অামার কিছু দিন পরপর খালি ফোরা উঠে।। মুক্তি পাবো কেমনে
3168 views

4 Answers

→বাজার থেকে ''অলিভ ওয়েল" তেলটি

কিনে ব্যাবহার করুন।

→সেই সাথে শরীর পরিষ্কার রাখুন এবং প্রতিদিন 

নিয়মিত গোসল করুন।

3168 views

ফোড়া (abscess) হলো শরীরের একটি নির্দিষ্ট স্থান ফোলে লাল হয়ে পরবর্তীতে পুঁজ বের হওয়ার নাম। ইহাতে ব্যথা থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। অনেকে মনে করেন যে, সকল ফোড়াকেই পাকিয়ে পুঁজ বের করে ফেলে দেওয়া উচিত; নতুবা শরীরের ক্ষতি হবে। আসলে এই ধরণের চিন্তার পেছনে কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নাই। বিষয়টি আপনি ঔষধের ওপর ছেড়ে দিবেন। ঔষধই নির্ধারণ করবে ফোড়াকে পাকিয়ে সারাবে নাকি না পাকিয়েই সারিয়ে দিবে। আপনার কাজ কেবল লক্ষণ মিলিয়ে ঔষধ খাওয়া। Belladonna : বেলেডোনা ঔষধটি ফোড়ার প্রথম দিকে ব্যবহার করতে হবে যখন ফোড়া মাত্র উঠেছে, আক্রান্ত স্থানটি গরম হয়ে আছে এবং লাল হয়ে ব্যথা করছে। বেলেডোনা ফোড়াতে পুঁজ হওয়া বন্ধ করে তাকে পাকতে দিবে না এবং তাকে বিসমিল্লাতেই খতম করে দিবে। Hepar sulphur : হিপার সালফার হলো ফোড়া সবচেয়ে বিখ্যাত হোমিও ঔষধ। যে-সব ফোড়ায় সাংঘাতিক ব্যথা থাকে; ব্যথার কারণে স্পর্শ করা যায় না, তাতে হিপার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। ফোড়া পাকাতে চাইলে নিম্নশক্তিতে (৩,৬) খান আর ফোড়া না পাকিয়ে সারাতে চাইলে উচ্চশক্তিতে (২০০) খান।

3168 views

ফোড়া  ত্বকের নিচের অংশে সংক্রমণের কারণে তৈরি হয়।  চিকিৎসার ভাষায় একে অ্যাবসেস বলে।


আপনার যেহেতু মাঝে মধ্যে ফোরা বের হয় তাই আপনার কাছে নিম্নের পরামর্শ গুলো থাকল।


১। জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করুন।

২। একটা পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে, চিপে নিয়ে হালকাভাবে ফোড়ার ওপর সেকা দিতে পারেন ফলে ফোড়াটি গলে যেতে পারে।

৩। জীবাণুনাশক মলম ফোড়ার ওপর এবং চারপাশে লাগিয়ে নিন।

৪। ফোড়া পুরোপুরি পাকার আগেই জোর করে নিজেই ফোড়া গলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। কেননা সে ক্ষেত্রে সংক্রমণ আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। একটা সাধারণ বিষফোড়া সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিনের মাথায় নিজেই গলে যায়। গলে যাওয়ার পর একটা উষ্ণ, পরিষ্কার কাপড়ের খণ্ড বা তুলা বা গজ দিয়ে চেপে ধরে পুঁজ বের করে আনুন। এবার অ্যান্টিবায়োটিক মলম হালকাভাবে লাগিয়ে ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দিন।

৫। ফোড়া ধরার পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নেবেন। ব্যবহার্য টাওয়েল, পোশাক-আশাক, বিছানার চাদর ইত্যাদি গরম পানিতে ধুয়ে নেবেন, যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়।

৬। যদি প্রায়ই মুখে-গালে ফোড়া হয়, তবে দাড়ি কামানোর পর অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।




ফোড়া বারবার হতেই থাকলে  বা জ্বর  এবং ডায়াবেটিস বা জটিল কোনো রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 


image

3168 views

শরীর অপরিস্কার ও জীবানু যুক্ত থাকার কারণে এমন টি হয়ে থাকে। আপনি সব সময় শরীর পরিস্কার ও জীবানু মুক্ত রাখুন। আশা করছি ঠিক হয়ে যাবেন। শরীর জীবানু মুক্ত রাখতে আপনি "লাইফ-বয়" সাবান ব্যাবহার করতে পারেন।

3168 views

Related Questions