3267 views Answered

নিচের লিংক যান https://www.bissoy.com/qa/348199/

3267 views Answered

রোজ চুলে অলিভ অয়েল,নারকেল তেল,এগুলোর সাথে ভিটামিন ই মিশিয়ে লাগাবেন।সপ্তাহে একবার কাস্টেল অয়েল মাথায় দিবেন,সকালে উঠে ধুয়ে ফেলবেন,আমলকির রস,এলোভেরা মাথায় লাগাবেন।এগুলো নিয়মিত মাথায় লাগালে চুল পড়া তো বন্ধ হবেই সাথে চুলের গোঁড়া অনেক শক্ত হবে।

3267 views Answered

ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খান,নিয়মিত চুলের যন্ত নিন,শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালোভাবে ধুয়ে রৌদে শুকান,চুল ভিজা রাখবেন না,চুল শুকনো করে প্যারাসুট তেল বা কুমারিকা বা অলিভওয়েল দিন! মোটা খাজ খাটা চিরুনি দিয়ে চুল আচড়ান

3267 views Answered
 চুল পড়া রোধের প্রাকৃতিক উপায় ঃhair-damage
পেঁয়াজ ও রসুনঃ
সালফার (sulphur) এমন একটি উপাদান যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। রসুন ও পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুড় পরিমাণে সালফার থাকে যা চুলের জন্য খুবই উপকারী। তাই যেভাবে আপনি রসুন ও পেঁয়াজ ব্যবহার করে চুল পড়া রোধ করতে পারেন তা হলঃ
# সমপরিমাণ পেঁয়াজের রস ও ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১ ঘন্টা। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২ বার করে নিয়মিত ব্যবহার করুন।
    
# রঁসুনের ৫/৬ টি কোয়া নিয়ে বেঁটে নিন। এবার এই বাঁটা অংশটি নারিকেল তেলে কিছুক্ষন চুলায় ফুটিয়ে নিন। মিশ্রনটি ঠান্ডা হলে মাথার ত্বকে লাগান। সপ্তাহে ২/৩ বার করে নিয়মিত ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
আলুঃ
আলু চুলের যত্নেও ব্যবহার করা যায়। যেভাবে আলু ব্যবহার করবেনঃ
# একটি জ্যুসার বা ব্লেন্ডারে ৩ টি আলু নিয়ে এর রস সংগ্রহ করুন। এবার আলুর রসে একটি ডিমের কুসুম, কিছু পরিমাণ পানি ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন ভালো করে। ভেজা চুলে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। এরপর হাল্কা কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্রক্রিয়াটি সপ্তাহে একবার করে কয়েক মাসের জন্য টানা ব্যবহার করে দেখুন। দেখবেন চুল পড়া কমে গেছে।
মেহেদি পাতাঃ
ন্যাচারাল ভাবে চুল রঙ ও চুলকে কন্ডিশন করার পাশাপাশি মেহেদি পাতা ব্যবহার করে চুল পড়া কমানো ও সম্ভব। যেভাবে ব্যবহার করবেনঃ
# ২৫০ মিলি সরিষার তেল নিন একটি টিনের কৌঁটায়। এবার এতে ৬০ গ্রাম মেহেদি পাতা (ধোয়া ও শুকনো) দিয়ে চুলার জ্বাল দিন যতক্ষন না পাতাগুলো পুড়ে যায়। এবার মিশ্রণটি একটি মসলিনের কাপড়ে ছেকে নিয়ে শুধু তেলটি রাখুন। এই তেল নিয়মিত মাথার ত্বকে ও চুলে লাগাবেন।
    
# এক কাপ শুকনো মেহেদি পাতার গুড়ার সাথে আঁঁধা কাপ দই মিশিয়ে নিন ভালো করে। মিশ্রণটি চুলে লাগান এবং যতক্ষণে চুল না শুকিয়ে যায় অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
নারকেলের দুধঃ
নারকেলের দুধ চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য খুব কার্যকর, তাই এটি যেভাবে ব্যবহার করবেনঃ
# নারকেলের দুধ প্রোটিন, আয়রন, পটাসিয়াম ও অপরিহার্য চর্বিতে পরিপূর্ণ। চুল ছাটাই ও ভাঙ্গন রোধে এটি সাহায্য করে। তাই আপনি যদি সুন্দর চুল পেতে চান তাহলে নারকেলের দুধ রাতে মাথার ত্বকে লাগিয়ে প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। এটি খুবই কার্যকর একটি উপায়।
   
# ডিম আরেকটি উপাদান যা সালফারে পরিপূর্ণ। তাই ডিম যেভাবে ব্যবহার করতে পারেনঃ
    
# ১ টি ডিমের সাদা অংশের সাথে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল বিট করে নিন। এটি মাথার ত্বকে ও চুলে লাগান। ১৫-২০ মিনিট লাগাতে পারেন।
তথ্যসূত্র : Helth tips 
3267 views Answered

ঘরোয়া সমাধানঃ

আঁচড়াতে গেলেন। চিরুনিতে একরাশ চুলের জটলা দেখে আঁতকে উঠলেন। সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে অনেক দৌড়ান পার্লারে। কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ চুলের পেছনে। বাড়তি টাকা খরচ না করে ঘরোয়া চিকিৎসাতেই চুলপড়া রোধ করা সম্ভব।

গরম তেলের চিকিৎসা : এটা মূলত হট অয়েল ট্রিটমেন্ট নামেই প্রচলিত। অলিভ, নারিকেল বা ক্যানোলা তেল (বীজ জাতীয় উপাদান দিয়ে তৈরি) নিয়ে কিছুটা গরম করুন। মনে রাখবেন তেল উষ্ণ হতে হবে, খুব বেশি গরম নয়। এবার খুব ধীরে, যত্ন ও সময় নিয়ে মাথার তালুতে চুলের গোড়ালিগুলোয় ম্যাসাজ করুন। তারপর একঘণ্টা রেখে শ্যাম্পুদিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

প্রকৃতির রস: আপনার মাথার তালুতে লাগাতে পারেন পিয়াজ, রসুন অথবা আদার রস। লাগিয়ে ম্যাসাজ করে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। চুল হবে মজবুত। মাথা ম্যাসাজ: আপনার চুল ঝরা রক্ষায় মাথায় ম্যাসেজে করলে বেশ উপকার পাবেন। তবে এটা হতে হবে নিয়মিত। প্রতিদিনকার এই ম্যাসাজ আপনার রক্তচলাচল বৃদ্ধি করবে। আর মাথার তালুতে রক্ত চলাচল বৃদ্ধির ফলে আপনার চুলের ফলিকলগুলো কাজ করবে নতুনভাবে। আমন্ড অথবা যে কোন তেল দিয়ে ম্যাসাজ করার সময় তেলে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার দিতে পারেন।

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট: গরম গ্রিন টি লাগাতে পারেন মাথার তালুতে। এককাপ পানিতে দু’ই-ব্যাগ গ্রিন টি হালকা গরম করে নিন। তারপর এই মিশ্রণটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করে ঘণ্টাখানেক রেখে দেন। এরপর মাথা ধুয়ে ফেলুন। গ্রিন টি-তে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা চুল পড়া রোধের পাশাপাশি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। 

 

মেডিটেশন: এক সমীক্ষায় দেখা গেছে চুল পড়ার অন্যতম কারণ দুঃশ্চিন্তা, মানসিক অবসাদ, চাপ, বিষণ্নতা প্রভৃতি। আমাদের নিত্যদিনকার নাগরিক জীবনে এগুলোর উপস্থিতি সর্বদা। তাই মেডিটেশনের ফলে এসব দুঃশ্চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসা সহজ হয়। হরমনাল ব্যালেন্সও রক্ষা হয়।

3267 views Answered

Related Questions

Next steps