"এতক্ষণে"- অরিন্দম কহিলা বিষাদে-- "জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে? কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরূ জন তুমি পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে, পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে, লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।" এখানে কি বোঝাচ্ছে?
3354 views

1 Answers

এতক্ষণ পরে যখন অরিন্দম অথ্যাৎ ইন্দ্রজিৎ

বুঝতে পারল যে লক্ষণ কিভাবে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রবেশ করেছে, তখন সে তার তাত অথ্যাৎ কাকা বিভীষণ তে বিষাদের সঙ্গে বলে যে, কাকা বিভীষণ তে বিষাদের সঙ্গে বলে যে, কাকা তোমার দ্বারা কি এ কাজ মানাই?

নিকষা সতী তোমার মা, তোমার বড়োভাই রাক্ষস দের রাজা, আরেক ভাই কুম্ভকর্ণ যে  মহাদেবের মতো, আর তোমার ভাইপো বাসববিজয়ী অথ্যাৎ ইন্দ্র কে পরাজিত করেছে। তুমি এত বড় বংশের সন্তান হয়েও কেন...  নিজের বাড়ির পথ চোরকে দেখিয়ে এনেছ? কেন চন্ডালকে নিজের বাড়িতে প্রবেশ করিয়েছ? কিন্তু তোমাকে কি করে তিরষ্কার করি? তুমি আমার পিত্যৃতুল্য, আমার নিজের কাকা তুমি। আমার পথ ছেড়ে দাও, আমি অস্ত্রগারে যাব, রামের ভাইকে যমের কাছে পাঠিয়ে আজ আমি লঙ্কার কলঙ্ক দূর করব।  

3354 views

Related Questions