এসএসসি পরিক্ষার পর কোন বিষয়ের উপর কম্পিউটার কোর্স করলে ভালো হবে?
2 Answers
২মাস এ তো আর তেমন কিছু শেখা সম্ভব নয়। তবে আপনি কম্পিউটার এর টাইপিং আয়ত্ত করে নিতে পারেন। গ্রাফিক্স এর কিছু কাজ শিখতে পারেন। আসলে সময়টা খুব কম এতো অল্প সময়ে বড় ধরনের কিছু শেখা সম্ভব নয়। যেহেতু আপনি ছাত্র, তাই বলব টাইপিং এর প্রতি মনযোগ দিন, ভালো টাইপিং শিখুন ।
এসএসসি পরীক্ষার পর হাতে সময় পাচ্ছ দুই-তিন মাস। এইচএসসির পর উচ্চশিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষার জন্য পড়াশোনায় ব্যস্ত সময় কাটাতে হয়। এসএসসির পর তা করতে হয় না। কারণ এখন আর উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয় না। তাই এ সময় শিক্ষার্থীদের বাড়তি কোনো চাপ থাকে না। অবসরের এই সময়টুকু হেলায়-ফেলায় পার করে অনেকেই। এটা কি ঠিক? মোটেই না। ইংরেজি ভাষাটা জানা জরুরি রেডিয়েন্স বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক দেওয়ান রেজাউন নবী (রেজা স্যার) বলেন, ‘বিশ্বায়নের এই যুগে মাতৃভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাটাও জানা জরুরি। বাংলা ভাষায় ঠিকমতো বাক্য গঠন করতে পারলে ইংরেজিতেও তা সম্ভব। শুধু কিছু কৌশল আয়ত্ত করতে হয়। এর জন্য তোমরা ১০ বছর যে ইংরেজি পড়ে এসেছো, তার যথার্থ চর্চা করলেই ইংরেজিতে কথা বলা ও লেখা সম্ভব। তোমাদের অনেকেই হয়তো সংকোচ করো এই ভেবে যে, ইংরেজি বললে কে কী ভাববে! এতসব না ভেবে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের কারো সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা শুরু করে দাও। ভুল তো হতেই পারে, তাতে কী! তুমি যে নিজেকে তুলে ধরতে পারছ এটাই বড় কথা।’ বলতে হলে জানতে হবে শুদ্ধ উচ্চারণ শেখা উচ্চারণে আঞ্চলিকতার টান আমাদের অনেকের মধ্যেই থাকে। কোন শব্দ কোথা থেকে উচ্চারণ হবে, তা অনেকেই জানি না। মুখের জড়তা দূর করার জন্য উচ্চারণ শেখা খুবই জরুরি। এসএসসি পরীক্ষার পর হাতে অফুরন্ত সময়। এ সময় আবৃত্তির ওপর প্রশিক্ষণ কোর্স করা যেতে পারে। শুধু আবৃত্তির জন্য নয়; শুদ্ধভাবে কথা বলার জন্যও এ কোর্স বেশ কাজে দেয়। কিবোর্ড আর মাউসের স্পর্শে… ‘একুশ শতকে কেউ কম্পিউটার না জানা মানে মূর্খের কাতারে থাকা।’ উক্তিটি মাইক্রোসফটের জনক বিল গেটসের। কাজেই এ সময়ে শিখে নাও কম্পিউটার ব্যবহারের নিয়মকানুন। তোমার আশপাশেই আছে অনেক কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্র। একটু খোঁজখবর নিয়ে ভর্তি হতে পারো কোনো স্বল্পমেয়াদি কোর্সে। এ ছাড়া যাদের বাসায় কম্পিউটার রয়েছে, তারা এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট শিখে নিতে পারো। বাজারে পাবে কম্পিউটার শেখার অনেক অনেক বই। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেকে দক্ষভাবে তৈরি করতে হলে প্রতিটি মুহূর্তকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এসএসসি পরীক্ষার পরের সময়টুকুও জীবনের জন্য খুবই মূল্যবান। এই সময়টাকে কাজে লাগাতে নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারো, যেসব বিষয়ে ঘাটতি আছে তা পূরণ করতে পারো।