3 Answers
মূখের তোতলানো করার করণীয়ঃ তোতলানো একটি জটিল রোগ। তোতলানোর শুরুতেই এই রোগের চিকিৎসা করা দরকার। এ রোগ কম বয়সীদের ক্ষেত্রে দ্রুত আরোগ্য লাভ করে। বিভিন্ন রকমের তোতলানো রোগী লক্ষ্য করা যায়। কোনো কোনো রোগী এক শব্দ বারবার পুনরাবৃত্তি করেন যেমন: আমি ক-ক-ক-কলা খাব। আবার কেউ লম্বা স্বরে কথা বলেন। কিছু রোগী এমন আছে যে, কথা হঠাৎ আটকে গিয়ে আর কথা বলতে পারছেন না। সমাজ তাদের ভালো চোখে দেখে না। তোতলানো রোগীরা দ্রুত কথা বলার চেষ্টা করেন। যার ফলে কথা বেশি আটকে যায়। ধীরে ধীরে কথা বলুন। দ্রুত কথা বলার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন। শব্দের বিরতি রেখে কথা বলুন। এক শব্দ বারবার বলার চেষ্টা করবেন না। যে শব্দে বা বর্ণে কথা আটকে যাবে সেখানেই সঙ্গে সঙ্গে থেমে যাবেন। নাক দিয়ে তলপেটে বাতাস নেবেন, মুখ দিয়ে ছেড়ে ওই শব্দটি উচ্চারণ করুন। বিভিন্ন লোকের সঙ্গে ইচ্ছা করেই কথা বলুন। চুপচাপ বসে থাকবেন না। নিজেকে অসহায় মনে করবেন না। কখনো আবেগপ্রবণ হবেন না। অর্থাৎ ভয় করা, রাগ করা, লজ্জা পাওয়া, দুশ্চিন্তা করা, হওয়া বা উত্তেজিত হওয়া যাবে না। কোনো কারণে রেগে বা উত্তেজিত হয়ে গেলে সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাইউত্তেজিত হবেন না, মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা রেখে সমস্যার সমাধান করুন। আপনার এই সমস্যার জন্য নিজেকে সমাজ থেকে আলাদা করে রাখবেন না।সবার সঙ্গে মিশতে চেষ্টা করুন এবং ধীরে ধীরে কথা বলুন। তোতলানো রোগীদের কাউন্সেলিং এবং এক্সারসাইজের মাধ্যমে আরোগ্য লাভ সম্ভব।
তোতলামি দূর করার তেমন কোনো নির্দিষ্ট উপায় নাই। তারপরও কিছু মুখের ব্যায়াম রয়েছে যেগুলো অনুশীলনে তোতলামির অভ্যাসটা কিছুটা আয়ত্তে আনা সম্ভব। এছাড়া ধীরে ধীরে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সম্ভব হলে গানে গানে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। এতে করে নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে বাক্যটি শেষ করার একটা প্রবণতা তৈরি হবে। ধন্যবাদ
মুখের তোতলামি দুর করার ওষুধ। কথা বলার সময় যাদের কথা আটকে যায়, তাদের জন্য হলুদ গুঁড়ো (কাঁচা হলুূদ শুকিয়ে গুড়ো করা) ২/৩ গ্রাম এক চা-চামচ পরিমান গাওয়া ঘিয়ে একটু ভেজে তা ২/৩ বার অল্প করে চেটে খাবেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy