1 Answers
মানুষের জীবন রক্ষার্থে গৃহপালিত পাখিকে জবাই করে খাওয়ার জন্য আল্লাহর নির্দেশনা রয়েছে বটে, কিন্তু বনের পাখিদের অহেতুক কষ্ট দিয়ে লালন-পালন করতে নিষেধ করা হয়েছে। একবার একজন সাহাবি একটি পাখির ছানা হাতে নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে আসেন। ছানাটিকে দেখে মা পাখিটি তার চতুর্দিকে ঘুরতে লাগল। তখন মহানবী (সা.) বললেন, ‘যাও, ছানাটি যেখানে ছিল সেখানে রেখে এসো।’ হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে উল্লেখ আছে যে তিনি বলেন, আমরা কোনো এক সফরে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে ছিলাম। এক জায়গায় আমরা একটি চড়ুই পাখিকে দুটি বাচ্চাসহ দেখতে পেলাম। আমরা বাচ্চা দুটিকে হাতে তুলে নিলাম। ফলে মা পাখিটি অস্থির হয়ে আমাদের মাথার ওপর ঘোরাঘুরি করতে লাগল। নবী করিম (সা.) তখন বললেন, ‘বাচ্চা ছিনিয়ে নিয়ে কে তাকে কষ্ট দিয়েছে? তার বাচ্চা তাকে ফিরিয়ে দাও।’ (আবু দাউদ)। আসলে জায়েজ বা নাজায়েজ নিয়ে চিন্তা না করে বিষয়টি উপলব্ধি করতে হবে। কারো স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ কখনই গ্রহনযোগ্য নয়। সেক্ষেত্রে পক্ষিকূল কে স্বয়ং আল্লাহ সেই ক্ষমতা দিয়েছেন যাতে তারা অবাধে বিশ্ব চরাচর ডানায় ভর দিয়ে ভ্রমন করতে পারে। কেউ যদি সেই পাখি'র স্বাধীনতা হরন করে ছোট্ট খাঁচায় বন্দী করে পালতে যায় তবে নিশ্চয়ই নিজের শখের বশে সে ঐ পাখিটার অধিকার, স্বাধীনতা হরন করল যা ইসলামে নিশ্চয়ই ইতিবাচক দৃষ্টিভংগি পোষন করবেনা।