5 Answers
আসলে এইটা নির্ভর করে তাদের রক্তের উপর এবং তাদের বংশে আগে থেকে যদি কোন সন্তান বা তাদের ভাই বোন প্রতিবন্ধী বা বিকালংগ থাকে তাহলে ৫০ % হতে পারে। আর তাদের বংশে যদি এমন না থাকে তাহলে সম্পুর্ণই নিরাপদ। তাদের সন্তান প্রতিবন্ধি হবার সম্ভবনা নাই।
বিকলাঙ্গ সন্তান হওয়া না হওয়া সম্পূর্ণ সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাআলার হাতে৷ নির্দিষ্ট কোন বংশ বা ব্যক্তির সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই৷ এমন অনেক বিকলাঙ্গ আছে, যাদের সন্তান পূর্ণরূপে সুস্থ৷
আসলে বিয়ে কার সাথে হলো না হলো সেটা বড় কথা নয়। সন্তান কি রকম হবে সেটা নির্ভর করে জিনের উপর। জিন হচ্ছে বংশগতির ধারক ও বাহক। এটি আমাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের গঠন নির্ধারণ করে। মা-বাবার সব ধরনের বৈশিষ্ট্য সন্তানের মাধ্যমে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে বহন করে। এই জিনের অস্বাভাবিকতা, মিউটেশন, ডিএনএ বিন্যাসের অস্বাভাবিকতার ফল হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বংশগত রোগ বা জেনেটিক রোগ। তবে এর ব্যতিক্রমও অনেক ঘটে, সন্তান পিতা মাতার কোনো বৈশিষ্ট্য পায় না। মূলত সন্তান হলো আল্লাহতালা দান। যাকে যে রকম দান করবে সে, সেই রকমই পাবে
চাচাতো ভাই বোনের মাঝে বিয়ে হলে দুজনের রক্তের গ্রুপ যদি একই (-) হয় তবে প্রায় নিশ্চিত যে সন্তান প্রতিবন্ধী হবে। তবে চাচাতো ভাই বোনের সম্পর্ক না থাকলেও স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই নেগেটিভ হলেও সন্তান প্রতিবন্ধী হবার সম্ভাবনা রয়েছে। ফুফাতো ভাই বোনের মধ্যে সম্ভাবনা কম।
হোমোজাইগাস লিথাল জিনের প্রভাবে মেন্ডেলীয় অনুপাত ৩ঃ১ এর পরিবর্তে ২ঃ১ হয়। এখানে কিছু প্রানীতে লিথালজীন বহনকারী জীনজোড়া অপর হোমোজাইগাস জিনের প্রভাবে জীবের মৃত্যু ঘটায়। ইদুরের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে। এই কারনে প্রকৃতিতে হোমোজাইগাস ইদুর নাই। সবই হেটারোজাইগাস। আমি যতদুর জানি ইসলামে ভাইবোন বিবাহ নিষিদ্ধ, কারনটা কি আমি জানিনা কিন্তু উচ্চতার বায়োলজি শেষ করে জেনেটিক্স বিদ্যা থেকে এইটা জানতে পারলাম যে হোমোজাইগাস প্রকট জীন সবসময় নিজ বৈশিষ্ট প্রকাশ করতে চাই, কিন্তু উভরের প্রকটতার ফলে ভিন্ন প্রানী সৃষ্টি হতে পারে এবং এই চান্স প্রায় ৮৭.5% তো আর এই প্রক্রিয়ার সময় অন্যকোন বাহ্যিক প্রভাব, পলিজিনের প্রভাব থাকলে ত্রুটি পুর্ন সন্তান সৃষ্টি হয়। মানুষের ক্ষেত্রে লিথাল জীন খুব একটা দেখা না গেলেও অতি নিকট আত্নীয়ের ক্ষেত্রে এই প্রভাবে সন্তানে ত্রুটি আসতে পারে। তবে এ সম্ভাবনা একে বারেই ৩ % এরও কম। আমি তাই জানি এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে ইসলামে অতি নিকট আত্নীয় বিবাহ নিষেধ। তাই আমি বলবো শুধু মাত্র নিজেদের ভাললাগাকে প্রাধান্য দিয়ে এই বিবাহ ঠিক নয়।