4 Answers

কিছু প্রাকৃতিক উপায়: ১। হলুদ গুঁড়ো দাঁতের ছিদ্রের সমস্যায় হলুদ গুঁড়ো ব্যাবহার খুবই উপকারি। হলুদে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান আছে যা দাঁতের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন কে ধ্বংস করতে পারে এবং এর প্রদাহ রোধী উপাদান দাঁতের ব্যাথা উপশম করতে পারে। হলুদ গুঁড়া ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আস্তে আস্তে ব্যাথার দাঁতে লাগান,ব্যাথা কমে যাবে। ২। পেঁয়াজ পেঁয়াজের একটি স্লাইস আক্রান্ত দাঁতের উপরে চেপে রাখুন দাঁতের ব্যাথা কমে যাবে। নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে দাঁত ক্ষয় এর সমস্যা কমায়। নিয়মিত পেঁয়াজ দেয়া খাবার খেলে দাঁত ক্ষয় সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। ৩। লবণ লবনে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমাতে ও ব্যাথাকে সহনীয় করতে সক্ষম। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন এবং আক্রান্ত দাঁতের প্রতি মনোযোগ দিন। এভাবে দিনে ৩ বার করে করুন ব্যাথা কমে যায়। এছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সাথে অথবা লেবুর রসের সাথে মিসিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে দিনে ২ বার করে কয়েকদিন করুন, ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে। এছাড়াও বেকিং সোডা, অ্যালোভেরা, লবঙ্গ, রসুন, পুদিনা, আপেল সিডার ভিনেগার ইত্যাদি ব্যবহার করেও ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও দাঁতের ব্যাথা কমানো যায়। সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করুন। দাঁত পরিষ্কার করতে ফ্লস ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিন জিহ্বা পরিষ্কার করুন।

2806 views Answered

→মাউথওয়াস ব্যবহার করুণ আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষই দাঁত ব্রাশ করার পর মাউথওয়াস ব্যবহার করেন না। মনে করেন দাঁত ব্রাশ করলেই চলবে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ দাঁতের সুরক্ষার জন্য অবশ্যই মাউথওয়াস ব্যবহার করা উচিৎ। →ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার দাঁতের ওপরে প্রতিরক্ষা পর্দা তৈরি করে। এতে দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। প্রতিদিন খাবার তালিকায় মাছ, শাকসবজি, দুধ রাখুন। এবং খাবার পর অবশ্যই পানি খাবেন। পানি ডেন্টাল ফ্লাসের ভুমিকা পালন করবে সেই সাথে করে কুলি করুন।।

2806 views Answered

ভেষজ উপাদান দিয়ে দাঁতের ক্ষয় রোধ করুন: ১. প্রাচীনকাল থেকেই দাঁতের পরিচর্যায় নিমগাছের মাজন ব্যবহৃত হয়ে আসছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিমের মধ্যে তিক্ত স্বাদের স্যাপোনিন, ফ্লাভোনয়েড, ট্যানিন, অ্যালকালয়েড, গ্লাইকোসাইড ইত্যাদি বিদ্যমান। এসব উপাদান জীবাণুর বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা প্রদর্শন করার ফলে দাঁতের ক্ষয়রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ২. হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে লবণ ও সরিষার তেলের মিশ্রণ দিয়ে প্রত্যেকদিন দাঁত পরিষ্কারে করলে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, ব্যথা, প্রদাহ, জীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত হয়। ৩. লবঙ্গ দাঁত ও মুখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। নিয়মিত ১-২টি লবঙ্গ মুখে দিলে তা মুখের সুগন্ধি বজায় রাখে। লবঙ্গতে আছে ইউজেনল নামক এক ধরনের অ্যালকোহল জাতীয় উদ্বায়ী তেল, যার ব্যথানাশক ও জীবাণু প্রতিরোধক গুণাগুণ রয়েছে। বিশেষ করে ধূমপায়ী ব্যক্তির মুখের পরিচর্যায় তা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ৪. বিভিন্ন গবেষণায় মরিচ, রসুন, সরিষা, লেবু ইত্যাদির দাঁতের ওপর উপকারী কার্যক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছ।

2806 views Answered

-দিনে কমপক্ষে ২ বার মাঝারি ব্রিসলের ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজতে হবে। একবার সকালে নাস্তার পরে ও আরেকবার রাতে ঘুমের পূর্বে। রাতে ব্রাশ করার পর আর কিছু খাবেন না। -তিন মাস অন্তর অন্তর ব্রাশ বদল করতে হবে। -নিয়মিত দাঁত ফ্লস করুন, যেসব খাবার ও পানীয়তে চিনির পরিমান বেশি থাকে সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। মিষ্টি খাবার খাওয়া হলে ভালো করে কুলি করে নিন। এছাড়া যেসব পানীয়তে অ্যাসিডের পরিমান বেশি থাকে সেগুলো কম খাওয়াই ভালো। যেমন- কোল্ড ড্রিংকস, প্যাকেটজাত জুস। এতে দাঁতের ক্ষয় কম হবে। -রশুন দাঁতের জন্য দারুন উপকারী। রশুন দাঁতের ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। খাদ্য তালিকায় নিয়মিত কাঁচা রসুন বা রসুনের আচার রাখতে পারেন। -দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করার সব চাইতে ভালো উপায় হলো নিয়মিত দাঁতের ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া।

2806 views Answered

Related Questions

Next steps