দ্রুত সমাধান চাই?

আমার চেহারা শ্যামলা আমি এখন পুরো বডি ফর্সা করতে চায়।এখন আমাকে কি করতে হবে জানাবেন ভাই।প্লীজ।।।
2892 views

6 Answers

কয়েকটি ঘরোয়া উপকরণ নিয়ে চামড়ার রং উজ্বল দিকটি তুলে ধরা হলো। এর মাধ্যমে আগের চেয়ে অনেকটা ফরসা হয়ে উঠবে। দুধ: দুধ হলো আল্লাহর এক বিরাট নিয়ামত। আর দুধ গোসল ত্বককে ফর্সা হতে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি সাহায্য করে। এ দিয়ে গোসল করলে আলাদা করে সাবান বা শ্যাম্পুর প্রয়োজন হয় না, ত্বকও ফর্সা হয়ে ওঠে। ডাবের পানি: ডাব বা নারকেলের জল ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। ত্বকের উজ্বলতা ফেরাতে, কালো ছোপ দূর করতে এর জুড়ি নেই। লেবু: ত্বকের রং ফেরাতে লেবু সবসময়ই ব্যবহার করা হয়। লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে চামড়ায় লাগান। এটি স্বাভাবিক ব্লিচের কাজ করবে ও ত্বকের জেল্লা বাড়াবে। গোলাপ জল: গোলাপ জল মিশিয়ে গোসল করুন। তাতে অনেকটা লেবুর রসও মিশিয়ে দিন। লেবু ব্লিচের কাজ করবে ও গোলাপ জল গোসলের পরে জেল্লা ফিরিয়ে আনবে। ডিমের কুসুম: ডিমের সাদা অংশের পাশাপাশি কুসুমও ত্বকের জন্য উপকারী। কুসুম ফেটিয়ে তা ত্বকে মাখতে পারেন। তবে তা তোলার সময়ে ভিনিগার ব্যবহার করবেন। তাতে গন্ধ চলে যাবে আর আপনি ত্বক ফর্সা হবে। দই: ত্বকের রং ফেরাতে টক দই ও লেবুর রসের মিশ্রণ তৈরি করে ত্বকে লাগান। এতে খানিক জ্বালা ভাব অনুভূত হলেও ফর্সা হতে দারুণ কাজ দেবে। জিরে: গোসলের পানিতে জিরে ভিজিয়ে রেখে তা ব্যবহার করুন। এটির ব্যবহারে মাত্র ১০ দিনেই ত্বকের জেল্লা না ফিরলেও দারুণ কাজ দেবে। জিরে বেঁটে নিয়ে তাতে দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করেও লাগাতে পারেন। ত্বকের রং ফেরাতে দারুণ কাজ দেবে। এভাবে আপনি সাত দিনই নিজের ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল করে তুলতে পারেন সহজেই।

2892 views Answered

প্রাকৃতিকভাবে রঙ ফর্সা করার দুটি পদ্ধতি। দুধ ও কাঁচা হলুদ : রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন। এভাবে পান করতে না পারলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রং হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা। দুধে কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়ে করতে পারেন আরেকটি কাজ। দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর টুকরো করে কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধ গাঢ় হলুদ রঙ ধারণ করলে পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার করে পান করতে থাকুন। কাঁচা হলুদ : শুধু দুধের সঙ্গে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রঙ ফর্সা করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর। উপকরণ : দুধ ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, এবং কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা চামচ। কীভাবে ব্যবহার করবেন? দুধ, লেবুর রস ও হলুদ বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রন বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট ভালভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। গরম পানিতে মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকের রং হয়ে উঠবে ফর্সা, কোমল, দাগমুক্ত ও সুন্দর।

2892 views Answered

১ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ,১ টেবিল চামচ মধু,১টেবিল চামচ লেবুর রস এবং আধা টেবিল চামচ বাদামের তেল ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।তারপর পরিষ্কার করুন।এই প্যাকটি মুখে শাইন আনবে আর রোদে পোড়া ভাব দূর করবে। • বেশন,দুধ ২ চা চামচ এবং লেবুর রসের মিশ্রন মুখে,গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ২বার এটা লাগান আপনার গায়ের রঙ অবশ্যই উজ্জ্বল হবে। • আমরা সবাই কমলা খেয়ে খোসাটা ফেলে দিই,অথচ এই ফেলনা জিনিসটাই আপনাকে পৌছে দিবে আপনার স্বপ্নের অনেক কাছাকাছি। কমলার খোসা রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর মিহি করে গুঁড়ো করে নিন। তারপর ১ টেবিল চামচ গুঁড়োর সাথে ১ টেবিল চামচ টক দইয়ের পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। • ঝকঝকে ত্বকের জন্য চন্দন গুঁড়োর অবদান অনস্বীকার্য। চন্দন গুঁড়োর সাথে দুধ মিশিয়ে প্রত্যেকদিন হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। অল্প দিনের মধ্যে আপনার মুখে হাসি ফুটবেই।

2892 views Answered

পজিটিব নেগেটিব একসাথে করলে যদি ফায়ার না করে তাহলে আপনার ব্যাটারিটি নষ্ট হয়ে গেছে।অথবা পজিটিব নেগেটিব লাইনে সমস্যা আছে।

2892 views Answered

একটুও ফায়ার করেনা?


আপনার ব্যাটারি ভোল্টেজ চেক করুন।


পুনরায় চার্জ করে +& -  একসাথে করে দেখুন।

যদি ফায়ার না করে তবে আপনার ব্যটারি খারাপ হয়ে গেছে।  

অনেক সময় বেশি ফায়ার না করে অল্প পরিমানে ফায়ার করে আপনাকে এটি লক্ষ রাখতে হবে।

2892 views Answered

প্রথমে ১৩ বা ১৪ ভোল্টেজে চার্জে বসিয়ে দেখুন কাজ না হলে বেশি ভোল্টে (২০ বা ২৪ ভোল্ট) কয়েক মিনিট চার্জ দিয়ে দেখুন  চার্জ নেয় কি না। যদি না নেয় তাহলে ডেড।

2892 views Answered

Related Questions

Next steps