1 Answers
#9 কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শুক্রবার রাতে একটি বিবৃতি দিয়েছে।
আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২০ মার্চ তারিখ রাত আনুমানিক ১১ টায় কুমিল্লা সেনানিবাসের সীমানা সংলগ্ন এলাকায় (এস্থানে কোনো সীমানা প্রাচীর নেই) সোহাগী জাহান তনুর অচেতন দেহ খুঁজে পান তার বাবা ইয়ার আলী এবং তিনি মিলিটারি পুলিশকে খবর দেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সোহাগীকে তৎক্ষণাৎ সিএমইচে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ ময়নাতদন্ত করে।
আইএসপিআর বলছে, সোহাগী হত্যার কারণ উৎঘাটনে এরমধ্যেই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং একাজে সেনাবাহিনী পুলিশ ও প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যার প্রায় পাঁচদিন পরে আইএসপিআর এই বিবৃতি দিল। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং বিচারের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই ঢাকা, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ চলছে।
উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রোববার সন্ধ্যায় টিউশনি করে বাসায় ফেরার পথে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় তনুকে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়নামতি সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের পানির ট্যাংক সংলগ্ন স্থানে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।
নিহত তনু ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইয়ার হোসেনের মেয়ে। টিউশনি করে পড়াশোনার খরচ যোগাতেন তনু। তাদের গ্রামের বাড়ি মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুরে।
মেয়েকে হত্যার ঘটনায় গত সোমবার কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত তনুর বাবা। তবে ঘটনার পর পাঁচ দিন পার হলেও এখনও হত্যা রহস্য উদঘাটন হয়নি।
এ দিকে তনু হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা ডিবি’র ওসি একেএম মনজুর আলম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে শুক্রবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।