2 Answers
হা মানুষের মত জ্বীনদেরও জৈবিক চাহিদা রয়েছে। তাদের মাঝে নারী-পুরুষ আছে , তারাও সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে বংশধারা বহাল রাখে ।
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, জ্বিন জাতিকে সৃষ্টি করা হয়েছে, মানবজাতির আদি পিতা ‘আদম’ (আঃ) এর সৃষ্টির দুই হাজার বছর আগে। তখন পৃথিবীর অধিবাসী জ্বিন এবং আসমানের অধিবাসী ছিল ফেরেশতারা। ‘জ্বিনকে সৃষ্টি করা হয়েছ আগুনের ‘লু’ অংশ হতে’ (অত্যন্ত সূক্ষ্ম অত্যুষ্ণ বায়ু) আল-হিজর-২৭। আবার অন্যত্র বলা হয়েছে ‘জ্বিনকে সৃষ্টি করা হয়েছে বিশুদ্ধ (ধোঁয়াহীন) আগুনের শিখা থেকে’, আর রাহমান-১৫। জ্বিনকে পুরো আগুন থেকে নয় বরং তার অংশবিশেষ থেকেই সৃষ্ট! তাই যে আগুন দিয়ে দুনিয়ার জিনিষপত্র জ্বালানো হয়, জ্বিনের আগুন দিয়ে সে কাজ করা যায় না। ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, জ্বিন জাতির আদি পিতা ‘সামূম’ কে সৃষ্টি করে, আল্লাহ তার আখাঙ্ক্ষার কথা জানতে চান। তখনে সে দোয়া করেছিল যে, ‘দুনিয়ায় সবাইকে জ্বিনেরা দেখবে কিন্তু তারা সবার দৃষ্টিতে অদৃশ্য থাকবে এবং তার বংশধর বয়সে বৃদ্ধ হলেও যেন যুবক থাকে’। যার কারণে জ্বিনেরা মারা গেলেও মানুষের কাছে অদৃশ্যই থেকে যায়। জ্বিনেরাও মানুষের মত সমাজ সংসার করে। তারাও আহার করে নিদ্রা যায়। তাদের মাঝেও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আছে। তাদের মাঝে মারামারি, হানাহানি, সংঘাত, সংঘর্ষ হয়। পৃথিবীর প্রতিনিধিত্ব থেকে জ্বিন জাতিকে বিদায় করে মানব জাতীকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল, জ্বিনদের এই কাজের কারণে। যে সব জ্বিন বেঁচে আছে তাদের অধিকাংশের মাঝে এখনও সেই হানাহানি বিদ্যমান।