ইদানিংইদানিং কোন কাজেই মনোযোগ শক্তি পাচ্ছি না  একদমই না। হাজার শক্তি প্রয়োগ করেও চেষ্টা সত্বেও ব্যর্থ। মনোযোগ হচ্ছে না। কি করবো? খেলাধুলা খুব প্রিয়। কিন্তু এ সমস্যার কারনে খেলাধুলার প্রতিও উত্তেজনা নেই,কোন কাজেই উত্তেজনা নেই! খেলাধুলার চেষ্টা করি কিন্তু পারছি না। মনোযোগ শুণ্য। খেয়াল শক্তি নেই। চেয়েছিলাম একজন বড় খেলোয়াড় হবো কিন্তু সেই আশাটা আমার কি হয়ে গেলো! জানিনা কি সমস্যা হয়েছে আমার এমন হচ্ছে। খুব কাদি আমি, কেন এমন হচ্ছে আমার! আমি আগেও খেলতাম। আমার বন্ধুরা বাহবা দিতো কিন্তু এখন সেই বন্ধুরাই বলে, কি ব্যাপার তর খেলা এমন হচ্ছে কেন? মনোযোগ নেই। কিন্তু ভাই আমি সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করছি কিন্তু কোনভাবেই পারছি না, শরীরও তেমন রেসপন্স করছে না কোন কাজেই। ভাই প্লিজ সাহাযয্য করুন। কি করবো? আমার কি সমস্যা হলো? এমনকি যদি কেউ আমার সাথে কথা বলে সে কথাতেও কোন মনোযোগ আনতে পারি না, এজন্যে স্যারের মুখে বকাও খাচ্ছি। কারন, মনো যোগ নেই! এ জন্যে পড়তেও পারছি না। পরীক্ষাও খারাপ হচ্ছে। কোন সিরিয়াসনেস আনতে পারছি না  কি করবো? সমাধান দিন প্লিজ প্লিজ

? এটা কি সাইকোলজিক্যাল সমস্যা?

3460 views

2 Answers

এগুলো সাইকোলোজিক্যাল সমস্যা। আপনার বন্ধুদের  সাথে সময় কাটান বেশি বেশি। খেলাধুলা করুন প্রতিদিন। কাউন্সেলিং করলেই এই ধরণের সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।

এই ধরণের সমস্যাকে বিষন্নতা বলা হয়। 
কিছু টিপসঃ
১. পর্যাপ্ত ঘুম : বিষণ্ণতার প্রথম এবং প্রধান কারণ হল ঘুমের অভাব। আপনাকে পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। ঘুমের ব্যঘাত শুধু আমাদের শারীরিক ভাবেই ক্ষতি করে না, এটা তৈরি করে মানসিক অবসাদ এবং বিষণ্ণতা। প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে বিষণ্ণতা দূর করা অনেকটা সহজ হয়ে যায়।
২. সঠিক খাদ্যভ্যাস : সঠিকভাবে খাদ্যগ্রহণ এই রোগ অনেকটা কমিয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, উপযুক্ত পরিমানে পুষ্টিকর খাবারের অভাবে বিষণ্ণতা দেখা দিতে পারে, আর তাই তারা ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার খেতে বলেন বেশি করে।
৩. হাসি : এটা আমার মতে বিষণ্ণতা দূর করার অন্যতম উপায়। হাসিখুশি থাকুন, যত কষ্টই হোক। মানুষের জীবনে কষ্ট থাকবেই, এমন কাউকে পাবেন না, যার জীবনে কষ্ট নেই। কাজেই হাসুন, বিষণ্ণতাকে দূর করুন।
৪. কৃতজ্ঞতা প্রকাশে দূর হয় বিষণ্ণতা : গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশে বিষণ্ণতা কমে। তাই কেউ আপনাকে সহযোগিতা করলে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।
৫. অগোছালো পরিবেশ পরিহার করুন: যারা অগোছালো, তাদের এই বিষণ্ণতা বেশি হয়, সেটা হতে পারে কর্মক্ষেত্রে, হতে পারে নিজের বাসায়। তাই সব কিছু সাজানো- গোছানো রাখতে চেষ্টা করুন।
৬. গভীরভাবে শ্বাস নিন : এটা অনেকাংশে বিষণ্ণতা দূর করতে সক্ষম। ধীরভাবে দীর্ঘশ্বাস নিন, সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।
৭. ধ্যান করুন : নিয়ম করে ধ্যান করলে বিষণ্ণতা কমে যায়। গবেষকরা বলেছেন যে, ধ্যান মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, চিন্তা দূর করে।
৮. দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করুন : আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করুন, এবং সেটা দীর্ঘমেয়াদী হতে হবে। আজ থেকে ৫ বছর পড়ে নিজেকে কোথায় দেখতে চান, এবং সেই লক্ষ্য তে পৌঁছতে হলে কি করা উচিৎ, সেগুলা নিয়ে ভাবুন। পরিকল্পনামত এগুলে বিষণ্ণতা গ্রাস করবে না।
৯. খেলাধুলা করুন : কাজের ফাঁকে কিছু সময় বাচ্চাদের সাথে খেলতে পারেন, কিংবা আপনার পোষা প্রাণীর সাথে সময় কাটান, বিষণ্ণতা আপনার কাছে আসবেনা।
১০. ইতিবাচক চিন্তা করুন : সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করবেন, কখনও নেতিবাচক কিছুকে কাছে আসতে দিবেন না।
১১. সামাজিক কর্মকাণ্ড বাড়ান : আমরা সামাজিক জীব, বেঁচে থাকতে হলে আমাদের সবার সাথে মিশতে হবে। যারা হাসিখুশি থাকেন, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেন, পরিবার নিয়ে ঘুরতে যান , তাদের বিষণ্ণতা কম হয়। তাহলে আর কোন বিষণ্ণতা নয়, শুরু হোক সুস্থ- স্বাভাবিক জীবন। (সংগৃহীত Proramorsho.com)
3460 views

কিছুদিনের জন্য দূরে কোথাও কোনো ঘনিষ্ঠ আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি থেকে ঘুরে আসলেও এরকম মানসিক সমস্যার সমাধান হতে পারে।পরিবেশের পরিবর্তনে মানুষের মন চাঙ্গা হয়।মানুষের মন নতুনত্ব প্রিয়।একঘেয়েমি থেকেও এরকম অবস্থা হতে পারে। তাই নতুন কিছু করতে হবে।তাহলেই এক ঘেয়েমি দুর হবে। নতুন উদ্যম ফিরে আসবে।

3460 views

Related Questions