4 Answers
ডাবের পানির ব্যবহার---ত্বকের যেকোনো দাগ দূর করার জন্য সবার প্রথম যে প্রাকৃতিক উপাদানটি প্রয়োজন তা হচ্ছে ডাবের পানি। ডাবের পানির সাইটোকিন ত্বকের ক্ষতি পূরণ করতে সহায়তা করে এবং দাগ দূর করে। - ডাবের পানি বসন্ত সেরে যাওয়ার ঠিক পরপরই তুলোর বলের মাধ্যমে সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগাবেন। - ২ গ্লাস ডাবের পানি গোসলের পানিতে মিশিয়ে নেবেন। - প্রতিদিন অন্তত ১ গ্লাস ডাবের পানি পানের চেষ্টা করবেন।
প্রাকৃতিক পর্যায়ে মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। ব্রণের প্রকোপ কমাতেও দাগ দূর করতে এর জুড়ি নেই। মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন খুব হাল্কা ফেসওয়াশ দিয়ে। ত্বকের জন্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করার চাইতে অনেক ভালো প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা। আর ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে মধুব্যবহার করা যায়। প্রতিরাতে তুলার নরম বল নিমপাতা সেদ্ধ পানিতে ভিজিয়ে মুখে লাগাতে হবে। এতে ব্রণ, ক্ষত চিহ্ন,মুখের কালো দাগ দূর হবে। গরম মশলার একটি উপাদান লবঙ্গ। এটি ব্রণ দূর করার পাশাপাশি দূর করে ব্রণের দাগও। ব্রণেরউপর লবঙ্গ বাটা ২০ থেকে ২৫ মিনিট লাগিয়ে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের ক্ষত স্থানে দাগ হবে না। সপ্তাহে একবার লবঙ্গ বাটা ত্বকে লাগালে ত্বকে ব্রণ উঠবে না। এছাড়া, চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে লবঙ্গ বাটা লাগালে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয়। প্রতিরাতে ভালো ভাবে মুখ ধূয়ে Betnovate - N ক্রিম একটু করে দাগের উপর লাগাবেন।৭ দিনের মাঝে দাগ হালকা হয়ে চলে যাবে. গেরান্টি দিয়ে বলছি । একটা ব্যপার মনে রাখতে হবে শুধু রাতে ব্যবহার করবেন । sun light এ দিলে সমস্যা হবে । →বিস্ময় থেকে সংগৃহীত
ডিমের কুসুম এটা হল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার এবং উজ্জ্বলতাবর্ধক। এক্ষেত্রে আক্রান্তস্থানে ডিমের কুসুম ব্যবহার করে ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। ক্যাস্টর অয়েল যা রেড়ির তেল নামেও পরিচিত। এতে রয়েছে শোষণকারী উপাদান। যা বার্ধক্যজনিত দাগ দূর করে। ভালো ফলাফলের জন্য এই তেল তুলোয় মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করতে হবে। চন্দন ত্বকের বলিরেখা দূর করতে চন্দনের জুড়ি নেই। চন্দনগুঁড়া, গ্লিসারিন, লেবুর রস এবং গোলাপ জল একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে পারেন। এই মিশ্রণ ত্বকে মেখে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তারপর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।