6 Answers
আপনি নিচের নিয়ম দদুটি অনুসরণ করুন আশা করি ভালো ফল পাবেন ভ্যাসলিন ও লেবুর রস গোড়ালি পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে হালকা গরম পানিতে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর ১ টেবিল-চামচ ভ্যাসলিন ও ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রণ শুকনা পা ও গোড়ালির ফেটে যাওয়া স্থানে ত্বক শুষে না নেওয়া পর্যন্ত ঘষতে হবে। এই মিশ্রণ রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে একজোড়া পশমের মোজা পরে নিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। পশমের মোজা শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখবে এবং এতে মিশ্রণটির কার্যকারীতে বাড়াবে। সকালে উঠে ভালো মতো ধুয়ে ফেলতে হবে। মধু মধুতে আছে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করার উপাদান। এছাড়াও মধু ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। কুসুম গরম পানিতে ১ কাপ মধু মিশিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ফাটা গোড়ালির চামড়া নরম হয়ে এলে হালকা ভাবে পা ঘষে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে পায়ের রুক্ষ ত্বক কোমল ও নমনীয় হবে। আর নিয়মিত ব্যবহারে পা ফাটাও কমে আসবে।
এ ক্ষেত্রে ঔষধ খেলে তেমন উপকার পেতে নাও পারেন। তাই আপনি ভালো চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন। ডাক্তার নিশ্চই আপনার সমস্যারর সমাধান দিবেন।
পায়ের গোড়ালি ফাঁটা, ক্ষত হয়ে গর্তের মত হয়ে যাওয়া এইসবের জন্য (কেকগ্রাড) নামক একটি ক্রিম আছে যা পায়ের ফাঁটা ভাব দূর করে তবে ক্রিম টি লাগালে টানা ৩মাস লাগাতে হবে হেয়ালি করলে আগের মতোই থেকে যাবে ট্রাই করুন আশা করি উপকার পাবেন।
স্যালিসাইলিক অ্যাসিড অয়েন্টমেন্ট (Salicylic Acid Topical) পায়ের গোড়ালি ও পায়ের তলার ফাটা সারাতে ব্যবহার করা হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে বাজারে ক্র্যাকডহিল ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট পাওয়া যায়। তবে মনে রাখতে হবে অনেক ক্ষেত্রে সোরিয়াসিস (Psoriasis) নামক এক ধরনের চর্মরোগের কারণেও পায়ের তলা ও গোড়ালি ফাটতে পারে এবং সাধারণ ক্র্যাকডহিল ও সোরিয়াসিসজনিত পায়ের তলা ফাটার মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায় না।
আপনি ভেসলিন লোশন পায়ের গোড়ালিতে ভালভাবে লাগিয়ে দেখতে পারেন। কারন এটা ব্যবহার করে আমারও এ সমস্য দূর হয়ে গেছে।