6 Answers
সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ ভুলে যায় না। নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েও আজীবন ভালোবেসে যায়। কিন্তু যারা ভুলে যায় তারা কখনও ভালো বাসে না শুধু ছলনা করে। তাদের যখন প্রয়োজন তখন কাছে টানে প্রয়োজন শেষ হলে ছুড়ে দেয়।
ভালবাসা যদি খাটিঁ হয় তবে সেটা সারাজীবন থাকে... মন যে ভালবাসাকে স্বীকৃতি দেয় সেটা ইচ্ছে করলেও ভূলে থাকা যায় না...... অনেক সময় বাস্তবতারর তাগিদে আমরা প্রিয় মানুষটাকে ভূলে যাওয়ার ভান করি কিন্তুু গভীর রাতে সেই মানুষটা কে ভেবে চোখের জলে বালিশ ভিজাই... আর অভিনয় বা ছলনা করা ভালবাসা সেটা অতি তাড়াতাড়ি ভূলা যায়... কারন এর উদ্দেশ্য থাকে কাউকে সুখী বা ভাল রাখা নয়, তার মনে কষ্ট দিয়ে মজা নিয়ে চলে যাওয়া.....
সত্যি কার...ভালোবাসা কখনো শেষ হয়না... যার মনে প্রেম ভালোবাসা, মায়া আবেগ আছে তা সারাজীবন থাকে..যার থাকে না তার কাছে সময় পাস করা আর কিছুই নয়, কাওকে খুব বেশি ভালোবাসলে তা প্রকাশ করতে নেই তাহলে বেশি ভালোবাসা পেয়ে সে অবহেলা করবে। ভুলে কেউ থাকতে পারে আবার কেউ পারেনা। ছলনা কারীরাই মূলত ভুলে থাকে তবে প্রেম মানুষ কে খুব ধৈর্য্যশীল বানায়,,,,
হ্যা কথাটা সত্যি তবে তা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।। কেউ নিমিশের মধ্যই ভুলে যায়।আর কেউ মরার আগ পর্যন্তও ভুলে না বা ভুলতে চেষ্টা করলেও পারে না।এটা অনেক কারনেও হতে পারে যেমন পারিবারিক সমস্যা বা মানসিক চাপের কারনেও হতে পারে বা ইচ্ছাকৃত ভাবেও কেউ ভুলে যাও এটা এক এক জনের ক্ষত্রে এক এক রকম।
সম্পর্ক গড়া যতটা সহজ, রক্ষা করা আরো কঠিন। একটা আবেগ থেকে ভালবাসার জন্ম হয়। ঠিক নিষ্ঠুর আবেগের মধ্যে দিয়ে সম্পর্কগুলো নষ্ট হয়। সম্পর্ক নষ্ট হবার অনেক কারণ রয়েছে। দুইজনের ভাবের আদান প্রদান দিয়ে সম্পর্ক শুরু হয়। একটা আলোচনা হয়। বোঝাপড়া হয়। ভাললাগা মন্দ লাগাগুলো নিয়ে আলোকপাত করা হয়। সম্পর্কের ভাঙ্গনের কারণসমূহ: ১. একই সময়ে অধিক সম্পর্ক বজায় রাখা: এই বিষয়টি সম্পর্ক নষ্ট করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী দায়ী। একই সাথে একাধিক মানুষকে তার জীবনে স্বাগতম জানানো অন্যায় বৈকি। এটা মনের সাথে প্রতারণার শামিল। এটা এক ধরণের মানসিক অসুস্থতা। এই অসুস্থতা মহামারী আকারে ধারণ করেছে আমাদের বর্তমান সমাজে। যখন কোনোভাবে প্রকাশ পায়, তার প্রিয় মানুষটি অন্য একজনকেও মন দেওয়া নেওয়া করছে, তখনই দেখা দেয় বিপত্তি। মানসিক সংঘর্ষের সাথে সাথে শারিরিক সংঘর্ষও দেখা দেয়। অতিরিক্ত আবেগের কারণে অনেকে আত্মহননের পথ বেছে নেয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রিয় মানুষকে ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে খুন পর্যন্তও করাতে পারে। অনেক সময় একটা বিষয় দেখা যায়, একজনের সাথে যায় যায় অবস্থা; এমন সময় নতুন কারো সাথে সম্পর্কে জড়ায়। আগাম দু:খকে লাঘবের জন্য। যখন নতুন মানুষের সাথে সম্পর্ক ভাল হয়ে ওঠে, তখন আগের মানুষটি পুরোনো হয়ে যায়। আবার কোনো কারণে নতুন মানুষটির সাথে সম্পর্ক টানাপোড়েন দেখা দিলে, পুরোনোকে স্বাগতম জানায়। এভাবে দোটানা সম্পর্ক তৈরী হয়। একই সাথে কয়েকটি জীবন নিয়ে খেলায় মত্ত হয়ে ওঠে। কোনো একটা সম্পর্কের বুলি হয়। এটা সাংঘাতিক অন্যায়। ২. বিশ্বাস ভঙ্গ করা: ভালবাসার পূর্ব শর্ত হলো বিশ্বাস। এটা ভাঙ্গলে আর সেটা ভালবাসা থাকে না। ঘৃণায় পরিনত হতে থাকে ক্রমে ক্রমে, অথচ ভালবাসা চালিয়ে যায়। কিন্তু পূর্বের মতো আর পূর্ণ ভালবাসার স্থানে চিন্তা করা যায় না। ভীতটা নড়বড়ে হয়ে যায়। শেয়ারিং বা যত্নটা যখন কমতে শুরু করে, তখনই ভাঙ্গনের রূপরেখা অংকিত হতে শুরু করে। ৩. মিথ্যা বলা: ভালবাসা সত্য, শ্বাশ্বত। মিথ্যার উপর বেশিদিন কোনো ভালবাসা টিকে থাকতে পারে না। প্রশ্ন হলো, ভালই যদি বাসবে, তাহলে মিথ্যা কেন? যখনই প্রিয় মানুষটার পছন্দের বাইরে কোনো কাজ করে ফেলে, তখনই মিথ্যার আশ্রয় নেয়। আর প্রিয় মানুষটি জেনে ফেললে হয় বিপত্তি। ঝামেলা, চেঁচামেচি, ঝগড়া-বিবাদ এর সৃষ্টি হয়।
ভুলে তারাই যায়, যারা সত্যিকারে ভালোবাসে না, সত্যিকারে ভালোবাসলে তাকে কখনো ভোলা যাবে না, যতই ভুলে থাকার চেষ্টা করা হোক না কেন, ঘুমোনোর আগে তাকে ঠিকই মনে পড়বে। আবার অনেক সময় অনেক কারণের জন্য ইচ্ছে করেই ভুলে যাওয়ার ভান করে অনেকজন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy