আমার ইদানিং একটা বাজে বদ অভ্যাস গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন একবার করে সেক্স ভিডিও দেখে বীর্য ত্যাগ না করে থাকতে পারি না। এই বদ অভ্যাসটার ক্ষতির দিকটা বলে দিলে অনেক উপকার হত।

#বীর্যপাত
3221 views

2 Answers

অতিরিক্ত যে কোন কিছুরই খারাপ দিক রয়েছে। আজকাল গবেষকরা সহবাসের গুরুত্ব তুলে ধরলেও অতিরিক্ত সহবাস নিষিদ্ধ করতে বলেছেন। এর প্রধান কারন হিসেবে আয়ুর অবক্ষয় উল্লেখ করেছেন। শুধু সহবাস নয়, হস্তমৈথুন কিংবা যে কোন ভাবে অতিরিক্ত বীর্যপাত ঘটানো আয়ুর অবনতির লক্ষণ। এক যৌন শাস্রে বলা হয়েছে- "অত্যাধিক শুক্র ক্ষয়ের ফলে পুরুষত্বহানির আশঙ্কা হইয়া থাকে। ক্রমে ক্রমে ধাতু দুর্বলতা , শুক্রতারুল্য, জননেন্দ্রিয়ের শিথিলতা, মাংসেপেশরি অবসন্নতা, প্রমেহ, ঘূর্ণন ইত্যাদি দুরারোগ্য ব্যাধিতে পাইয়া বসে। এই ভাবে ক্রমশঃ শয্যা শয়ী হইয়া হইয়া প্রিয়তমার সহিত মিলন স্পৃহা হইতে সম্পুর্ণ বঞ্চিত হইয়া অকালে গোরগহ্বরে প্রস্হান করে।

3221 views
আপনি যেটা করেন সেটাকে হস্তমৈতুন বলে। এর কিছু ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হল-
প্রথমত এই কাজটি সব ধর্মেই নিষেধ করা হয়েছে। অপচয় করা প্রায় সব ধর্মেই নিষিদ্ধ। ইসলাম ধর্মে অপচয়কারিকে শয়তানের ভাই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বীর্য আল্লাহর একটি নিয়ামত, আর হস্তমৈতুনের মাধ্যমে এই নিয়ামতের অপচয়ই হয়ে থাকে। অতিরিক্ত হস্তমৈতুনের ফলে লিঙ্গ বা যোনীপথে ঘা এর সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি রক্তক্ষরন ও হতে পারে।

বিশেষ করে মেয়েদের যোনীতে বিভিন্ন বস্তু প্রবেশের কারনে জীবানু সংক্রমন ঘটতে পারে। উভয়ের বেলায় প্রশ্রাবে জালাপোড়া সহ জীবানু সংক্রমনে সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

নিয়মিত ও অতিরিক্ত হস্তমৈতুনে যৌনশক্তি কমে যাওয়া ও শারিরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। ইহা অভ্যাসে পরিনত হতে পারে এবং দীর্ঘদিন এই অভ্যাসের ফলে যৌন আকাঙ্খা কমে যেতে পারে।

তাছাড়া বিবাহিত জীবনে যৌন অনীহার সৃষ্টি হতে পারে যা দাম্পত্বেও প্রভাব ফেলবে।

করনীয়ঃ
যথা সম্ভব এই পদ্ধতিটি এড়িয়ে চলাই উত্তম। ধর্মীয় বিষয়গুলিতে মনযোগী হলে এই অভ্যাসটা সহজেই ত্যাগ করা যায়।

অশ্লিল কল্পনা ও অশ্লিল ছবি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে। পুরুষদের বেলায় কোন কারনবশত লিঙ্গ উথিত হলে হাত লাগানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

লিঙ্গউথ্যান বেশিক্ষন স্থায়ী হলে লিঙ্গের আগায় আস্তে করে আঘাত করা যেতে পারে, যাতে হালকা ব্যথা অনুভূত হয়।

মেয়েরা শালীনতা বজায় ও বিপরীত লিঙ্গের সহিত রসালাপ ত্যাগ করতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। অবসর সময়ে ধর্মীয় বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

সর্বোপরি নিজেকে আত্মনিয়ন্ত্রনে রাখতে পারলেই এই অভ্যাস ত্যাগ বা ইহা থেকে বিরত থাকা সম্ভব।
3221 views

Related Questions