পায়খানা ৮/১০ দিনও হয়না আমার খুব খারাপ লাগে সবসময় সমাধান চাই ?
4 Answers
বেশি পারে পানি, শাক-সব্জি, ফলমূল, ভাতের মাড় ও পুষ্টিকর খাবার খান। দুধ গরম থাকা অবস্থায় পান করুন। শুকনো খাবার এড়িয়ে চলুন।
এটা হল কোষ্ঠকাঠিন্য। এটি থেকেমুক্তি পেতেঃ ১) মলত্যাগের বেগ হোক বা না হোক প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটে বসবেন, এতে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ঐ সময়ে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে উঠবে। ২) দুশ্চিন্তামুক্ত থাকুন ৩) নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও ব্যায়াম করুন ৪) কোন রোগের জন্য হয়ে থাকলে তার জন্য চিকিৎসা নিন ৫) কোন ওষুধ সেবনের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে মনে হলে সে ব্যাপারে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোষ্ঠকাঠিন্যে যা করা উচিৎ নয়ঃ ১) পায়খানার বেগ ধরলেও নানা অজুহাতে দেরি করা ২) নিয়মিত পায়খানা নরম করার বিভিন্ন রকমের ওষুধ সেবন ও ব্যবহার করা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনঃ ১) সহজপাচ্য ও সাধারণ খাদ্যে অভ্যস্ত হোন ২) বেশি করে পানি পান করুন, প্রতিদিন কমপক্ষে দুই লিটার। ৩) কিছু গ্রহণীয় খাবারঃ শাকসবজি, ফলমূল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, সব ধরণের ডাল, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ৪) কিছু বর্জনীয় খাবারঃ গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, ময়দা, চা, কফি, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বেঁচে থাকার প্রাকৃতিক কিছু উপায়ঃ ১) ইসবগুল ২ থেকে ৩ চা চামচ ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে চিনি বা গুড় মিশিয়ে সাথে সাথে খাওয়া খালি পেটে ও রাতে ঘুমাবার আগে ২) পাকা মিষ্টি বরই চটকে বীজ ও খোসা ফেলে অথবা ছেঁকে অল্প পানি মিশিয়ে মাঝে মাঝে খাওয়া ৩) ১ গ্লাস পানিতে ২৫-৩০ গ্রাম পাকা বেলের শাঁস মিশিয়ে শরবত তৈরী করে দিনে ২ বার সেবন করা ৪) ফোটানো তেঁতুলের রসের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে শরবত তৈরী করে সেখান থেকে রাতে শোবার আগে এক টেবিল চামচ পান করা
একজন একজন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, ল্যাকটুলোজ সিরাপ টি কিনে খেতে পারেেন। ল্যাকটুলোজ পায়খানা নরম করতে সহায়ক। এই সিরাপ টি খেলে আপনার কোষ্টকাঠিন্য সমস্যা কেটে যাবে। এটি অত্যন্ত কার্যকরী ঔষধ। আর দুধ খাবেন, দুধ ও শাক সবজি, পানি বেশি খেতে পারেন, এতেও সমস্যা কেটে যাবে।
প্রতিদিন আঁশ যুক্ত খাবার যেমন কম মিহি সাদা রুটি, শাকসবজি, তরিতরকারী,বেল,পেঁপে, বেশী করে খাওয়া প্রতিদিন কমপক্ষে ২-৩ লিটার পানি খাওয়া অনিয়মিতভাবে খাবার না খেয়ে নির্দিস্ট সময়ে খাবার গ্রহন করা। প্রতিদিন exercise করা প্রতিদিন রাতে ১ গ্লাস ইসুবগুলের ভূষির শরবত খেতে পারেন। পায়খানা আসলে সেটা চেপে না রাখা বা উপেক্ষা না করা। এছাড়াও Syrup Inolac বা Syrup Conlax ২ চামচ সকালে ১ বার করে সাত দিন খেতে পারেন। ( বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এই চিকিৎসা কেবলমাত্র প্রাইমারি লেভেলের ও ** চিহ্নিত কারনসমুহের জন্যে। যদি এরপরও আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যতা দূর না হয় কিংবা যদি অন্য কোন রোগের কারনে কোষ্ঠকাঠিন্যতা হয়ে থাকে সেজন্য অবিলম্বে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন