আমি জে এস সিতে 4.67 পয়েন্ট পেয়েছিলাম।এখন মানবিক বিভাগ থেকে এস এস সি পরিক্ষা দেব 2017 সালে।আমাদের গ্রামের স্কুলে এ পর্যন্ত একটি ও এ প্লাস আসেনি।আমি কি পারব আমার লক্ষ্যে পৌছাতে।আমি টেনে পড়তেছি।রোল ৪।কিন্তু ক্লাস নাইনে রোল ১ ছিল।বর্তমানে যে এক হয়েছে সে পেয়েছে ৮৬০পয়েন্ট।আর আমি ৮১০পয়েন্ট।
3707 views

6 Answers

অবস্যই A+ পাবেন।এর জন্য আপনার ইচ্ছা শক্তিকে প্রখর করতে হবে।প্রতিদিন পড়ালেখা করুন।কারন পড়া লেখাটা হচ্ছে অনুশীলনের ব্যাপার।যতই অনুশীলন করবেন ততই লাভ।আর এই পড়ালেখার করার জন্য একটা রুটিন তৈরি করে নিলে ভালো হয়। গাইডের পড়া না পড়ে মূল বই পড়ুন। আশা করা যায় আপনার স্বপ্ন বাস্তবে পরিনত হবে।

3707 views

টিপস ১- নিয়ম করে প্রত্যেকদিন পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা। টিপস ১- শিক্ষকের দেয়া সাজেশানের পাশাপাশি বিভিন্ন সালের ও বোডের প্রশ্ন ঘেটে নিজে একটি সাজেশন তৈরি করা। টিপস ১-প্রতিদিন কমপক্ষে প্রত্যেক বিষয় হতে ১টি করে প্রশ্নর উত্তর মুখস্ত করতে হবে। এবং সাথে সাথে সম্ভব না হলে পরদিন লিখতে হবে। টিপস ১- প্রত্যেকদিন নিয়ম করে মুখস্ত পড়াগুলো একবার করে দেখে পড়তে হবে। দেখে পড়লে বানানগুলো ভুল হওয়ার আর কোন সম্ভাবনা থাকবে না। টিপস ১-পরীক্ষায় খাতায় প্রশ্নের উত্তর প্রাসঙ্গিক ও নিভুল হওয়ার প্রতি নজর দিতে হবে। বানান ও হাতের লেখা সুন্দর করার চেষ্টা করতে হবে। টিপস ১- প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় মান বন্টনের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।পাচ নম্বর প্রশ্নের উত্তরের জন্য যেমন লিখতে হবে ১০ নম্বরের জন্য সে রকম লিখলে হবে না। টিপস ১-প্রশ্নে যে উত্তরটি চাওয়া হবে ততটুকুই লিখতে হবে। অতিরিক্ত কিছু না লেখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। টিপস ১- পাথক্য লেখার সময় যত নম্বর থাকবে ততটি পাথক্য লিখতে হবে। যদি ৫ নম্বর থাকে তাহলে কমপক্ষে ৫টি পাথক্য লিখতে হবে। মোটামোটি নিয়ম করে পড়ালেখা করলে ভালোফল অবশ্যই সম্ভব। সবোপরি নিজের চেষ্টা ও আগ্রহ থাকতে হবে। মনে জেদ আনতে হবে। দেখবে ভালো ফল আপনার পিছু দৌড়াবে।

3707 views

বেশি বেশি পড়তে হবে এছাড়া কোন উপায় নাই, আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে নিজের সাথে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে কোন বিনিময়ে আমার ফলাফল ভাল মানের চাঁই | পড়ার প্রতি মনোবল আরো দিগুন বাড়াতে হবে তাহলেই সম্ভব| আরেকটা কথা মনে রাখবেন ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।

3707 views

আপনি পেতে পারেন তবে এর জন্য আপনাকে কতগুলো নিয়ম মানতে হবে|যেমন:: ১)ভাল করে পড়তে হবে|প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘন্ট| ২)হাতেল খেলা সুন্দর করতে হবে| ৩)দুর্বল বিষয় গুলোর জন্য কচিং করতে হবে| ৪)রুটিন করে পড়তে হবে| ৫)সবচেয়ে বেশী যেটা লাগবে তাহল আত্নবিশ্বাস|

3707 views

আপনি দৈনিক মনোযোগ দিয়ে ৫-৬ঘন্টা পড়ুন। ভাষায় দক্ষতা অর্জন==> পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হলে বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। এই দক্ষতা অর্জনের জন্য গ্রামারের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে। বেশির ভাগ গবেষণা হতে দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীরা গ্রামারে যেমন দুর্বল হয় তেমনি তারা এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে ভয় পায়। একে মানসিক দুর্বলতা বলা যায়। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য একজন ভাল শিক্ষকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। নির্ভুল বানান, সুন্দর ও ঝকঝকে খাতা উচ্চনম্বরের নিশ্চয়তা দেয়। লেখাপড়ায় লেগে থাকা==> জীবনে যা করনা কেন, তার পিছনে লেগে থাকতে হবে।তোমার পড়াশুনার বিভিন্ন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করো এবং অন্যরা কিভাবে তার সমাধান করেছে তা থেকে ধারণা নিতে পার। পড়াশুনাকে ভালবাস দেখবে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ। বুঝে পড়া ও লিখা==> “১০০ বার অমনোযোগী হয়ে পড়ার চেয়ে ১ বার বুঝে পড়া উত্তম আর ৩০ বার বুঝে পড়ার চেয়ে ১ বার লিখা উত্তম।” যা পড়না কেন তা আবার লিখবে।মনে রাখবে অতিমূল্যবান ব্রেনের চেয়ে ৫ টাকার কলম অনেক বেশি মূল্যবান। শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলা==> তোমরা সবর্দা শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলবে শিক্ষক তোমার গুরুজন এবং অভিজ্ঞব্যক্তি তিনি জানেন কিভাবে লেখাপড়া করলে সফলতা অনিবার্য। দলগত ভাবে লেখা পড়া করা==> লেখাপড়া সহজ ভাবে মনে রাখা এবং দীর্ঘস্থায়ী করার একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি হল গ্রুপ স্টাডি বা দলগতভাবে লেখা পড়া করা। একে ডিসকাস থেরাপিও বলা হয়। লেখাপড়ায় সফলতা অর্জনের জন্য এ পদ্ধতি খুবই কার্যকর। তোমার সহপাঠীদের সাথে দলবদ্ধ হয়ে যে কোন কঠিন বিষয় সহজেই আয়ত্ত করতে পার। ভাল নোট সংগ্রহ===> “ভাল ছাত্র মানে ভাল নোট, ভাল নোট মানে ভাল পরীক্ষা, ভাল পরীক্ষা মানে ভাল রেজাল্ট।” উন্নত নোট সংগ্রহের জন্য শিক্ষকের গাইডলাইন, ভাল বই ও ভাল ছাত্রদের নোট সংগ্রহ করা যেতে পারে। ইতিবাচক চিন্তা করা==> “ইতিবাচক চিন্তা সমস্যার সমাধান দেয় ।” হতাশ না হয়ে, সব সময় ইতিবাচক চিন্তা কর। তোমার চেষ্টা ও বিশ্বাস তোমাকে ইতিবাচক লেখাপড়ার দিকে ধাবিত করবে। রুটিন মাফিক জীবন পরিচালনা==> বিশৃঙ্খল জীবন ব্যবস্থায় কখনো সফলতা আসেনা। তোমাকে সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে। রুটিন কয়েক ধরনের হতে পারে, যেমন- স্কুলের রুটিন, গৃহশিক্ষকের রুটিন, বাড়িতে পড়ার রুটিন, খেলাধুলার রুটিন, অবসরকালীন পড়ার রুটিন ইত্যাদি। আগামীকালের পড়া দেখে নেয়া==> টিচার যে পড়াটি পড়াবেন তা পূর্বেই দেখে রাখলে, টিচারের পড়া সহজেই বুঝতে পারবে। এটি একটি অসাধারণ কৌশল।বিশেষ করে যারা অনেক ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে পড়া বুঝতে পারেনা কিংবা দুর্বল, তাদের অবশ্যই একৌশল অবলম্বন করা উচিত। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে খাওয়া ও বিশ্রাম==> তুমি কি ভেবে দেখেছ, বছরের পর বছর কিভাবে হৃৎপিণ্ড অক্লান্তভাবে তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে? আসলে হৃৎকম্পনের প্রতিবারই সে বিশ্রাম নেয়, তাই সে কখনো ক্লান্ত হয়না। তোমাকেও এপদ্ধতি অনুসরণ করে সফল হতে হবে। অর্থাৎ পড়াশুনা করলে যথেষ্ট শারীরিক ও মানসিক শক্তি ব্যয় হয়। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে ক্ষুধা লাগতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম নিতে হবে। নিজে নিজে পরীক্ষা দেয়া===> প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষা দেয়ার পূর্বে বাসায় নিজে নিজে পরীক্ষা দিতে হবে। এটিকে পরীক্ষার মহড়া ও বলা যেতে পারে। সকল বিষয়কে সমান গরুত্ব দেয়া==> বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় A+ পেতে হালে প্রতিটি বিষয়ে সমান ভাবে দক্ষ হতেহবে। তাই কেবল ইংরেজি ও অংক বিষয়ে বেশি সময় দিতে গিয়ে অন্যান্য বিষয়ের কথা ভুলে যেয়না। দ্রুত পড়ার অভ্যাস করা==> ধীর গতিতে পড়লে সময় বেশি লাগে, ফলে বেশি পড়া- শুনা করা যায়না। আবার অনেকেই একই বাক্য দুবার পড়ে, কোন কঠিন শব্দের কাছে এসে থেমে যায়, পড়ায় মনোযোগ নেই, কেউ বিড় বিড় করে পড়ে ইত্যাদি বদঅভ্যাস পড়ার গতি কমিয়ে দেয়। পড়ার সময় প্রতিটি বিষয়ের সারাংশ বোঝার চেষ্টা কর, উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন হও।বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাগ দেবে বা নোট করবে। প্রয়োজনে অন্য কোন বইয়ের সহায়তা নেবে।সহজ ও কঠিন বিষয় পড়ার সময় প্রয়োজনমত সময় হ্রাস-বৃদ্ধি করবে। হতের লেখা সুন্দর ও দ্রুতকর===> সুন্দর হাতের লেখার প্রশংসা সবাই করে। লেখা আকর্ষণীয় হলে শিক্ষক ধরে নেন এটি একজন ভাল ছাত্রের খাতা। শিক্ষা ক্ষেত্রের সকল স্তরেই হাতের লেখার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।হাতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত করার জন্য সুন্দর কোন হাতের লেখা অনুসরণ করতে পার।এছাড়া এই ব্যাপারে একজন অভিজ্ঞ শিক্ষকের ও পরামর্শ নিতে পার। অধ্যয়ন পদ্ধতি==> ছাত্র জীবনে ভাল ফলাফল করতে হলে সঠিক নিয়মে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয়। পড়া- শোনার ব্যাপারে কৌশলি ও নিয়ম মেনে চলতে হয়।Robinson অধ্যয়নের শ্রেষ্ঠ নিয়মা বলি প্রণয়ন করেছেন। তার পদ্ধতিকে বলা হয় S Q 3 R পদ্ধতি। এর পূর্ণরূপ হল Survey (জরিপকর), Question(প্রশ্নকর), Read(পড়), Recite(আবৃত্তিকর), Review(পুনরায়স্মরণকর)। অধ্যয়নকালে এই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলে অবিশ্বাস্য ফলাফল পাওয়া যায়।

3707 views

নিচে কিছু টিপস দেয়া হল: ১। আপনাকে বেশি বেশি পড়তে হবে। ২।কঠিন বিষয়গুলি বেশি বেশি সময় দিতে হবে। ৩।হাতের লেখা সুন্দর করতে হবে যাতে সবার নজর কাড়ে। ৪।ভালো ছাত্রদের সাথে বেশি বেশি মিশতে হবে।তাদেরকে অনুসরন করতে হবে।আবার সব সময় নয়। ৫।যে পড়াটা একবার পড়বেন সেটি না দেথে খাতায় লিখতে হবে। ৬।সর্বপরি টিউটোরের সাহায্য নিতে হবে।

3707 views

Related Questions