5 Answers
দিনে বাম নাকে এবং রাতে ডান নাকে শ্বাস প্রবাহিত রাখতে পারলে চুল, দাড়ি পাকে না। এবং চিরজীবন যৌবনও অটুট থাকে।
চুল ও দাঁড়ি না পাকার কোন কিছুই আবিষ্কৃত হয় নি। শুধুমাত্র কালার ব্যবহার করে চুল ও দাঁড়ির রং স্বাভাবিক রাখার উপায় আছে।
আগে হোক পড়ে হোক পাকবেই। তবে অকালপক্বতা রোধে বেশি করে দুধ ও ক্যালসিয়াম যুক্ত ও পুষ্টিকর শাক=সবজি খান।
আপনার আজ হোক আর কাল হোক চুল পাকবেই। অনেকের মধ্যে এ সমস্যাটি ঘটে। অল্প বয়সে যাদের চুল পাকে তাদের কারও কারও মধ্যে অটোইমিউন ডিজিজের কারণে মেলানোসাইট কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। যার ফলে ডবি্লউএনটি প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দেয় ফলে চুল পাকে। তবে এর সাথে শরিরের হরমোন জনিত সমস্যাই বেশি – ভিন্ন অসুখের কারনে ঃ- গবেষনায় চিকিৎসকদের অভিমত ঃ- যারা সোরিয়াসিস ও শ্বেতীরোগে ভোগেন তাদের চুল পাকবেই । কেন না শ্বেতীরোগ যে প্রক্রিয়ায় চর্ম কে সাদা করে ঠিক সেই প্রক্রিয়ায় চুল ও সাদা হয় । যার কারনে শ্বেতীরোগ ও চুল পাকার ঔষধ মূলত একি পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত । এ ছাড়া চুল পাকার আর যে সব কারন থাকতে পারে, যেমন, খুব বেশি জ্বর, দীর্ঘমেয়াদি কোনো অসুখ এবং মানসিক দুশ্চিন্তা ভিন্ন ধরণের চর্মরোগ ,ম্যালেরিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রভৃতি রোগ চুল পাকানোর দিকে ঠেলে দিতে পারে বা অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে – কঠিন ট্রমা, কয়েক প্রকারের রেডিয়েশনের শিকার হওয়া , হাইপার-থাইরয়েডিজম, ডায়াবেটিস, তবে যারা উচ্চরক্তচাপ কিংবা করোনারি হার্টডিজিজে ভুগছেন তাদের চুল পাকবে একটু বেশি ।