আমার ১০-১৫ মিনিট মোাবাইল চালালে মাথা ব্যথা করে। অনেকে ঘন্টার পর ঘন্টা চালালেও সমস্যা হয় না কেন?
7 Answers
হতে পারে আপনার চোখের প্রপলেম আছে তাই মোবাইল এর ডিসপ্লের আলোর দিকে তাকিয়ে থাকার কারনে মাথা ব্যাথা করে..... আথবা আপনি দীর্ঘ সময় ধরে ফোন কখনোই ব্যবহার করেন নাই তাই প্রথম প্রথম এমন সমস্যা দেখা দিচ্ছে ..... এক্ষতে আপনি ব্রাইটনেস কমিয়ে ব্যবহার করতে পারেন... তবে এটা সত্যি যে দীর্ঘ সময় ধরে ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করলে বেশির ভাগ মানুষে মাথা ব্যাথা অনুভব হয়... কারো কম বা কারো বেশি....... মাথা ব্যাথা কম বেশি যাই হোক দীর্ঘ ক্ষন মোবাইল ব্যবহার করা সবার জন্যই ক্ষতিকর....
সবার শরীরের গঠন একই না।হয়তোবা আপনার শরীর দূর্বল যার কারনে এমনটা হচ্ছে।আর মোবাইল থেকে যে আলো নির্গত হয় তা খুবই ক্ষতিকর।হয়তোবা আপনার ফোনে সমস্যা আছে এবং ক্ষতিকর আলো বেশি করে নির্গত হচ্ছে। তাই আপনার এমনটা হচ্ছে।
অনেকে চালাতে চালাতে অভ্যেস করে ফেলে । তাই একসময় এই সমস্যা হয়না । আপনি চালানোর সময় ব্রাইটনেস কমিয়ে চালাবেন ।
সবার এক সমস্যা হবে এমন কথা নয়। আপনার চোখে সমস্যা আছে। তাই আপনি ডাক্তারের কাছে শীঘ্রই যোগাযোগ করেন। এছাড়া গেমস খেলা থেকে বিরত থাকেন। রাতে মোবাইল দিয়ে কথা বলা ব্যতীত অন্য কোনো কিছু করবেননা। মোবাইলে আলো যথাসম্ভব কমিয়ে রেখে ব্যবহার করবেন।
কখনো কখনো একটানা মোবাইল ব্যবহারে মাথার ভেতর দপদপে বা চিনচিনে ব্যথা শুরু হয় পরে আবার তা চলেও যায়। কিন্তু এই সামান্য মাথাব্যথাও অনেক সময় তীব্র যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। একে মাইগ্রেনও বলে। মাইগ্রেনের সমস্যায় যদি কোনো চিকিৎসা নেওয়া না হয় তবে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত মাইগ্রেনের যন্ত্রণা হতে পারে। কতবার এবং কতক্ষণ মাইগ্রেন স্থায়ী হচ্ছে সে বিবেচনা করেই চিকিৎসা দেন চিকিৎসক। অবশ্য এই মাইগ্রেন বা মাথাব্যথা পুরোপুরি নির্মূল করার চিকিৎসা নেই। কারণ এটি প্যাথো-ফিজিওলজির বিষয়। এটি ঠিক কী কারণে হয় তা পুরোপুরি এখনো বুঝতে পারেননি গবেষকেরা। কিন্তু মাইগ্রেনের লক্ষণ দেখে জীবনযাপনের ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন এনেই এর চিকিৎসা করা যায়। এ জন্য অবশ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। ডিজিটাল স্ক্রিনের দিকে চেয়ে থাকা মোবাইল স্ক্রিনে দীর্ঘক্ষণ এক নাগাড়ে তাকিয়ে থাকলে মাথা ব্যথা দেখা দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে ৬০ শতাংশ মার্কিনিরা দিনে ছয় ঘণ্টা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকেন। ডিজিটাল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকায় চোখের যে প্রদাহ হয় তাতে মাথা ব্যথা হতে পারে। হিপটোনাইজ করে রাখে যে ডিভাইসগুলো তা থেকে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিতে হবে। কিংবা এক নাগাড়ে আধা ঘণ্টার বেশি ডিজিটাল স্ক্রিনের দিকে চেয়ে থাকা যাবে না। এ ছাড়া অ্যান্টি-গ্লো স্ক্রিন প্রটেক্টরও কেনা যেতে পারে।ফোনের দিকে ঘাড় নিচু করে চেয়ে থাকা বা এক নাগাড়ে ডেস্কে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার করায় ঘাড়ে টান লাগতে পারে এবং মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। ঘাড়ের এই টান লাগার সঙ্গে মাইগ্রেনের সম্পর্কের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। কাজের ক্ষেত্রে যাতে ঝুঁকে বসে কাজ করতে না হয় বা মোবাইল স্ক্রিনের সঙ্গে যেন বসা ঠিক হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সঠিক উচ্চতায় বসা, চেয়ারের উচ্চতা ঠিক ও মোবাইল স্ক্রিনের উচ্চতা ঠিকঠাক রাখলে ঘাড়ে টান লাগে কম। মোবাইল যন্ত্রণা সব কিছুতেই এখন মোবাইল বাগড়া দেবে, বিষয়টি এখন প্রতিনিয়তই ঘটছে।
আপনার মোবাইলের আলো কমিয়ে রাখুন। এবং আপনি মোবাইল চালানোর সময় মোবাইলের প্রতি বেশি আসক্ত হবেন না।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy