স্মার্ট হওয়া প্রসঙ্গে?
2 Answers
চটপটে, বুদ্ধিমান, আকর্ষনীয় মানুষকে স্মার্ট বলা যায়। সব তরুনরা স্মার্ট হতে প্রতিযোগিতা করে। কিন্তু বেশীরভাগ তা শুধু বহিরঙ্গেই হয়, অন্তরঙ্গে নয়! অর্থাৎ হাল ফ্যাশনের জামা কাপড়, জুতা-মোজা, সুগন্ধি, প্রসাধনী, চুলের স্টাইল, গায়ের রং, অলংকার, ঘড়ি, মোবাইল, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ ইত্যাদি নিয়েই বিশ্বব্যাপী তরুনের দল (এমনকি বয়স্করাও) স্মার্ট হবার চেষ্টা করেন! আর নানা মিডিয়া ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাণিজ্যের লাভে ও লোভে অনেক অনৈতিক প্রচার চালিয়ে কোমলমতি তরুণদের ভুল পথে নিয়ে যায়! (যেমন: ফর্সা না হলে স্মার্ট হওয়া যায় না, জীবনে সফল হওয়া যায় না, ইত্যাদি ইত্যাদি ) স্মার্ট শব্দের প্রতিটি ইংরেজি অক্ষর ধরে ধরে সত্যিকার ভাবে স্মার্ট হবার একটা রাস্তা খোঁজা যেতে পারে। এস (S): সিম্পল (simple) - সহজ ভাবে চিন্তা করতে পারা, গুছিয়ে প্রকাশ করতে পারা, সহজ করার জন্য অবিরাম চেষ্টা করা, পড়াশুনা করা; এম (M): মিংলিং (Mingling ): সবার সাথে মিশতে পারা। এ (A): অ্যাকটিভ (Active) - সব সময় সক্রিয় থাকা। আর (R): রেস্পন্সিবল (Responsible ) - দায়িত্বশীল হতে শেখা। টি (T): টেস্টফুল (Tasteful) - রুচিশীল হতে শেখা।
http://kivabe.info/%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%B9%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F/
১) প্রথমেই রোজ সংবাদপত্র পড়ুন। এর থেকে আপনি পৃথিবীর কোথায় কি ঘটছে সেই খবর প্রতিনিয়ত রাখতে পারবেন। আপনার জানার পরিধি বাড়লেই স্মার্ট হওয়ার পথে বেশ কিছুটা এগিয়ে যাবেন আপনি।
২) প্রতিদিন যেকোন ১০টি বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করুন। এরফলে আপনার মস্তিষ্ক একসঙ্গে অনেকগুলি কাজ করতে সক্ষম হবে, যা মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা বাড়াবে।
৩) নতুন কোন তথ্য জানতে পারলে তা এককথায় বিশ্বাস করবেন না। বিষয়টি নিয়ে পক্ষে এবং বিপক্ষে ভাবনা চিন্তা করে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছে তবেই সেটি মানুন।
৪) আত্মবিশ্বাস তৈরি করুন। কারুর কোন এক দুটো কথায় নিজের ধারনা বা বিশ্বাস পরিবর্তন করবেন না। কখনোই মনে করবেন না আপনি কিছু জানেন না। তবে অবশ্যই কোন বিষয় সম্পর্কে আপনার ভ্রান্ত ধারনা থাকলে সেটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন।
৫) টেলিভিশনে বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখে তার থেকে নতুন কিছু শেখা বা জানার চেষ্টা করুন।
৬) আপনার যে বিষয়ে দুর্বলতা তা কারুর সামনে প্রকাশ হতে দেবেন না। বাড়িতে নিজের অবসর সময়ে যা নিয়ে আপনার দুর্বলতা তাকে ঘষেমেজে নিজের সক্ষমতায় আনার চেষ্টা করুন।
৭) আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে স্মার্টলি কথা বলার অভ্যাশ করুন। কিছু ভুল হলে থেমে না গিয়ে বারং বার অভ্যাস করে ভুল শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
৮) মানসিক দুর্বলতাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সবার আগে বেশ কিছু মেডীটেশন এবং ব্যায়াম শিখে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে তা করুন। মেডিটেশন করলে মানসিক দুর্বলতা সবার আগে কমে যায়।
৯) দাবা, ওয়ার্ড গেম এই ধরনের খেলা দেখুন এবং শিখুন। এই খেলাগুলিকে স্মার্ট গেম বলা হয়, এরফলে আপনার নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়বে যা স্মার্টনেস আনান অন্যতম উপায়।
১০) নতুন যা কিছু শিখছেন তার একটি তালিকা তৈরি করুন। তাহলে বিষয়গুলি মাথায় স্থায়ী হয়ে যাবে এবং আপনি সহজে এগুলি ভুলবেন না।
১১) নিজেকে অনলাইন নতুন বিষয় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করার চেষ্টা করুন। ব্লগ, সোশ্যাল সাইটোগুলির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুগের সঙ্গে পা মিলিয়ে চলতে হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy