4 Answers
সাধারণত একজন মানুষ কত টুকু লম্বা হবে তা নির্ধারণ করে আমাদের শরীরে থাকা জিন। অর্থাৎ জেনেটিক ফ্যাক্টর প্রধান ভূমিকা বা শতকরা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভুমিকা পালন করে থাকে। আমাদের গ্রোথ এর জন্য পিটুইটারী নামক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত গ্রোথ হরমোন প্রধান ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও কিছু ফ্যাক্টর আছে যা হাইট কে প্রভাবিত করে। যেমন – পরিবেশগত, খাদ্যাভাস ইত্যাদি প্রভাব। সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ আর ছেলেদের ক্ষেত্রে ২০ বয়সের পর লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তবে বলা হয়ে থাকে ২৫ বছরের পর আর লম্বা হয় না । কারো কারো মতে ২৫ এর পর গ্রোথ আর হয়না। বন্ধ হয়ে যায়। সত্যি বলতে কি লম্বা হওয়াটা যেহেতু বংশগত বা জেনেটিক ফ্যাক্টর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং বয়স যদি ২৫ এর বেশি হয়ে থাকে তবে বিশেষ কিছু করার থাকে না। তবে যদি বয়স ২০ এর নিচে হয় , বিশেষ করে যারা শিশু বা বয়ঃসন্ধিকাল চলছে যাদের, তাদের জন্য কিছু ডায়েট বা ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া সম্ভব। তাই যাদের বংশে খাটো হওয়ার প্রবণতা আছে তাদের বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে যত্ন নেয়া উচিত্ পুষ্টিকর খাবার, ব্যায়াম, আর নিয়মমাফিক চললে তা সম্ভব হয়। না এর জন্য কোনো ঔষুধ নেই তবে আপনি হরলিকস খেতে পারেন শরীর এর গ্রোথ বাড়ানোর জন্য ব্যায়াম এর উপর সম্পূর্ণ নির্ভর হোন সকালবিকেল সাইকেল চালান, ঝুলে ব্যায়াম করুন, পুইশপ দিন, পায়ে হাতের কোমরের ছোট্ট ছোট্ট ব্যয়াম করুন তাহলে শরীর এর হাইড বাড়বে। মূলত প্রকৃত ভাবে ব্যয়াম এর উপরে খাদ্য অভাসের মদ্ধমে লম্বা হতে পারবেন। সংগৃহীত : বিস্ময়
লম্বা হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়- বাঁধাকপিঃ বাঁধাকপিতে আছে ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান। এছাড়াও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। এই উপাদান গুলো সম্মিলিত ভাবে শরীরের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে এবং গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়। তরকারী হিসেবেও বাঁধাকপি খুবই সুস্বাদু। বাঁধাকপিকে আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন প্রতিদিনই। মটরশুঁটিঃ শীতকালীন এই সবজিটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও সবার কাছে বেশ জনপ্রিয়। বড় ছোট সবাই খুব পছন্দ করে মটরশুঁটি খেয়ে থাকেন। মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লু্টেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। ব্রোকলিঃ ব্রোকলি হলো ফুলকপি গোত্রের একটি সবজি। দেখতে ফুলকপির মত এই সবজিটির রঙ সবুজ। ব্রোকলি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি। ব্রোকলিতে ভিটামিন সি, অনেক রকম ফাইবার ও আয়রন আছে। এছাড়াও ব্রকলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। ব্রকলি গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে। ঢেঁড়সঃ কিছুটা আঠালো এই সবজিটি অনেকেরই প্রিয় খাবার। আবার আঠালো ভাবের জন্য কেউ কেউ অপছন্দও করেন ঢেঁড়স সবজিটি। ঢেঁড়স কারো কারো কাছে ভেনডি নামেও পরিচিত। ঢেঁড়স একটি পুষ্টিকর সবজি। এতে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার। এই উপাদানগুলো গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে। পালং শাকঃ পালং শাক পৃথিবীর সবচাইতে বেশি পুষ্টিকর খাবারগুলোর মধ্যে একটি। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল আছে। ফলে পালং শাক গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।
আপনি প্রাকৃতিক ভাবে লম্বা হওয়ার জন্য কয়েকটি exercise করতে পারেন, নিয়মিত করতে হবে। 1. Bar Hanging 2. Dry Land Swim 3. Pelvic Shift 4.Stretch Stretch
সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৬ আর ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৮ বয়সের পর লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তবে বলা হয়ে থাকে ২০ বছরের পর আর লম্বা হয় না । কারো কারো মতে ২৫ এর পর গ্রোথ আর হয়না। বন্ধ হয়ে যায়। সত্যি বলতে কি লম্বা হওয়াটা যেহেতু বংশগত বা জেনেটিক ফ্যাক্টর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং বয়স যদি ২৫ এর বেশি হয়ে থাকে তবে বিশেষ কিছু করার থাকে না। তবে যদি বয়স ২০ এর নিচে হয় , বিশেষ করে যারা শিশু বা বয়ঃসন্ধিকাল চলছে যাদের, তাদের জন্য কিছু ডায়েট বা ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া সম্ভব। তাই যাদের বংশে খাটো হওয়ার প্রবণতা আছে তাদের বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে যত্ন নেয়া উচিত্ । ০১. সুষম খাদ্য গ্রহণ করাঃ এক জন লোক অনেক খাটো দেখায় যদি তার শরীর ফাঁপা থাকে। তাই ফিট থাকতে হয় সঠিক খাবার খেয়ে। - প্রচুর পরিমাণে লীন প্রোটিন খেতে হবে। যেমন সাদা ফার্মের মুরগীর মাংস, মাছ ও দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর লীন প্রোটিন থাকে। যা পেশী গঠনে সাহায্য করে ও হাড্ডির ক্ষত পূরণ করে। - কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে। যেমন – ভাত, আলু, কেক ইত্যাদি। অতিরিক্ত মিষ্টি ও সোডা থেকে দূরে থাকুন। - প্রচুর ক্যালসিয়াম খান যা সবুজ শাকসবজীতে পাওয়া যায়। দুধ, দই -এ প্রচুর ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। - যথেষ্ট পরিমাণে জিংক থেতে হবে। জিংক পাওয়া যায় কুমড়া, ওয়েস্টার ও গম, ও চিনাবাদামে। - ভিটামিন ডি খেতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে। এটি পেশী ও হাড্ডি গঠনে ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে শিশুদের গ্রোথ ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং তরুণীদের ওজন বাড়ে। মাছে, মাশরুমে ও সূর্যের আলোতে পাওয়া যায় ভিটামিন ডি। ০২. ব্যায়ামঃ তরুণরা বিশেষ করে বয়ঃসন্ধি কালে হাইট বাড়ানোর ব্যায়াম করে। লাফান, যেমন – দড়ি লাফান, সাঁতার কাটুন, সাইকেল চালান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট। জিমে জয়েন করুন পারলে। খেলাধুলা করুন। ০৩. ঘুমঃ পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান প্রতিদিন। ঘুমের সময় শরীর বাড়ে। তাই পর্যাপ্ত ঘুমালে শরীর লম্বা হওয়ার মতো সময় পায়। কমপক্ষে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমান যদি আপনার বয়স ২০ এর কম হয়। শরীরের হরমোন গভীর ঘুম এর সময় উত্পন্ন হয়। পিটুইটারী গ্লান্ড থেকে গ্রোথ হরমোন বের হতে সাহায্য করে।